
পাহাড়ি ঢল এবং টানা বৃষ্টির কারণে কাপ্তাই হ্রদের পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় রাঙামাটির জনপ্রিয় পর্যটন আকর্ষণ ঝুলন্ত সেতুটি পানিতে তলিয়ে গেছে। শনিবার দুপুর থেকে সেতুর কাঠের পাটাতন ডুবতে শুরু করলে কর্তৃপক্ষ ঝুঁকি এড়াতে সেখানে পর্যটকসহ জনসাধারণের চলাচলের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করে।
রাঙামাটি শহরের ডিয়ার পার্ক এলাকায় অবস্থিত এই সেতুটি পর্যটন করপোরেশনের আওতাধীন। রাঙামাটি পর্যটন করপোরেশনের ব্যবস্থাপক অলোক বিকাশ চাকমা সেতুটি তলিয়ে যাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, হ্রদের পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকায় যেকোনো ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত দুর্ঘটনা এড়াতে আপাতত সেতুতে যাতায়াত বন্ধ রাখা হয়েছে।
কাপ্তাই পানিবিদ্যুৎ কেন্দ্রের তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে হ্রদে ১০৫.৫৪ এমএসএল পানি রয়েছে, যা দিয়ে পাঁচটি ইউনিটের মাধ্যমে ২২ মেগাওয়ার্ট বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হচ্ছে। প্রতিবছর বর্ষা মৌসুমে হ্রদের পানি বাড়লে সেতুটি ডুবে যায়। এই নিষেধাজ্ঞার কারণে দূর-দূরান্ত থেকে আসা পর্যটকরা কিছুটা হতাশ হয়ে ফিরে যাচ্ছেন।
স্থানীয় ও পর্যটন ব্যবসায়ীদের মতে, গত এক দশক ধরে নিয়মিতভাবে বর্ষায় সেতুটি তলিয়ে যাচ্ছে। হ্রদের তলদেশ ভরাট হয়ে পানি ধারণক্ষমতা কমে যাওয়ায় প্রতিবছরই পানির উচ্চতা অস্বাভাবিক হারে বাড়ছে। এমন পরিস্থিতিতে পর্যটন করপোরেশনের এই সেতুটির উচ্চতা বাড়ানোর দাবি দীর্ঘদিনের।
কাপ্তাই পানিবিদ্যুৎ কেন্দ্রের তথ্যমতে, বর্তমানে হ্রদে ১০৫.৫৪ এমএসএল পানি রয়েছে। এতে ৫টি ইউনিট থেকে ২২ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদিত হচ্ছে। প্রতিবছর বর্ষা মৌসুমে হ্রদের পানি বাড়লে সেতুটি তলিয়ে যায়। সেতুটি দেখতে আসা দূরদূরান্তের পর্যটকরা সাময়িক নিষেধাজ্ঞার কারণে কিছুটা হতাশ হয়ে ফিরছেন।
সম্পাদক ও প্রকাশক: মাহের আহমেদ, প্রধান সম্পাদক: মোঃ মোত্তালিব সরকার। প্রকাশক কর্তৃক ৫৫০বি, হজ্জ ক্যাম্প রোড, আশকোনা, দক্ষিণখান, ঢাকা-১২৩০, বাংলাদেশ থেকে প্রকাশিত। সম্পাদকীয়, বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় (ঢাকা) : ৫৫০বি, হজ্জ ক্যাম্প রোড, আশকোনা, দক্ষিণখান, ঢাকা-১২৩০, বাংলাদেশ। আঞ্চলিক কার্যালয় (বগুড়া): টোলারগেট, শেরপুর–৫৮৪০, শেরপুর, বগুড়া। অফিস: ০১৭৭৬-১৩৬০৫০ (হোয়াটসঅ্যাপ), বিজ্ঞাপন: ০৯৬৯৭-৫৪৪৮২৭। ই-মেইল: dailyjokhonsomoy@gmail.com।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের তথ্য মন্ত্রনালয়ের বিধি মোতাবেক নিবন্ধনের জন্য আবেদিত ©সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © দৈনিক যখন সময় ২০২২