আরিফুর রহমান তীব্র,প্রতিনিধি দৈনিক যখন সময়।
চন্দ্রগঞ্জ বাজারে লাট ভাই হিসেবে পরিচিত কাজী মামুনুর রশিদ বাবলু, তথাকথিত ৪০ উর্ধে এই ছাত্রলীগ নেতা ছিলেন।
জানা যায়, আঙ্গুল ফুলে কলাগাছ বনে যায় এই ছাত্রলীগ নেতা। শিক্ষা জীবনে হাই স্কুলের গন্ডি না পেরোতে পারলেও
নিজেকে ছাত্রলীগ নেতা দাবী করতেন। ডাকাতি, চাঁদাবাজি, সুদের ব্যবসা করে হাতিয়ে নিয়েছেন কোটি কোটি টাকা।
দেওপাড়া গ্রামের বাবা ভিলা নামে একটি বাড়ি নিজের ডাকাত দল দিয়ে জোর পূর্বক নিজের নামে করে নেয়।
এছাড়াও নিজের বাড়ির সামনে গড়ে তুলেছে একটি বহুতল ভবন। চন্দ্রগঞ্জ বাজারের অনেক প্রতিষ্ঠিত ব্যবসায়ী তার সুদের
কবলে পড়ে আজ নিঃশ্ব। চন্দ্রগঞ্জ নিউ মার্কেটে তার অফিসের নামে ছিলো একটি টর্চার সেল। যেখানে তার অবাধ্য নেতা-কর্মী
বা চাঁদা আদায়ের বিভিন্ন মধ্যযুগীয় কায়দায় নির্যাতন করা হতো বলে জানা যায়। এছাড়াও চন্দ্রগঞ্জ নিউমার্কেটে তার অসংখ্য দোকান ছিলো, নিউমার্কেটের পরিচালনা পরিচালনা কমিটির থেকে এক প্রকার জিম্মি করে নিজের নামে করে নেয়।
তার নিউ মার্কেটের ৫তলায় ছিলো একটি ফ্ল্যাট, যেখানে প্রতিনিয়ত চলতো নারী নিয়ে রঙ্গমঞ্চ। বাজারের প্রায় দেড় কোটি টাকার ইজারা সাবেক এই ছাত্রলীগ নেতার নামে ছিলো।
তার রাজনীতির আড়ালে মূলত চাঁদাবাজি, ইয়াবা ব্যবসা এবং বিভিন্ন বাহিনী নিয়ন্ত্রণ করে আদায় করছে কোটি কোটি টাকা। বর্তমানে চন্দ্রগঞ্জ পশ্চিম বাজারে ওয়াপদা খালের উপরে
একজন আওয়ামী প্রবীণ রাজনীতিবিদের দখলকৃত জায়গায় জোর দখল করে নিয়ে গড়ে তুলেছে নিজের বংশের টাইটেল দিয়ে দরজা দোকানের আড়ালে আরেক টর্চারসেল।
স্থানীয় প্রতাপগঞ্জ স্কুলের গত ২০০০ সাল থেকে ২০০৫ সাল পর্যন্ত এসএসসি পাশের নথি পর্যালোচনা করে দেখা গেছে, এই নামের কোন ছাত্র পাশ করে নাই। তাহলে কিসের ভিত্তিতে কফিল উদ্দিন কলেজের
ছাত্রত্ব দাবী করে গত ১৪ বছর ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করছে এই সুবিধাভোগী ছাত্রলীগ নেতা। তার বড় ভাই একজন প্রাইমারী স্কুলের প্রধান শিক্ষক হলেও স্থানীয় প্রতাপগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয় ও কফিল উদ্দিন বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ চলতো তার ইশারায়, এবং এই দুই প্রতিষ্ঠানের
কমিটির সদস্যও বটে ছিলেন?? জানাযায়, কুমিল্লাতে র্যাবের হাতে অস্ত্র সহ গ্রেপ্তার হয় এই তথাকথিত ছাত্রলীগ নেতা। এছাড়াও কুশাখালির একটি ডাকাতির প্রস্তুতি মামলায় তাকে হাজত বাস করতে হয় দীর্ঘ দিন।
স্থানীয় প্রশাসন এবং আইন শৃঙ্খলা বাহিনী বিষয়টি নজরে নিলে বের হয়ে আসবে এই ছাত্রলীগ নেতার আরো অপকর্মের বিশাল ভান্ডার।
সম্পাদক ও প্রকাশক: মাহের আহমেদ, প্রধান সম্পাদক: মোঃ মোত্তালিব সরকার। প্রকাশক কর্তৃক হোসেন মঞ্জিল, ৬/১, ধলপুর, যাত্রাবাড়ী, ঢাকা-১২০৪, বাংলাদেশ থেকে প্রকাশিত। সম্পাদকীয়, বার্তা ও বাণিজ্যিক বিভাগ : হোসেন মঞ্জিল, ৬/১, ধলপুর, যাত্রাবাড়ী, ঢাকা-১২০৪, বাংলাদেশ। সাব-হেড অফিস: টোলারগেট, শেরপুর–৫৮৪০, শেরপুর, বগুড়া। অফিস: ০১৭৭৬-১৩৬০৫০ (হোয়াটসঅ্যাপ), বিজ্ঞাপন: ০৯৬৯৭-৫৪৪৮২৭। ই-মেইল: dailyjokhonsomoy@gmail.com।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের তথ্য মন্ত্রনালয়ের বিধি মোতাবেক নিবন্ধনের জন্য আবেদিত ©সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © দৈনিক যখন সময় ২০২২