
নেগোশিয়েবল ইন্সট্রুমেন্টস অ্যাক্ট (এনআই অ্যাক্ট), ১৮৮১-এর ১৩৮ ধারায় করা চেক ডিজঅনার মামলায় চেকে উল্লেখিত সম্পূর্ণ টাকা পরিশোধ এবং পক্ষগুলোর মধ্যে আপস-মীমাংসা হয়ে গেলে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে কারাগারে পাঠানো বা তার কারাদণ্ড বহাল রাখা সমীচীন নয় বলে রায় দিয়েছেন হাইকোর্ট। আদালত স্পষ্ট করে বলেছেন, এ ধরনের মামলার মূল লক্ষ্য কাউকে শাস্তি দেওয়া বা কারাবন্দি রাখা নয়, বরং পাওনাদার যাতে তার অর্থ ফেরত পান তা নিশ্চিত করাই এর প্রধান উদ্দেশ্য।
এনআই অ্যাক্টের ১৩৮ ধারায় দায়ের করা একটি ফৌজদারি আপিল নিষ্পত্তি করে বিচারপতি মো. বশির উল্লাহর একক হাইকোর্ট বেঞ্চ এই রায় ঘোষণা করেন। মামলাটি আদালতে ‘মো. আবদুল হান্নান মাস্টার বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য’ নামে পরিচিত ছিল। রায় দেওয়ার সময় আবেদনকারী পক্ষের কোনো আইনজীবী আদালতে উপস্থিত ছিলেন না। তবে বিবাদী ব্র্যাক মাইক্রোফাইন্যান্সের পক্ষে শুনানিতে অংশ নেন আইনজীবী মো. জিসান মাহমুদ এবং তার সঙ্গে ছিলেন আইনজীবী তাসনুভা কায়সার। অন্যদিকে রাষ্ট্রপক্ষে উপস্থিত ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মো. মিজানুর রহমান ও সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল মো. সিরাজুল করিম (রবি)।
মামলার বিবরণী থেকে জানা যায়, সংশ্লিষ্ট চেকের যাবতীয় অর্থ এবং ব্যাংকের পাওনা পুরোপুরি পরিশোধ করার পাশাপাশি উভয় পক্ষের মধ্যে একটি আপস-মীমাংসা সম্পন্ন হয়েছে। এর পরিপ্রেক্ষিতে হাইকোর্ট দণ্ডিত ব্যক্তির এক বছরের কারাদণ্ড বাতিল করার সিদ্ধান্ত দিয়েছেন। একই সঙ্গে আপিল করার পূর্বে অধস্তন আদালতে জমা দেওয়া ১৪ হাজার ১০০ টাকা ব্র্যাক মাইক্রোফাইন্যান্সকে বুঝিয়ে দেওয়ার জন্য নির্দেশ প্রদান করেছেন উচ্চ আদালত।
সম্পাদক ও প্রকাশক: মাহের আহমেদ, প্রধান সম্পাদক: মোঃ মোত্তালিব সরকার। প্রকাশক কর্তৃক ৫৫০বি, হজ্জ ক্যাম্প রোড, আশকোনা, দক্ষিণখান, ঢাকা-১২৩০, বাংলাদেশ থেকে প্রকাশিত। সম্পাদকীয়, বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় (ঢাকা) : ৫৫০বি, হজ্জ ক্যাম্প রোড, আশকোনা, দক্ষিণখান, ঢাকা-১২৩০, বাংলাদেশ। আঞ্চলিক কার্যালয় (বগুড়া): টোলারগেট, শেরপুর–৫৮৪০, শেরপুর, বগুড়া। অফিস: ০১৭৭৬-১৩৬০৫০ (হোয়াটসঅ্যাপ), বিজ্ঞাপন: ০৯৬৯৭-৫৪৪৮২৭। ই-মেইল: dailyjokhonsomoy@gmail.com।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের তথ্য মন্ত্রনালয়ের বিধি মোতাবেক নিবন্ধনের জন্য আবেদিত ©সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © দৈনিক যখন সময় ২০২২