ঢাকা ০৩:১১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ অগাস্ট ২০২৬, ২৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ভারতে কাজ করতে না পারায় ক্ষোভ নেই, নিষেধাজ্ঞার প্রতি কৃতজ্ঞ আতিফ আসলাম দক্ষ মানবসম্পদ গড়ার নতুন ঠিকানা বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় ফরিদপুরের বোয়ালমারীতে বিয়ের পাঁচ মাস পর গৃহবধূর রহস্যজনক মৃত্যু আন্তর্জাতিক যুব দিবস উপলক্ষে নোয়াখালীতে জামায়াতের র‍্যালি ও সভা ফিফায় কিংসের অভিযোগ বেড়ে ১৪, নিষেধাজ্ঞামুক্ত হওয়ার অপেক্ষায় আবাহনী টাটা সন্সের চেয়ারম্যান পদ ছাড়ছেন নটরাজন চন্দ্রশেখরণ বিতর্কিত নওমিকে এশিয়ান গেমসে নারী দলের ম্যানেজার করল বাফুফে ফিলিস্তিন ইস্যু মুছে ফেলতে চায় ইসরাইল: এরদোগান এনটিআরসিএ-এর মাধ্যমেই হবে প্রতিষ্ঠান প্রধান নিয়োগ, আশ্বস্ত শিক্ষক নেতারা বাংলাদেশ-অস্ট্রেলিয়া টেস্ট সরাসরি দেখবেন যেভাবে

পাবনায় কিশোরী ধর্ষণ-হত্যার জেরে অগ্নিকাণ্ডে দগ্ধ ৩ জনের মৃত্যু

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৯:৩২:২৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬ ১৫ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

পাবনা সদর উপজেলায় নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী রিয়া খাতুনকে (১৫) ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনার জেরে উত্তেজিত জনতার দেওয়া আগুনে দগ্ধ হয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। মঙ্গলবার (৯ জুন) সকালে ঢাকার জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় দুজনের মৃত্যু হয়। এর আগে সোমবার (৮ জুন) বিকেলে একই হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আরও একজনের মৃত্যু হয়।

নিহতরা হলেন পাবনা সদর উপজেলার ভাড়ারা ইউনিয়নের পূর্ব রাঘবপুর এলাকার তজির উদ্দিন শেখের ছেলে সুমন শেখ (২৫), নতুন পাড়া এলাকার শকুর হোসেনের ছেলে সাইফুল ইসলাম সাব্বির (২২) এবং একই এলাকার মৃত ইউসুফের ছেলে সাপু (৩০)।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত ৩ জুন বিকেলে ভাড়ারার পদ্মা নদী থেকে নিখোঁজ কিশোরী রিয়া খাতুনের বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধার করা হয়। ময়নাতদন্ত শেষে ৪ জুন তাকে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়। দাফন সম্পন্ন হওয়ার পরপরই এলাকাবাসী ও উত্তেজিত জনতা ক্ষিপ্ত হয়ে অভিযুক্ত আসামিদের বাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেয়। অগ্নিকাণ্ডের একপর্যায়ে ঘরের ভেতর থাকা রান্নার গ্যাস সিলিন্ডার বিকট শব্দে বিস্ফোরিত হয়। এতে আগুন নেভাতে আসা এবং আশপাশে দাঁড়িয়ে থাকা প্রতিবেশীদের ওপর আগুনের শিখা ছিটকে পড়ে বেশ কয়েকজন গুরুতর দগ্ধ হন। স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে প্রথমে পাবনা জেনারেল হাসপাতালে এবং পরে আশঙ্কাজনক অবস্থায় ঢাকার জাতীয় বার্ন ইনস্টিটিউটে ভর্তি করেন।

পুলিশ জানিয়েছে, অগ্নিকাণ্ডের সময় গণপিটুনি বা আইনি ঝামেলা এড়াতে আসামিপক্ষের কেউ বাড়িতে ছিলেন না। ফলে দগ্ধ ও নিহতরা সবাই প্রতিবেশী, আশপাশের মানুষ এবং মূলত উৎসুক জনতা। পাবনা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তরিকুল ইসলাম জানান, অগ্নিকাণ্ড ও মৃত্যুর ঘটনায় থানায় আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। এর আগে রিয়া খাতুনকে হত্যা ও ধর্ষণের ঘটনায় পুলিশ মূল অভিযুক্ত নাইমসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে। গ্রেপ্তারকৃতরা আদালতে রিয়াকে ধর্ষণ ও শ্বাসরোধ করে হত্যার ঘটনা স্বীকার করে জবানবন্দি দিয়েছে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Dainik Ei Din

নিউজটি শেয়ার করুন

পাবনায় কিশোরী ধর্ষণ-হত্যার জেরে অগ্নিকাণ্ডে দগ্ধ ৩ জনের মৃত্যু

আপডেট সময় : ০৯:৩২:২৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬

পাবনা সদর উপজেলায় নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী রিয়া খাতুনকে (১৫) ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনার জেরে উত্তেজিত জনতার দেওয়া আগুনে দগ্ধ হয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। মঙ্গলবার (৯ জুন) সকালে ঢাকার জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় দুজনের মৃত্যু হয়। এর আগে সোমবার (৮ জুন) বিকেলে একই হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আরও একজনের মৃত্যু হয়।

নিহতরা হলেন পাবনা সদর উপজেলার ভাড়ারা ইউনিয়নের পূর্ব রাঘবপুর এলাকার তজির উদ্দিন শেখের ছেলে সুমন শেখ (২৫), নতুন পাড়া এলাকার শকুর হোসেনের ছেলে সাইফুল ইসলাম সাব্বির (২২) এবং একই এলাকার মৃত ইউসুফের ছেলে সাপু (৩০)।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত ৩ জুন বিকেলে ভাড়ারার পদ্মা নদী থেকে নিখোঁজ কিশোরী রিয়া খাতুনের বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধার করা হয়। ময়নাতদন্ত শেষে ৪ জুন তাকে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়। দাফন সম্পন্ন হওয়ার পরপরই এলাকাবাসী ও উত্তেজিত জনতা ক্ষিপ্ত হয়ে অভিযুক্ত আসামিদের বাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেয়। অগ্নিকাণ্ডের একপর্যায়ে ঘরের ভেতর থাকা রান্নার গ্যাস সিলিন্ডার বিকট শব্দে বিস্ফোরিত হয়। এতে আগুন নেভাতে আসা এবং আশপাশে দাঁড়িয়ে থাকা প্রতিবেশীদের ওপর আগুনের শিখা ছিটকে পড়ে বেশ কয়েকজন গুরুতর দগ্ধ হন। স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে প্রথমে পাবনা জেনারেল হাসপাতালে এবং পরে আশঙ্কাজনক অবস্থায় ঢাকার জাতীয় বার্ন ইনস্টিটিউটে ভর্তি করেন।

পুলিশ জানিয়েছে, অগ্নিকাণ্ডের সময় গণপিটুনি বা আইনি ঝামেলা এড়াতে আসামিপক্ষের কেউ বাড়িতে ছিলেন না। ফলে দগ্ধ ও নিহতরা সবাই প্রতিবেশী, আশপাশের মানুষ এবং মূলত উৎসুক জনতা। পাবনা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তরিকুল ইসলাম জানান, অগ্নিকাণ্ড ও মৃত্যুর ঘটনায় থানায় আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। এর আগে রিয়া খাতুনকে হত্যা ও ধর্ষণের ঘটনায় পুলিশ মূল অভিযুক্ত নাইমসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে। গ্রেপ্তারকৃতরা আদালতে রিয়াকে ধর্ষণ ও শ্বাসরোধ করে হত্যার ঘটনা স্বীকার করে জবানবন্দি দিয়েছে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Dainik Ei Din