
সিরাজগঞ্জের হাটিকুমরুল-রাজশাহী মহাসড়ক সংলগ্ন অবৈধ মৎস্য আড়ত উচ্ছেদের ক্ষেত্রে জেলা ও উপজেলা প্রশাসনের বিরুদ্ধে গড়িমসির অভিযোগ উঠেছে। রায়গঞ্জ উপজেলার সলঙ্গা থানার পাঁচটি গ্রামের শতাধিক ভুক্তভোগী এলাকাবাসী এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী বরাবর একটি লিখিত অভিযোগ দাখিল করেছেন। একই সাথে স্থানীয় সরকার মন্ত্রী ও ভূমিমন্ত্রীর কাছেও রেজিস্ট্রি ডাকযোগে পৃথক দুটি অভিযোগ পাঠানো হয়েছে।
অভিযোগসূত্রে জানা যায়, ২০২৩ সালে আওয়ামী লীগ নেতা আব্দুল হাই এবং সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান রাসেল গং এই মৎস্য আড়তটি প্রতিষ্ঠা করেন। এলাকাবাসীর দাবি, এই আড়তকে কেন্দ্র করে তারা লুটপাটের রাজত্ব কায়েম করেছেন। আড়তটি সরকারি পেরিফেরিভুক্ত না হওয়ায় সরকার এখান থেকে কোনো রাজস্ব পাচ্ছে না, অথচ প্রতিদিন প্রায় ২ কোটি টাকার লেনদেন হচ্ছে। অভিযোগ রয়েছে যে, আড়তদার ও যানবাহন থেকে সিন্ডিকেটটি নিয়মিত মোটা অঙ্কের চাঁদা আদায় করছে।
জনবহুল এলাকায় আড়তটি অবস্থিত হওয়ায় স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীসহ সাধারণ মানুষের যাতায়াতে চরম ভোগান্তি সৃষ্টি হয়েছে। এছাড়া ঐতিহ্যবাহী সলঙ্গা হাট বিলীন হওয়ার পথে। সলঙ্গা হাটের ইজারাদার জেলা প্রশাসকের কাছে পৃথক অভিযোগে জানিয়েছেন যে, ১ কোটি ২৭ লাখ টাকায় ইজারা নিয়ে তিনি এই অবৈধ আড়তের কারণে আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন। সিন্ডিকেটটির বিরুদ্ধে আদালতে চাঁদাবাজির মামলাও দায়ের করা হয়েছে।
স্থানীয় বাসিন্দা ইসমাইল হোসেন ও আক্তারুজ্জামান জানান, প্রায় তিন বছর ধরে সরকারি পেরিফেরি ছাড়া মহাসড়কের পাশে এই অবৈধ আড়ত পরিচালিত হচ্ছে। একাধিকবার অভিযোগ দেওয়া সত্ত্বেও প্রশাসন কোনো ব্যবস্থা নিচ্ছে না। এ বিষয়ে জেলা প্রশাসনের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানান, পেরিফেরির জন্য নকশা তৈরি করা হলেও হাইকোর্টে মামলা থাকায় কার্যক্রম চালানো যাচ্ছে না। ওই আড়তের অধিকাংশ জমি ব্যক্তিগত মালিকানাধীন হলেও মালিকরা ৩০ শতাংশ জমি পেরিফেরির জন্য সরকারকে লিখে দিয়েছেন। তবে পাশেই আরেকটি পেরিফেরিভুক্ত আড়তের পক্ষ থেকে রিট করা হয়েছে। প্রশাসন রিট খারিজের জন্য একজন আইনজীবীকে দায়িত্ব দিয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
রায়গঞ্জ উপজেলার সলংগা থানার ৫ গ্রামের শতাধিক ব্যক্তির স্বাক্ষরিত এ লিখিত অভিযোগ করা হয়।
অভিযোগকারী ইসমাইল হোসেন, আক্তারুজ্জামান গং বলেন, সলঙ্গার হাজারও মানুষের দুর্ভোগ সৃষ্টি করে ঢাকা-রাজশাহী মহাসড়ক ও সলঙ্গা আঞ্চলিক সড়কের পাশে ৩ বছর ধরে সরকারি পেরিফেরি ছাড়া অবৈধভাবে কুতুবের চর মৎস্য আড়ত পরিচালিত হচ্ছে।
সম্পাদক ও প্রকাশক: মাহের আহমেদ, প্রধান সম্পাদক: মোঃ মোত্তালিব সরকার। প্রকাশক কর্তৃক ৫৫০বি, হজ্জ ক্যাম্প রোড, আশকোনা, দক্ষিণখান, ঢাকা-১২৩০, বাংলাদেশ থেকে প্রকাশিত। সম্পাদকীয়, বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় (ঢাকা) : ৫৫০বি, হজ্জ ক্যাম্প রোড, আশকোনা, দক্ষিণখান, ঢাকা-১২৩০, বাংলাদেশ। আঞ্চলিক কার্যালয় (বগুড়া): টোলারগেট, শেরপুর–৫৮৪০, শেরপুর, বগুড়া। অফিস: ০১৭৭৬-১৩৬০৫০ (হোয়াটসঅ্যাপ), বিজ্ঞাপন: ০৯৬৯৭-৫৪৪৮২৭। ই-মেইল: dailyjokhonsomoy@gmail.com।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের তথ্য মন্ত্রনালয়ের বিধি মোতাবেক নিবন্ধনের জন্য আবেদিত ©সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © দৈনিক যখন সময় ২০২২