আরিফুর রহমান তীব্র । ডবল মুরিং থানা চট্টগ্রাম প্রতিনিধি।
সরকারি আয়োজনে মানিক মিয়া এভিনিউতে 'ড্রোন শো' হয়েছে। জুলাইয়ের গণঅভ্যুত্থানকে স্মরণ করা হচ্ছে। কিন্তু শুধু শহিদ আবু সাঈদ এবং মীর মুগ্ধকে স্মরণ করা হচ্ছে। দুঃখজনকভাবে আবু সাঈদের সাথে একইসময়ে শহিদ হওয়া চট্টগ্রামের ছাত্রদল নেতা ওয়াসিম আকরামকে স্মরণ করা হয়নি।
কিছুদিন আগে গণ-অভ্যুত্থানের পরিপ্রেক্ষিতে গড়ে ওঠা রাজনৈতিক দল জাতীয় নাগরিক পার্টি তাদের আত্মপ্রকাশের কর্মসূচিতে শহিদ ওয়াসিম আকরামের নাম বলেনি। তারা গণ-অভ্যুত্থানের শহিদ এবং অংশগ্রহণকারী সবাইকে ধারণ করার কথা বললেও সচেতনভাবে শহিদ ওয়াসিম আকরামকে উপেক্ষা করেছে। একটি রাজনৈতিক সংগঠন হিসেবে তারা এরকম করতেই পারে। কিন্তু এর আগে পাঠ্যপুস্তক থেকে শহিদ ওয়াসিম আকরামের নাম বাদ দিয়েছিল সরকার। সরকার উদ্দেশ্যমূলকভাবে শহিদ ওয়াসিম আকরামের আত্মত্যাগ এড়িয়ে যেতে চায়।
শহিদ ওয়াসিম আকরাম সরকারি চাকুরিপ্রার্থী ছিলেন না। কোটা সংস্কার নয়, বরং ফ্যাসিবাদের পতন ঘটাতেই আন্দোলনে যোগ দিয়েছিলেন শহিদ ওয়াসিম আকরাম। শহিদ ওয়াসিম আকরাম একজন রাজনৈতিক কর্মী এবং ছাত্রদল নেতা। গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের সংগ্রামে তার অংশগ্রহণের ইতিহাস সুদীর্ঘ।
অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক নেতৃত্বকে ভয় পাচ্ছে। তাদের একটা অংশের বিরাজনীতিকরণের চক্রান্তের সামনে পথের কাঁটা কেবল শহিদ ওয়াসিম আকরামের মতো ছাত্রনেতারা। তাই তারা ইচ্ছেকৃতভাবে শহিদ ওয়াসিম আকরামকে উপেক্ষা করে। আমরা কেউ এতে বিচলিত নই। শহিদ ওয়াসিম আকরাম নিজের রক্ত দিয়ে গণ-অভ্যুত্থানের ইতিহাস লিখে গেছেন। যতদিন দেশের মানুষের মনে গণতান্ত্রিক চেতনা সমুন্নত থাকবে, শহিদ ওয়াসিম আকরাম ততদিন অমর হয়ে থাকবেন।
বাংলাদেশ জিন্দাবাদ।
সম্পাদক ও প্রকাশক: মাহের আহমেদ, প্রধান সম্পাদক: মোঃ মোত্তালিব সরকার। প্রকাশক কর্তৃক ৫৫০বি, হজ্জ ক্যাম্প রোড, আশকোনা, দক্ষিণখান, ঢাকা-১২৩০, বাংলাদেশ থেকে প্রকাশিত। সম্পাদকীয়, বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় (ঢাকা) : ৫৫০বি, হজ্জ ক্যাম্প রোড, আশকোনা, দক্ষিণখান, ঢাকা-১২৩০, বাংলাদেশ। আঞ্চলিক কার্যালয় (বগুড়া): টোলারগেট, শেরপুর–৫৮৪০, শেরপুর, বগুড়া। অফিস: ০১৭৭৬-১৩৬০৫০ (হোয়াটসঅ্যাপ), বিজ্ঞাপন: ০৯৬৯৭-৫৪৪৮২৭। ই-মেইল: dailyjokhonsomoy@gmail.com।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের তথ্য মন্ত্রনালয়ের বিধি মোতাবেক নিবন্ধনের জন্য আবেদিত ©সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © দৈনিক যখন সময় ২০২২