Header Premium (728×90)

নতুন পে-স্কেলের অর্থায়নে প্রয়োজনে ঋণ নেওয়া হবে: প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা

সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য নতুন বেতন কাঠামো বা পে-স্কেল বাস্তবায়নের প্রক্রিয়া বর্তমানে চলমান রয়েছে। তবে এই কাঠামো কবে নাগাদ এবং কয়টি ধাপে কার্যকর হবে, তা চূড়ান্ত করার বিষয়টি মন্ত্রিসভার সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করছে। বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনাবিষয়ক উপদেষ্টা ড. রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর এ তথ্য জানান।

উপদেষ্টা জানান, নতুন পে-স্কেল বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে ইতিমধ্যে দুটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ সম্পন্ন হয়েছে। সাধারণত এ ধরনের কাজের জন্য তিনটি পর্যায় অনুসরণ করা হয়। প্রথম পর্যায়ে পে সার্ভিস কমিশন, সশস্ত্র বাহিনীর পে কমিটি এবং বিচার বিভাগের পে কমিশন তাদের প্রতিবেদন জমা দিয়েছে। এর মধ্যে সচিব কমিটি প্রথম দুটি প্রতিবেদনের ওপর পর্যালোচনা শেষে সুপারিশ প্রদান করেছে।

তিনি আরও জানান, বিচার বিভাগের পে-স্কেলের বিষয়ে মন্ত্রিসভা গঠিত একটি কমিটি কাজ করছে। বাংলাদেশের বর্তমান বাস্তবতা, সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা এবং বিষয়টির সংবেদনশীলতা মাথায় রেখে কমিটি তাদের প্রতিবেদন তৈরি করবে। এই প্রতিবেদন পাওয়ার পর দ্বিতীয় পর্যায়ের কাজ শেষ হবে এবং চূড়ান্ত পর্যায়ে মন্ত্রিসভা প্রস্তাবগুলো পর্যালোচনা করে বাস্তবায়নের সময় ও ধাপ নির্ধারণ করবে।

নতুন পে-স্কেল বাস্তবায়নের জন্য অর্থের জোগান কোথা থেকে আসবে, এমন প্রশ্নের জবাবে ড. রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর বলেন, অভ্যন্তরীণ সম্পদ আহরণ বাড়ানোর দিকে সরকার গুরুত্ব দিচ্ছে। তবে প্রয়োজনে ঋণ নেওয়া হবে। তিনি ঋণ নেওয়াকে সমস্যা হিসেবে না দেখে বাজেট ঘাটতি, জিডিপি’র তুলনায় করের হার এবং সামাজিক নিরাপত্তা, স্বাস্থ্য ও শিক্ষায় ব্যয়ের ভারসাম্য বজায় রাখাকে মূল বিষয় হিসেবে উল্লেখ করেন।

সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন বৈষম্য ও বেসরকারি খাতের সঙ্গে তুলনার বিষয়ে তিনি বলেন, তুলনার ক্ষেত্রে কর্ম অনুযায়ী ব্যবস্থার নীতিটি বিবেচনায় রাখতে হবে। এছাড়া মূল্যস্ফীতি বৃদ্ধির বিষয়টি সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী ও পেনশনভোগীদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বর্তমানে প্রায় ১৪ লাখ মূল বেতনভোগী এবং পেনশনভোগীসহ প্রায় ২০ লাখ মানুষের বিষয় বিবেচনায় নিয়ে কাজ চলছে। বেতন বাড়ালে দুর্নীতি কমবে কি না, এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, সরকার এমন কোনো নিশ্চয়তা দিচ্ছে না; বরং উদ্দেশ্য হলো একটি কার্যকর ও যুক্তিসংগত ব্যবস্থা গড়ে তোলা।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Dainik Ei Din

Recent Posts

সামরিক তথ্য ফাঁসকারীদের গুলি করে হত্যা করা উচিত: ট্রাম্প

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প অ্যারিজোনায় এক নির্বাচনি সমাবেশে সামরিক অভিযানের তথ্য ফাঁসকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর হুঁশিয়ারি…

16 minutes ago

মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার উন্মুক্ত: ৩৩৮ এজেন্সির মাধ্যমে কর্মী নিয়োগের ঘোষণা

দীর্ঘদিন বন্ধ থাকার পর কূটনৈতিক প্রচেষ্টায় মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার আনুষ্ঠানিকভাবে উন্মুক্ত হয়েছে। স্বচ্ছ নিয়োগ নিশ্চিত করতে…

27 minutes ago

মালয়েশিয়ায় কর্মী নিয়োগ শুরু, বিনা খরচে যাবে ১০ হাজার কর্মী

মালয়েশিয়ার শ্রমবাজারে বাংলাদেশি কর্মী নিয়োগের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। বিশেষ ব্যবস্থাপনায় ১০ হাজার কর্মীকে সম্পূর্ণ বিনা…

37 minutes ago

‘নগদ’ বিক্রির কোনো পরিকল্পনা সরকারের নেই, লাভজনক করার উদ্যোগ

মোবাইলে আর্থিক সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান ‘নগদ’ বিক্রির কোনো পরিকল্পনা সরকারের নেই বলে জানিয়েছেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও…

39 minutes ago

কাশ্মীরের মসজিদে অভিন্ন খুতবার প্রস্তাব, বিতর্কের মুখে ওয়াকফ বোর্ড

জম্মু ও কাশ্মীর ওয়াকফ বোর্ডের খুতবা অভিন্ন করার প্রস্তাব নিয়ে সৃষ্টি হয়েছে তীব্র বিতর্ক। সমালোচকদের…

44 minutes ago

ঈশ্বরদীতে ১২ বছরের শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগ, থানায় মামলা

পাবনার ঈশ্বরদীতে ১২ বছর বয়সী এক শিশুকে ধর্ষণচেষ্টা ও যৌন নিপীড়নের অভিযোগ উঠেছে ৬০ বছর…

1 hour ago

This website uses cookies.