
জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১-দলীয় ঐক্যের ঢাকা থেকে রংপুরমুখী লংমার্চের গাড়িবহর যমুনা সেতু পার হয়েছে। আজ শনিবার দুপুরে এই বহরের প্রায় সাড়ে চার শ গাড়ি সেতু পার হয় বলে যমুনা সেতুর টোল প্লাজা সূত্রে জানা গেছে। আট দফা দাবিতে আজ সকালে ঢাকা থেকে এই লংমার্চ শুরু করে জোটটি।
লংমার্চের বহরটি বেলা সোয়া ১১টার দিকে টাঙ্গাইল শহরের বাইপাস সড়কের নগর জালফৈ মোড়ে পৌঁছায়। সেখানে আয়োজিত এক পথসভায় বক্তব্য দেন জোটের শীর্ষ নেতারা। পথসভায় বক্তব্য দেন বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান, লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) সভাপতি অলি আহমদ, বিরোধীদলীয় চিপ whip ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মামুনুল হক, আমার বাংলাদেশ (এবি) পার্টির চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান মঞ্জু এবং জামায়াতে ইসলামীর সাধারণ সম্পাদক মিয়া গোলাম পরওয়ারসহ আরও অনেকে।
পথসভা শেষে রংপুরের উদ্দেশ্যে রওনা দেয় গাড়িবহর। যমুনা সেতু টোল প্লাজা সূত্রে জানা গেছে, দুপুর ১২টা ৩২ মিনিটে লংমার্চের মূল বহরটি সেতুর পূর্ব প্রান্তে (টাঙ্গাইলের দিকে) পৌঁছায় এবং টোল দিয়ে পার হতে শুরু করে। দুপুর ১২টা ৪৭ মিনিটের মধ্যে বিভিন্ন লেন দিয়ে গাড়িগুলো উত্তরবঙ্গের দিকে পার হয়ে যায়। মূল বহরের আগে ও পরেও লংমার্চের স্টিকারযুক্ত কিছু গাড়ি বিচ্ছিন্নভাবে পার হয়েছে। সব মিলিয়ে ৪৩০ থেকে ৪৫০টি গাড়ি যমুনা সেতু পার হয়েছে বলে টোল প্লাজা কর্তৃপক্ষ নিশ্চিত করেছে।
এর আগে গত ৫ সেপ্টেম্বর চট্টগ্রাম অভিমুখে লংমার্চে ১১-দলীয় জোটের পক্ষ থেকে ছয় দফা দাবি উত্থাপন করা হয়েছিল। ওই দাবিগুলো ছিল—গণভোটের রায় বাস্তবায়ন, জুলাই গণহত্যার বিচার, বিদ্যুৎ-জ্বালানি ও তেল-গ্যাস-সার সংকট নিরসন, নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্যবৃদ্ধি রোধ, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন এবং সংকীর্ণ দলীয়করণ বন্ধ করা। তবে এবারের রংপুর লংমার্চে আরও দুটি দাবি যুক্ত হয়ে মোট আট দফা হয়েছে। নতুন যুক্ত হওয়া দাবি দুটি হলো—দুর্নীতি, দখলবাজি ও চাঁদাবাজি বন্ধ এবং তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন। উত্তরবঙ্গের মানুষের দীর্ঘদিনের আঞ্চলিক দাবি বিবেচনায় নিয়ে তিস্তা মহাপরিকল্পনাকে কর্মসূচির অংশ করা হয়েছে বলে জোট নেতারা জানিয়েছেন। রংপুর জিলা স্কুল মাঠে সমাপনী সমাবেশের মাধ্যমে এই লংমার্চ শেষ হওয়ার কথা রয়েছে।
কর্মসূচির বিষয়ে জোটের নেতারা উল্লেখ করেছেন যে, জনগণের প্রয়োজনে তাদের দাবির সংখ্যা আরও বাড়তে পারে, আবার তা কমে এক দফায়ও রূপ নিতে পারে।
সম্পাদক ও প্রকাশক: মাহের আহমেদ, প্রধান সম্পাদক: মোঃ মোত্তালিব সরকার। প্রকাশক কর্তৃক ৫৫০বি, হজ্জ ক্যাম্প রোড, আশকোনা, দক্ষিণখান, ঢাকা-১২৩০, বাংলাদেশ থেকে প্রকাশিত। সম্পাদকীয়, বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় (ঢাকা) : ৫৫০বি, হজ্জ ক্যাম্প রোড, আশকোনা, দক্ষিণখান, ঢাকা-১২৩০, বাংলাদেশ। আঞ্চলিক কার্যালয় (বগুড়া): টোলারগেট, শেরপুর–৫৮৪০, শেরপুর, বগুড়া। অফিস: ০১৭৭৬-১৩৬০৫০ (হোয়াটসঅ্যাপ), বিজ্ঞাপন: ০৯৬৯৭-৫৪৪৮২৭। ই-মেইল: dailyjokhonsomoy@gmail.com।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের তথ্য মন্ত্রনালয়ের বিধি মোতাবেক নিবন্ধনের জন্য আবেদিত ©সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © দৈনিক যখন সময় ২০২২