দেশের সব জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে কিডনি রোগীদের জন্য ডায়ালাইসিস সেবা দ্রুততম সময়ের মধ্যে নিশ্চিত করতে বিশেষ উদ্যোগ গ্রহণ করেছে বর্তমান সরকার। এই পরিকল্পনা বাস্তবায়নের লক্ষ্যে ৫ হাজার নার্স ও মেডিকেল টেকনোলজিস্টকে তিন মাসের ডায়ালাইসিস বিষয়ক প্রশিক্ষণ দেওয়া শুরু হয়েছে। পাশাপাশি সরকার নার্স ও মেডিকেল টেকনোলজিস্ট উভয় ক্যাটাগরিতে নতুন করে ২ হাজার ৫০০টি পদ সৃষ্টির সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন জানিয়েছেন, প্রতিটি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ৫০ শয্যা এবং প্রতিটি জেলা সদর হাসপাতালে ১০ শয্যাবিশিষ্ট কিডনি ডায়ালাইসিস সেন্টার স্থাপন করা হবে। ১২ আগস্ট প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের এক বৈঠকে এই সিদ্ধান্তগুলো নেওয়া হয়। পরবর্তীতে ২৪ আগস্ট প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে এ বিষয়ে কার্যবিবরণী স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সচিবের কাছে পাঠানো হয়েছে। এছাড়া ২০ জুলাই প্রধানমন্ত্রীর স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় পরিদর্শনের সময় প্রতিটি জেলায় ডায়ালাইসিস সেন্টার গড়ার সিদ্ধান্তটি নেওয়া হয়েছিল।
নার্সিং ও মিডওয়াইফারি অধিদপ্তরের মহাপরিচালক দিল আফরোজা জানান, বর্তমানে ১২০ জনকে নিয়ে প্রশিক্ষণ কার্যক্রম শুরু হয়েছে। এর মধ্যে ন্যাশনাল কিডনি ফাউন্ডেশনে ৯০ জন, পাবনায় ২০ জন এবং রাজশাহীতে ১০ জন প্রশিক্ষণ নিচ্ছেন। পর্যায়ক্রমে সিলেটসহ অন্যান্য স্থানেও এই কার্যক্রম বিস্তৃত করা হবে। প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণের জন্য সরকারি চাকরিতে ন্যূনতম দুই বছর পূর্ণ হতে হবে এবং বয়স সর্বোচ্চ ৪০ বছরের মধ্যে হতে হবে।
ক্যাম্পস-এর তথ্য অনুযায়ী, দেশে প্রায় ৩ কোটি ৮০ লাখ মানুষ কিডনি রোগে আক্রান্ত এবং প্রতিবছর প্রায় ৪০ হাজার রোগী ডায়ালাইসিসনির্ভর হয়ে পড়েন। তবে বর্তমানে ১৪৬টি ডায়ালাইসিস সেন্টারের ৬৫ থেকে ৭০ শতাংশই ঢাকায় অবস্থিত হওয়ায় প্রান্তিক মানুষ বঞ্চিত হচ্ছেন। এই বৈষম্য দূর করতে জেলা পর্যায়ে কেন্দ্রগুলো পুরোদমে চালু হওয়ার তিন বছর পর উপজেলা পর্যায়েও সুবিধা স্থাপনের কর্মপরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।
একই সাথে তৃণমূল পর্যায়ে চিকিৎসকের অভাব মেটাতে প্রবেশনারি চিকিৎসকদের নিজ নিজ উপজেলায় পদায়ন এবং প্রয়োজনে পাশের উপজেলা থেকে নিয়োগের সিদ্ধান্ত হয়েছে। এছাড়া আগামী ১৫ সেপ্টেম্বরের মধ্যে চিকিৎসকদের পদায়ন নিশ্চিত করা, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সকে ১৫১ শয্যায় উন্নীত করার প্রকল্প একনেকে উপস্থাপন এবং মিরপুরে ৬০০ শয্যার জেনারেল হাসপাতাল স্থাপনের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে।
ইতোমধ্যে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের আওতায় সরকারি মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, বিশেষায়িত হাসপাতাল ও জেলা সদর হাসপাতালে কর্মরত নার্সদের থেকে এ প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণের জন্য আবেদন সংগ্রহ করা হয়েছে।
১২ আগস্টের সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, আড়াই হাজার নার্সসহ মোট পাঁচ হাজার প্রশিক্ষণার্থীর প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হবে, যেখানে প্রতি ব্যাচে থাকবে ৫০ থেকে ১০০ জন।
বিমান পরিবহন খাত সম্প্রসারণের লক্ষ্যে যুক্তরাষ্ট্রের উড়োজাহাজ নির্মাতা প্রতিষ্ঠান বোয়িংয়ের সঙ্গে ১১টি নতুন বিমান কেনার…
শহরের যান্ত্রিকতা ও দূষণ যখন মানুষের জীবনকে জটিল করে তুলছে, তখন গ্রামের নির্মল পরিবেশ, সামাজিক…
কক্সবাজারের উখিয়ায় সীমান্তবর্তী এলাকায় অভিযান চালিয়ে মালিকবিহীন ১ লাখ ৪৯ হাজার ৮০০ পিস ইয়াবা উদ্ধার…
ব্রিটিশবিরোধী স্বাধীনতা সংগ্রামের অন্যতম বিপ্লবী ও প্রথম নারী শহীদ বীরকন্যা প্রীতিলতা ওয়াদ্দেদারের ৯৪তম আত্মাহুতি দিবস…
নিউ ইয়র্কে ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ানের সঙ্গে বৈঠকে হরমুজ প্রণালীতে আটকে পড়া বাংলাদেশি জাহাজগুলো উদ্ধারে…
হরমুজ প্রণালি পুনরায় খুলে দেওয়ার বিষয়ে তেহরান তার শর্তগুলো মেনে নিতে যুক্তরাষ্ট্রকে পাঁচ দিনের সময়সীমা…
This website uses cookies.