
টানা এক সপ্তাহের ভারি বর্ষণে চট্টগ্রামের সন্দ্বীপের ৮০ শতাংশ এলাকা প্লাবিত হয়েছে। সরকারি হিসাবে ৬০ হাজার মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার তথ্য থাকলেও, বাস্তবে পানিবন্দি অবস্থায় দিন কাটাচ্ছেন এক লাখেরও বেশি মানুষ। এই বিপুল সংখ্যক দুর্গত মানুষের জন্য সরকারিভাবে জরুরি ত্রাণ বাবদ বরাদ্দ এসেছে মাত্র দেড় লাখ টাকা, যা জনপ্রতি দেড় টাকারও কম। সরকারি বরাদ্দের এই চরম অপ্রতুলতা নিয়ে স্থানীয়দের মাঝে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
প্রশাসনের পক্ষ থেকে কিছু তৎপরতা চালানো হলেও তা প্রয়োজনের তুলনায় একেবারেই সামান্য। এখনো অনেক পানিবন্দি এলাকায় ত্রাণ সহায়তা পৌঁছায়নি। যারা ত্রাণ পেয়েছেন, তাদের দাবি তা প্রয়োজনের তুলনায় অপ্রতুল। সন্তোষপুর ইউনিয়নের বাসিন্দা আজমত আলী জানান, যে পরিমাণ ত্রাণ তিনি পেয়েছেন, তা দিয়ে পাঁচ সদস্যের পরিবারের বড়জোর এক বেলার খাবার হবে। অন্যান্য এলাকায় জলাবদ্ধতা কিছুটা কমতে শুরু করলেও মুছাপুর ৩ নম্বর ওয়ার্ডের অনেক ঘরবাড়িতে এখনো কোমর সমান পানি রয়েছে।
পানিবন্দি অবস্থায় অনাহার-অর্ধাহারে দিন কাটানো ৪৬ বছর বয়সী সাহারা খাতুন বলেন, এক সপ্তাহ ধরে চুলায় আগুন জ্বলেনি। তিনি অভিযোগ করেন, সরকার বা প্রশাসনের কেউ তাদের খোঁজখবর নিচ্ছে না।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আমজাদ হোসেন জানান, অন্যান্য উপজেলার তুলনায় সন্দ্বীপে অনেক কম বরাদ্দ পাওয়া গেছে। সরকারি বরাদ্দ মাত্র দেড় লাখ টাকা। তবে ত্রাণ কার্যক্রম থেমে নেই উল্লেখ করে তিনি বলেন, আপাতত ইউনিয়ন পরিষদের তহবিল থেকে স্থানীয়ভাবে ত্রাণ বিতরণ চলমান রয়েছে, যা পরবর্তীতে সরকারি খরচের সাথে সমন্বয় করা হবে।
সম্পাদক ও প্রকাশক: মাহের আহমেদ, প্রধান সম্পাদক: মোঃ মোত্তালিব সরকার। প্রকাশক কর্তৃক ৫৫০বি, হজ্জ ক্যাম্প রোড, আশকোনা, দক্ষিণখান, ঢাকা-১২৩০, বাংলাদেশ থেকে প্রকাশিত। সম্পাদকীয়, বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় (ঢাকা) : ৫৫০বি, হজ্জ ক্যাম্প রোড, আশকোনা, দক্ষিণখান, ঢাকা-১২৩০, বাংলাদেশ। আঞ্চলিক কার্যালয় (বগুড়া): টোলারগেট, শেরপুর–৫৮৪০, শেরপুর, বগুড়া। অফিস: ০১৭৭৬-১৩৬০৫০ (হোয়াটসঅ্যাপ), বিজ্ঞাপন: ০৯৬৯৭-৫৪৪৮২৭। ই-মেইল: dailyjokhonsomoy@gmail.com।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের তথ্য মন্ত্রনালয়ের বিধি মোতাবেক নিবন্ধনের জন্য আবেদিত ©সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © দৈনিক যখন সময় ২০২২