
বাংলাদেশের বিভিন্ন কলকারখানা, যানবাহন, দোকানপাট, বাসাবাড়ি এবং কৃষিকাজে এখনো বিপুলসংখ্যক শিশু শ্রম দিয়ে যাচ্ছে। সমাজ ও রাষ্ট্রের জন্য অত্যন্ত উদ্বেগের এই পরিস্থিতির পেছনে প্রধানত দারিদ্র্য এবং পারিবারিক অসচেতনতা দায়ী। অনেক দরিদ্র পরিবারে মৌলিক চাহিদা মেটানোর তাগিদে শিশুরা উপার্জনে নামতে বাধ্য হয়। বিশেষ করে অভিভাবকদের শিক্ষাগত যোগ্যতার অভাবে তারা সন্তানের দীর্ঘমেয়াদী ভবিষ্যতের চেয়ে বর্তমান উপার্জনকে বেশি প্রাধান্য দিয়ে থাকেন।
মালিকপক্ষও কম মজুরিতে শিশুদের দিয়ে বেশি কাজ করিয়ে নেওয়ার সুযোগ গ্রহণ করে। এর ফলে শিশুরা স্কুল থেকে ছিটকে পড়ছে এবং বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের দিকে ধাবিত হচ্ছে। যদিও বাংলাদেশ শ্রম আইন ২০০৬ অনুযায়ী কলকারখানা বা যেকোনো প্রতিষ্ঠানে শিশুশ্রম সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ, তবে বাস্তবে এর চিত্র সম্পূর্ণ ভিন্ন।
শিশুরাই জাতির ভবিষ্যৎ, কিন্তু দারিদ্র্য ও সামাজিক অসচেতনতার কারণে তারা শিক্ষা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে, যা তাদের স্বাভাবিক মানসিক বিকাশকে ব্যাহত করছে। এই সংকট নিরসনে দরিদ্র পরিবারগুলোর জন্য পর্যাপ্ত আর্থিক সহযোগিতা প্রদান, সবার জন্য বাধ্যতামূলক ও অবৈতনিক শিক্ষা নিশ্চিত করা এবং শিশুদের একটি সুন্দর ও নিরাপদ ভবিষ্যৎ গড়তে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জরুরি পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে।
সম্পাদক ও প্রকাশক: মাহের আহমেদ, প্রধান সম্পাদক: মোঃ মোত্তালিব সরকার। প্রকাশক কর্তৃক ৫৫০বি, হজ্জ ক্যাম্প রোড, আশকোনা, দক্ষিণখান, ঢাকা-১২৩০, বাংলাদেশ থেকে প্রকাশিত। সম্পাদকীয়, বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় (ঢাকা) : ৫৫০বি, হজ্জ ক্যাম্প রোড, আশকোনা, দক্ষিণখান, ঢাকা-১২৩০, বাংলাদেশ। আঞ্চলিক কার্যালয় (বগুড়া): টোলারগেট, শেরপুর–৫৮৪০, শেরপুর, বগুড়া। অফিস: ০১৭৭৬-১৩৬০৫০ (হোয়াটসঅ্যাপ), বিজ্ঞাপন: ০৯৬৯৭-৫৪৪৮২৭। ই-মেইল: dailyjokhonsomoy@gmail.com।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের তথ্য মন্ত্রনালয়ের বিধি মোতাবেক নিবন্ধনের জন্য আবেদিত ©সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © দৈনিক যখন সময় ২০২২