হীমেল কুমার মিত্র: দেশের সর্ব উত্তরের জেলা পঞ্চগড়ে মৃদু শৈত্যপ্রবাহের পর এবার শুরু হয়েছে মাঝারি শৈত্যপ্রবাহ। উত্তরের হিমেল বাতাস আর ঘন কুয়াশায় বিপর্যস্ত জনজীবন। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে সূর্য উঁকি দিলেও রোদের উত্তাপ ছড়াতে না পারায় অনুভূত হচ্ছে তীব্র শীত।
আজ (২০ জানুয়ারি) শুক্রবার সকাল ৬টায় তেঁতুলিয়ায় তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৬ দশমিক ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
কনকনে বাতাসের সঙ্গে গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টির মতো ঝরে পড়া ঘন কুয়াশা শীতকে আরও বাড়িয়ে তুলছে। এতে দুর্ভোগে পড়েছে জেলার নিম্নআয়ের ও শ্রমজীবী মানুষ। রাস্তার পাশে খড়কুটো জ্বালিয়ে অনেকেই শীত নিবারণের চেষ্টা করছেন। এদিকে ভোর থেকে ঘন কুয়াশার কারণে পঞ্চগড়ের বিভিন্ন সড়কে ভারী যানবাহনগুলোকে হেডলাইট জ্বালিয়ে চলাচল করতে দেখা গেছে।
গৃহশ্রমিক আলিয়া আয়শা নামে এক মহিলা বলেন, শীতে পানি দিয়ে কাজ করতে অনেক কষ্ট হয়। পানির কাজ করলে মনে হয় বরফ ধরছি। এমন অবস্থায় কাজ করতে প্রচুর কষ্ট হয় আমাদের।
নির্মাণশ্রমিক ফাতেমা ও আব্দুল রউফ বলেন, শীতের দিনে কাজে আসতে চান না শ্রমিকরা। শৈত্যপ্রবাহের কারণে হাত ঠান্ডায় অবশ হয়ে থাকে। ইট ও যন্ত্রপাতি ঠিকমতো হাত দিয়ে ধরা যায় না।
চয়ন কুমার নামে এক রিকশাচালক বলেন, ঠান্ডায় মানুষ বাড়ি থেকে কম বের হয়। এতে যাত্রী পাওয়া যায় না। আর আয় না করতে পারলে আমরা খাব কী? এমন শীতে গাড়ি চালানো কষ্টসাধ্য। হাত অবশ হয়ে আসলে রিকশার চাকাও ঘোরানো যায় না
তেঁতুলিয়া আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রের কর্মকর্তা রোকনুরজ্জামান জানান, গত কয়েকদিন থেকে তেঁতুলিয়ায় তাপমাত্রা ওঠানামা করছে।
সম্পাদক ও প্রকাশক: মাহের আহমেদ, প্রধান সম্পাদক: মোঃ মোত্তালিব সরকার। প্রকাশক কর্তৃক হোসেন মঞ্জিল, ৬/১, ধলপুর, যাত্রাবাড়ী, ঢাকা-১২০৪, বাংলাদেশ থেকে প্রকাশিত। সম্পাদকীয়, বার্তা ও বাণিজ্যিক বিভাগ : হোসেন মঞ্জিল, ৬/১, ধলপুর, যাত্রাবাড়ী, ঢাকা-১২০৪, বাংলাদেশ। সাব-হেড অফিস: টোলারগেট, শেরপুর–৫৮৪০, শেরপুর, বগুড়া। অফিস: ০১৭৭৬-১৩৬০৫০ (হোয়াটসঅ্যাপ), বিজ্ঞাপন: ০৯৬৯৭-৫৪৪৮২৭। ই-মেইল: dailyjokhonsomoy@gmail.com।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের তথ্য মন্ত্রনালয়ের বিধি মোতাবেক নিবন্ধনের জন্য আবেদিত ©সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © দৈনিক যখন সময় ২০২২