
যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা বিভাগ পেন্টাগন গোপনে বেশ কয়েকজন রক্ষণশীল অবসরপ্রাপ্ত সামরিক কর্মকর্তাকে সরকারি বিভিন্ন বেসামরিক পদে নিয়োগ দিয়েছে। প্রভাবশালী মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য ওয়াশিংটন পোস্টের এক অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে এই তথ্য উঠে এসেছে। প্রতিবেদন অনুযায়ী, এসব ব্যক্তিদের দায়িত্ব বা পদায়নের বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হয়নি।
নিয়োগ পাওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে রয়েছেন অবসরপ্রাপ্ত বিমানবাহিনী কর্নেল রব মানেস এবং অবসরপ্রাপ্ত সেনাবাহিনী কর্নেল কার্ট শ্লিখটার। গত সপ্তাহ পর্যন্ত তাদের দুজনেরই সক্রিয় সরকারি ই-মেইল ঠিকানা ছিল, যার শেষে ‘.পরা’ প্রত্যয় যুক্ত ছিল। এর মাধ্যমে তাদের সামরিক সদস্য বা ঠিকাদার নয়, বরং বেসামরিক কর্মী হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। তাদের দুজনকে প্রতিরক্ষা বিভাগের জনবল ও প্রস্তুতি বিষয়ক আন্ডারসেক্রেটারি অ্যান্থনি টাটার দপ্তরে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। রব মানেস ও কার্ট শ্লিখটার সামরিক জীবন থেকে অবসরের পর রক্ষণশীল রাজনৈতিক ভাষ্যকার হিসেবে পরিচিতি পেয়েছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে মানেসের ১ লাখ ৩৫ হাজার এবং শ্লিখটারের ৬ লাখ ২০ হাজার অনুসারী রয়েছে।
এছাড়া অবসরপ্রাপ্ত সেনাবাহিনী কর্নেল ও ইনফ্লুয়েন্সার থমাস অ্যান্ডারসনকেও চলতি বছরের শুরুর দিকে একই দপ্তরে নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল। পেশায় আইনজীবী অ্যান্ডারসন অনলাইনে ‘সিনিক্যাল পুবলিয়াস’ ছদ্মনামে লেখেন এবং এক্সে তার অনুসারীর সংখ্যা ৩ লাখ ২৩ হাজারের বেশি। তবে গত সপ্তাহের শেষদিকে পেন্টাগনের নথিতে তার নাম আর দেখা যায়নি।
বিষয়টি সম্পর্কে অবগত ব্যক্তিদের মতে, অন্তত কয়েকজনকে এমন বেসামরিক পদে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে যেখান থেকে তারা নীতিনির্ধারণে প্রভাব বিস্তারের সুযোগ পেতে পারেন। এসব ব্যক্তি প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথের মতামত প্রচার এবং ট্রাম্প প্রশাসনের কর্মকাণ্ড নিয়ে সমালোচনা করা ব্যক্তিদের আক্রমণ করে আসছেন। পেন্টাগনের মুখপাত্র জোয়েল ভালদেজ এই ব্যক্তিদের বেতন, দায়িত্ব বা নিয়োগের মেয়াদ সম্পর্কে কোনো মন্তব্য করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছেন। অ্যান্থনি টাটা এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরাও এ বিষয়ে কোনো প্রতিক্রিয়া জানাননি।
সরকারি নথিপত্র অনুযায়ী, এই ব্যক্তিদের ‘স্পেশাল গভর্নমেন্ট এমপ্লয়ি’ (এসজিই) অথবা ‘হাইলি কোয়ালিফায়েড এক্সপার্ট’ (এইচকিউই) হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। সরকারি নির্দেশিকা অনুযায়ী, এসজিই হিসেবে নিয়োগপ্রাপ্তরা বছরে সর্বোচ্চ ১৩০ দিন কাজ করতে পারেন, অন্যদিকে এইচকিউই মর্যাদায় নিয়োগপ্রাপ্তরা পূর্ণকালীন বা খণ্ডকালীন কাজ করতে পারেন। তবে মানেস, শ্লিখটার ও অ্যান্ডারসনের সঙ্গে কী ধরনের আর্থিক চুক্তি হয়েছে বা তাদের নিয়োগ কবে থেকে কার্যকর হয়েছে, তা স্পষ্ট নয়।
সম্পাদক ও প্রকাশক: মাহের আহমেদ, প্রধান সম্পাদক: মোঃ মোত্তালিব সরকার। প্রকাশক কর্তৃক ৫৫০বি, হজ্জ ক্যাম্প রোড, আশকোনা, দক্ষিণখান, ঢাকা-১২৩০, বাংলাদেশ থেকে প্রকাশিত। সম্পাদকীয়, বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় (ঢাকা) : ৫৫০বি, হজ্জ ক্যাম্প রোড, আশকোনা, দক্ষিণখান, ঢাকা-১২৩০, বাংলাদেশ। আঞ্চলিক কার্যালয় (বগুড়া): টোলারগেট, শেরপুর–৫৮৪০, শেরপুর, বগুড়া। অফিস: ০১৭৭৬-১৩৬০৫০ (হোয়াটসঅ্যাপ), বিজ্ঞাপন: ০৯৬৯৭-৫৪৪৮২৭। ই-মেইল: dailyjokhonsomoy@gmail.com।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের তথ্য মন্ত্রনালয়ের বিধি মোতাবেক নিবন্ধনের জন্য আবেদিত ©সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © দৈনিক যখন সময় ২০২২