বড়পুকুরিয়ার দেশীয় কয়লা ব্যবহার করে ৬০০ মেগাওয়াটের একটি নতুন বিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপনের নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। সোমবার জাতীয় সংসদে ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের সভাপতিত্বে ৬৮ বিধির আলোচনায় অংশ নিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাউদ্দিন আহমদ এই তথ্য জানান।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অভিযোগ করেন, বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আত্মঘাতী নীতি, অদূরদর্শিতা এবং দলীয় ব্যবসায়ী বন্ধুদের স্বার্থরক্ষার কারণেই দেশে জ্বালানি ও গ্যাস সংকট তৈরি হয়েছে। তিনি বলেন, পূর্ববর্তী সরকার তাদের অনুগত টাইকুনদের লালন করতে গিয়ে বিদেশনির্ভর জ্বালানি নীতি গ্রহণ করেছিল এবং দেশীয় অনুসন্ধানে কোনো গুরুত্ব দেয়নি। বর্তমান সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই এই ভঙ্গুর অবস্থা থেকে বেরিয়ে আসার জন্য স্বল্প ও দীর্ঘমেয়াদী নানা উদ্যোগ নিয়েছে।
সালাউদ্দিন আহমদ জানান, নতুন সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পরপরই আন্তর্জাতিক পরিসরে গালফ ওয়ারের মতো সংকট দেখা দেওয়ায় জ্বালানির দামে অস্থিরতা তৈরি হয়। এরপরও কৃষকদের স্বার্থ রক্ষায় গত ১৪ এপ্রিল পর্যন্ত জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানো হয়নি। পরবর্তীতে সীমান্ত এলাকায় পাচার রোধ ও আন্তর্জাতিক বাজার পরিস্থিতি সামাল দিতে তেলের দাম পুনর্নির্ধারণ করা হয়েছে। তিনি আরও বলেন, সরকার সাধারণ মানুষের ওপর আর্থিক চাপ কমাতে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যে বাড়তি কর আরোপ থেকে বিরত রয়েছে।
বিদ্যুৎ উৎপাদন সচল রাখতে সরকারের পরিকল্পনার কথা তুলে ধরে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, সমুদ্রে এফএসআরইউ স্থাপন সময়সাপেক্ষ হলেও সরকার দ্রুত পদক্ষেপ নিতে বিশ্বাসী। মাতারবাড়িতে চীন সরকারের সঙ্গে ‘জি টু জি’ চুক্তির আওতায় ১৮ মাসের মধ্যে তৃতীয় এফএসআরইউ বাস্তবায়নের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। এছাড়া মাতারবাড়িতে একটি ল্যান্ড বেজড এলএনজি টার্মিনাল নির্মাণের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে এবং শত কিলোমিটারের এডভান্সড পাইপলাইন নির্মাণের জন্য আন্তর্জাতিক দরপত্র আহ্বান প্রক্রিয়া চলছে।
কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ নিয়ে তিনি বলেন, বড়পুকুরিয়ার দেশীয় কয়লা ব্যবহারের পাশাপাশি বিদ্যমান কেন্দ্রগুলোর সক্ষমতা বাড়ানোর সংস্কার কাজ চলছে। বৈশ্বিক আর্থিক সীমাবদ্ধতা সত্ত্বেও পায়রা দ্বিতীয় পর্যায়ের ১ হাজার ৩২০ মেগাওয়াটের কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের কাজ দ্রুত শুরু করতে আলোচনা চলছে। গ্রিড লাইনের সংকট হলে সরকার নিজস্ব জিওবি তহবিল থেকে অর্থায়ন করবে।
জ্বালানি উৎস বহুমুখীকরণের অংশ হিসেবে ভোলাতে গ্যাস উত্তোলনের উদ্যোগ সচল করা হয়েছে এবং সেখানে ফার্টিলাইজার ইন্ডাস্ট্রি ও নতুন বিদ্যুৎ কেন্দ্র গড়ার পরিকল্পনা রয়েছে। এছাড়া মাতারবাড়িতে সুবিশাল এলপিজি টার্মিনাল নির্মাণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী মাত্র ছয় মাসের মধ্যে দৃশ্যমান পরিবর্তনের যে ‘আই হ্যাভ প্ল্যান’ নীতি নিয়েছেন, তা কার্যকর হচ্ছে। সরকারের মূল লক্ষ্য গ্যাসের ওপর নির্ভরতা কমিয়ে কয়লা, বাতাস ও সৌর বিদ্যুতের সমন্বয়ে টেকসই জ্বালানি খাত গড়ে তোলা।
কেরানীগঞ্জে শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বিএনপি নেতা আমানউল্লাহ আমান জানিয়েছেন, বাংলাদেশে ফ্যাসিস্টদের কোনো স্থান…
সার ডিলার নিয়োগে অনিয়ম, স্বজনপ্রীতি ও মজুতদারির প্রতিবাদে দেশের বিভিন্ন স্থানে বিক্ষোভ ও মানববন্ধন করেছেন…
বরগুনার বেতাগীতে জেন্ডার স্টেরিওটাইপ, ডিজিটাল নিরাপত্তা ও মিডিয়া লিটারেসি বিষয়ে স্থানীয় সরকার কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সক্ষমতা…
বিমান বাংলাদেশের ঢাকা-টরন্টো ফ্লাইটের যাত্রীসেবা ও অব্যবস্থাপনার অভিজ্ঞতা তুলে ধরে ঢাকা-নিউইয়র্ক রুটে নতুন ফ্লাইট চালুর…
দেশের রপ্তানিমুখী শিল্প খাতের গতিশীলতা ফেরাতে ও বকেয়া নগদ সহায়তা দ্রুত বিতরণের জন্য ৫০০ কোটি…
নরসিংদীতে মানব পাচার প্রতিরোধ, উদ্ধারপ্রাপ্ত সারভাইভারদের পুনর্বাসন এবং তাদের জন্য সহায়তা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে একটি…
This website uses cookies.