
বাংলাদেশের অর্থনীতির অন্যতম চালিকাশক্তি হিসেবে আবাসন খাত তৈরি পোশাক, শিল্প ও ইস্পাত খাতের মতো গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে চলেছে। এই খাতে আধুনিক স্থাপত্য, নগর পরিকল্পনা, গ্রিন বিল্ডিং টেকনোলজি, প্রকল্প ব্যবস্থাপনা, ব্র্যান্ডিং, ডিজিটাল মার্কেটিং, সাপ্লাই চেইন ম্যানেজমেন্ট, ফিন্যান্স, কাস্টমার সার্ভিস এবং মানবসম্পদ ব্যবস্থাপনার মতো বহুমাত্রিক ক্ষেত্রে কাজের সুযোগ ক্রমাগত বিস্তৃত হচ্ছে। প্রযুক্তির ছোঁয়া এবং পেশাগত দক্ষতার চাহিদার কারণে যারা নিজেদের নিয়মিত উন্নত করছেন, তাদের জন্য এই খাতে দীর্ঘমেয়াদি ক্যারিয়ার গড়ার দারুণ সম্ভাবনা রয়েছে।
আবাসন খাত প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে বিপুল কর্মসংস্থান তৈরি করে। নির্মাণ প্রকল্প, প্রকৌশল, সাইট ব্যবস্থাপনা এবং বিপণনসহ বিভিন্ন কার্যক্রমে দক্ষ জনবল প্রয়োজন। বেকারত্ব নিরসনে নতুন গ্র্যাজুয়েটদের নিয়োগ, কারিগরি প্রশিক্ষণ এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সঙ্গে শিল্পপ্রতিষ্ঠানের কার্যকর সংযোগ স্থাপন করা জরুরি। গ্রিন টেকনোলজি ও উদ্ভাবনী প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ানো গেলে নতুন ধরনের পেশা ও কর্মসংস্থানের ক্ষেত্র আরও প্রসারিত হবে। বিশেষ করে তরুণদের জন্য ইন্টার্নশিপ ও হাতে-কলমে কাজ শেখার সুযোগ বাড়ালে তা শিক্ষাজীবন থেকে কর্মজীবনে প্রবেশের পথ সহজ করবে।
একটি কার্যকর নিয়োগপ্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও যোগ্যতাভিত্তিক মূল্যায়ন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। প্রথমে জনবল চাহিদা নির্ধারণের পর বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের মাধ্যমে প্রার্থীদের জীবনবৃত্তান্ত যাচাই করা হয়। এরপর পদের ধরন অনুযায়ী লিখিত পরীক্ষা, কারিগরি মূল্যায়ন এবং এইচআর বিভাগ ও সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞদের মাধ্যমে সাক্ষাৎকার নেওয়া হয়। সবশেষে রেফারেন্স যাচাই ও ইনডাকশন কার্যক্রমের মাধ্যমে নতুন কর্মীদের প্রতিষ্ঠানের সংস্কৃতি ও দায়িত্ব সম্পর্কে ধারণা দেওয়া হয়।
চাকরিপ্রত্যাশীদের পদের ধরন অনুযায়ী আলাদা প্রস্তুতি নিতে হবে। প্রকৌশলী ও স্থপতিদের জন্য AutoCAD, Revit ও BIM সফটওয়্যারের ব্যবহারিক জ্ঞান থাকা প্রয়োজন। অন্যদিকে ফিন্যান্স, প্রশাসন ও বিপণন বিভাগের প্রার্থীদের জন্য MS Excel, তথ্য বিশ্লেষণ এবং ডিজিটাল টুল ব্যবহারের দক্ষতা জরুরি। সেলস ও মার্কেটিংয়ের ক্ষেত্রে যোগাযোগ, উপস্থাপনা ও দর-কষাকষির দক্ষতার পাশাপাশি পেশাগত আচরণ ও সমস্যা সমাধানের সক্ষমতা প্রদর্শন করতে হবে।
তরুণদের প্রতি পরামর্শ হলো, শুধু শিক্ষাগত সনদের ওপর নির্ভর না করে মাঠপর্যায়ের অভিজ্ঞতা অর্জনে মনোযোগী হতে হবে। গ্রিন আর্কিটেকচার, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা এবং টেকসই নির্মাণপ্রযুক্তির মতো আধুনিক বিষয়গুলো সম্পর্কে ধারণা রাখা ভবিষ্যতে নতুন সুযোগ তৈরি করবে। কর্মজীবনের শুরুতে নতুন কিছু শেখার মানসিকতা, দলগত সহযোগিতা, সময় ব্যবস্থাপনা এবং ইতিবাচক মনোভাব একটি সফল ক্যারিয়ার গঠনে সহায়ক ভূমিকা পালন করে।
সম্পাদক ও প্রকাশক: মাহের আহমেদ, প্রধান সম্পাদক: মোঃ মোত্তালিব সরকার। প্রকাশক কর্তৃক ৫৫০বি, হজ্জ ক্যাম্প রোড, আশকোনা, দক্ষিণখান, ঢাকা-১২৩০, বাংলাদেশ থেকে প্রকাশিত। সম্পাদকীয়, বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় (ঢাকা) : ৫৫০বি, হজ্জ ক্যাম্প রোড, আশকোনা, দক্ষিণখান, ঢাকা-১২৩০, বাংলাদেশ। আঞ্চলিক কার্যালয় (বগুড়া): টোলারগেট, শেরপুর–৫৮৪০, শেরপুর, বগুড়া। অফিস: ০১৭৭৬-১৩৬০৫০ (হোয়াটসঅ্যাপ), বিজ্ঞাপন: ০৯৬৯৭-৫৪৪৮২৭। ই-মেইল: dailyjokhonsomoy@gmail.com।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের তথ্য মন্ত্রনালয়ের বিধি মোতাবেক নিবন্ধনের জন্য আবেদিত ©সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © দৈনিক যখন সময় ২০২২