
সাবেক আইন উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল বলেছেন, মুক্তিযুদ্ধ আমাদের জীবনের শ্রেষ্ঠতম অর্জন। আর স্বাধীন বাংলাদেশে জুলাই গণঅভ্যুত্থান সবচেয়ে গৌরবোজ্জ্বল বীরগাথা। এই দুই-এর মধ্যে কোনো বিরোধ নেই। শনিবার রাতে নিজের ফেসবুক পোস্টে তিনি এ কথা বলেন।
পোস্টে আসিফ নজরুল হুমায়ূন আহমেদের একটি লেখার উল্লেখ করেন। তিনি জানান, ১৯৭১ সালের ১৭ ডিসেম্বর হুমায়ূন আহমেদ ঢাকা শহরের সায়েন্স ল্যাবরেটরি মোড়ে এক বিহারি কিশোরীকে ধর্ষণ ও হত্যার নারকীয় দৃশ্য দেখেছিলেন। পরদিন ১৮ ডিসেম্বর ঢাকা স্টেডিয়ামে বেয়নেট দিয়ে খুঁচিয়ে কয়েকজন কথিত রাজাকারকে হত্যার ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী ছিলেন ইতালীয় সাংবাদিক ওরিয়ানা ফাল্লাচি। তিনি প্রশ্ন রাখেন, এসবের পরেও ১৯৭২-৭৫ সালে আওয়ামী লীগ ও মুক্তিযোদ্ধা নামধারী কিছু মানুষের অপকর্মের জন্য কি আমরা মুক্তিযুদ্ধ শেষ হয়ে গেছে বলেছিলাম? তিনি বলেন, ৮ আগস্ট একজন পতিত প্রধানমন্ত্রীর অন্তর্বাস প্রদর্শন খুবই অনাকাঙ্ক্ষিত ও গর্হিত কাজ। জুলাই যোদ্ধাদের নামেও পরবর্তী সময়ে অনেক জঘন্য কাজ হয়েছে, কিন্তু তার মানে এই নয় যে জুলাইয়ের চেতনা শেষ হয়ে গেছে।
তিনি আরও বলেন, কথায় কথায় জুলাইকে প্রশ্নবিদ্ধ করার মরিয়া প্রচেষ্টা এখন দেখা যাচ্ছে। মুক্তিযুদ্ধ আর জুলাইকে মুখোমুখি করার হীন চেষ্টা খুবই অন্যায়। তার ভাষায়, জুলাই গণঅভ্যুত্থান বরং মুক্তিযুদ্ধের প্রকৃত প্রত্যাশা পূরণের অসামান্য আত্মত্যাগী লড়াই। মুক্তিযুদ্ধ আসলে কী, তা বুঝতে পারলে জুলাইয়ের বিরোধিতা করা সম্ভব নয়।
ড. আসিফ নজরুল বলেন, যদি কেউ মনে করেন মুক্তিযুদ্ধ মানে শেখ পরিবার আর আওয়ামী লীগের স্বেচ্ছাচারিতার স্বাধীনতা, তবে তিনি মুক্তিযুদ্ধ ও জুলাই—উভয়েরই বিরোধী। আবার কেউ যদি মুক্তিযুদ্ধকে খাটো করার জন্য জুলাইকে ব্যবহার করেন, তবে তিনি ধান্ধাবাজ বা মূর্খ ছাড়া অন্য কিছু নন।
সম্পাদক ও প্রকাশক: মাহের আহমেদ, প্রধান সম্পাদক: মোঃ মোত্তালিব সরকার। প্রকাশক কর্তৃক ৫৫০বি, হজ্জ ক্যাম্প রোড, আশকোনা, দক্ষিণখান, ঢাকা-১২৩০, বাংলাদেশ থেকে প্রকাশিত। সম্পাদকীয়, বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় (ঢাকা) : ৫৫০বি, হজ্জ ক্যাম্প রোড, আশকোনা, দক্ষিণখান, ঢাকা-১২৩০, বাংলাদেশ। আঞ্চলিক কার্যালয় (বগুড়া): টোলারগেট, শেরপুর–৫৮৪০, শেরপুর, বগুড়া। অফিস: ০১৭৭৬-১৩৬০৫০ (হোয়াটসঅ্যাপ), বিজ্ঞাপন: ০৯৬৯৭-৫৪৪৮২৭। ই-মেইল: dailyjokhonsomoy@gmail.com।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের তথ্য মন্ত্রনালয়ের বিধি মোতাবেক নিবন্ধনের জন্য আবেদিত ©সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © দৈনিক যখন সময় ২০২২