
পদত্যাগের পর বঙ্গভবন ছেড়ে গুলশানের নিজ বাসায় উঠতে পারেন মো. সাহাবুদ্দিন। তার গুলশানের ওই বাসায় ইতোমধ্যে নতুন টেলিফোন লাইন বসানোর কাজ শুরু হয়েছে। শুক্রবার (২৪ জুলাই) বিকালে বাংলাদেশ টেলিকমিউনিকেশন্সের কোম্পানি লিমিটেডের (বিটিসিএল) দুজন কর্মচারী সেখানে নতুন সংযোগ দিতে আসেন।
গুলশানের ১২৩ নম্বর রোডের ‘গ্রিন ভিলা’ নামের ওই বাড়ির সামনে গিয়ে দেখা যায় চারপাশ বেশ শান্ত। তবে বাড়ির ভেতরে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কয়েকজন সদস্যকে দায়িত্ব পালন করতে দেখা গেছে।
বাসার নিরাপত্তা প্রহরী মো. মাছুম জানান, পদত্যাগের পর এই ভবনের পঞ্চম তলায় রাষ্ট্রপতির ওঠার কথা রয়েছে। তিনি বলেন, তিন-চারদিন আগে স্যার এই বাসায় এসেছিলেন। তখন তার সঙ্গে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যসহ প্রায় শতাধিক মানুষ এসেছিলেন। বেলা ১১টা ৪৫ মিনিটে এসে তিনি রাত পৌনে ৯টার দিকে চলে যান। ইতোমধ্যে বাসার প্রয়োজনীয় বিভিন্ন কাজ সম্পন্ন করা হয়েছে এবং সেখানে স্পেশাল ব্রাঞ্চের (এসবি) কয়েকজন সদস্য অবস্থান করছেন।
ছুটির দিনেও নতুন সংযোগ দিতে আসা বিটিসিএলের টিসিএম আব্দুর রাজ্জাক জানান, অফিসের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার নির্দেশে তারা সরকারিভাবে এখানে নতুন টেলিফোন লাইন স্থাপন করতে এসেছেন। আজ বন্ধের দিন হওয়া সত্ত্বেও তাদের বলা হয়েছে যে, রাষ্ট্রপতি পদত্যাগ করলে এই বাসাতেই উঠবেন। এর আগে তিনি রাষ্ট্রপতি হওয়ার পর পূর্বের লাইনটি কেটে দেওয়া হয়েছিল, তাই এখন আবার নতুন করে সংযোগ দেওয়া হচ্ছে।
উল্লেখ্য, শুক্রবার বিকেলে পদত্যাগের মাধ্যমে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন তার পদ ঘিরে তৈরি হওয়া সব জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটান।
সম্পাদক ও প্রকাশক: মাহের আহমেদ, প্রধান সম্পাদক: মোঃ মোত্তালিব সরকার। প্রকাশক কর্তৃক ৫৫০বি, হজ্জ ক্যাম্প রোড, আশকোনা, দক্ষিণখান, ঢাকা-১২৩০, বাংলাদেশ থেকে প্রকাশিত। সম্পাদকীয়, বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় (ঢাকা) : ৫৫০বি, হজ্জ ক্যাম্প রোড, আশকোনা, দক্ষিণখান, ঢাকা-১২৩০, বাংলাদেশ। আঞ্চলিক কার্যালয় (বগুড়া): টোলারগেট, শেরপুর–৫৮৪০, শেরপুর, বগুড়া। অফিস: ০১৭৭৬-১৩৬০৫০ (হোয়াটসঅ্যাপ), বিজ্ঞাপন: ০৯৬৯৭-৫৪৪৮২৭। ই-মেইল: dailyjokhonsomoy@gmail.com।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের তথ্য মন্ত্রনালয়ের বিধি মোতাবেক নিবন্ধনের জন্য আবেদিত ©সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © দৈনিক যখন সময় ২০২২