স্টাফ রিপোর্টার রংপুর:
শতবছর আগে ব্রিটিশ আমলে রাজারহাট রেলওয়ে স্টেশনটি স্থাপিত হয় এবং স্বাধীনতার পর স্টেশনটি আনুমানিক তিনশ গজ পশ্চিমে স্থানান্তর ও পূণঃনির্মিত হয়। এরপর থেকে উল্লেখযোগ্য সংস্কার হয়নি রেল স্টেশনটির। বর্তমানে স্টেশন ভবনের বিভিন্ন অংশে ফাটল দেখা দিয়েছে। যাত্রী বিশ্রামাগার থাকলেও মেঝেতে পানি জমে থাকায় তাও ব্যবহারের অনুপযোগী। দেশ স্বাধীনের পর পুনঃনির্মিত ভবনের সাথে কোন রকমভাবে স্থাপন করা প্লাটফর্মটির স্থানে পুনরায় পাকা প্লাটফর্ম স্থাপন করার কথা থাকলেও অদ্যাবধি তা হয়নি। সঙ্গত কারণে প্লাটফর্মটি অনেক নিচু হয়ে যাওয়ায় যাত্রীদের ঝুঁকি নিয়ে ট্রেনে উঠা নামা করতে হয়। বিশেষ করে মহিলা ও বয়জেষ্ঠ যাত্রীরা ট্রেনে উঠা নামায় সামান্য অসতর্ক হলেই যে কোন সময় ঘটতে পারে অনাকাঙ্ক্ষিত দুর্ঘটনা।
অনেকাংশে ব্যবহার অনুপযোগী হয়েছে কুড়িগ্রামের রাজারহাট রেলওয়ে স্টেশন। মূল ভবনের দেয়ালের বিভিন্ন অংশে ফাটলসহ খুলে পড়ছে পলেস্তারা। বর্ষায় সামান্য বৃষ্টিতেই ছাদ চুইয়ে পানিতে ভিজে যায় স্টেশনের ভেতরসহ বসার সিট। শীতেও বিড়ম্বনার শেষ নেই। ভবনের চারপার্শ্বে বিরাজমান অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ। মাটির সাথে নিশ্চিহ্ন হয়ে ব্যবহার অনুপযোগী হয়ে পরেছে প্লাটফর্মটি। সামান্য বৃষ্টির পানিতে তলিয়ে যাওয়া ও কাদাপানি জমায় চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে যাত্রীদের।
এদিকে সামান্য বৃষ্টি হলেই রেল স্টেশন প্লাটফর্মটি পানিতে নিমজ্জিত হয়। বর্তমানেও বৃষ্টিতে স্টেশনের প্লাটফর্মের দুই ধারে পানি জমে জলমগ্ন হয়ে রয়েছে। ফলে যাত্রীদের ট্রেনে উঠতে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। অনেকেই রেলওয়ে স্টেশন ভবনটি ঝুঁকিপূর্ণ হওয়ায় অনাকাঙ্ক্ষিত দুর্ঘটনারও আশঙ্কা প্রকাশ করেন।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, বর্তমানে এই লাইনে কুড়িগ্রাম এক্সপ্রেস সহ দিনে ২টি কানেকটিং শাটল ট্রেন ও দুটি কমিউটার সহ মোট ৮টি ট্রেন চলাচল করে।
স্থানীয় বাসিন্দা খোরশেদ আলম বলেন, ৭১ সালে এখানে স্টেশন চালু হয়েছে তবুও এটার গুরুত্ব নাই। নতুন ভবন করার পাশাপাশি এইটার মেরামত দরকার।
ট্রেনের যাত্রী সুজন মোহন্ত বলেন, এই স্টেশনটি অনেকদিন আগে হয়েছিল। এখন এমন রিস্ক হয়ে গেছে, কখন কি হবে তার ঠিক নাই। আর স্টেশন প্লাটফর্ম একবারে ডাউন। বর্ষাকাল আসলেই এমন হয়ে যায় সেটা চলা-চল করার মত নয়।
ট্রেনের যাত্রী শরিফা খাতুন বলেন, মায়ের বয়স অনেক হইছে এখন খুব বেশি উচা জায়গা উঠপার পাই না। কায়ো না ধরলে পড়ি যামো।
রাজারহাট রেলওয়ে স্টেশনের ভারপ্রাপ্ত স্টেশন মাস্টার ও বুকিং সহকারি জাকির হোসেন জানান, স্টেশন সম্পর্কে আমরা এর আগে অফিসারকে জানিয়েছি। তারা অনেক সময় বলেছিল জরুরী নতুন ভবন হবে। কিন্তু আজ অব্দি কিছু হয়নি।
সম্পাদক ও প্রকাশক: মাহের আহমেদ, প্রধান সম্পাদক: মোঃ মোত্তালিব সরকার। প্রকাশক কর্তৃক হোসেন মঞ্জিল, ৬/১, ধলপুর, যাত্রাবাড়ী, ঢাকা-১২০৪, বাংলাদেশ থেকে প্রকাশিত। সম্পাদকীয়, বার্তা ও বাণিজ্যিক বিভাগ : হোসেন মঞ্জিল, ৬/১, ধলপুর, যাত্রাবাড়ী, ঢাকা-১২০৪, বাংলাদেশ। সাব-হেড অফিস: টোলারগেট, শেরপুর–৫৮৪০, শেরপুর, বগুড়া। অফিস: ০১৭৭৬-১৩৬০৫০ (হোয়াটসঅ্যাপ), বিজ্ঞাপন: ০৯৬৯৭-৫৪৪৮২৭। ই-মেইল: dailyjokhonsomoy@gmail.com।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের তথ্য মন্ত্রনালয়ের বিধি মোতাবেক নিবন্ধনের জন্য আবেদিত ©সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © দৈনিক যখন সময় ২০২২