
একের পর এক সিভি জমা দেওয়ার পরও ইন্টারভিউয়ের ডাক না পাওয়ার পেছনে থাকতে পারে আপনার জীবনবৃত্তান্তের ছোটখাটো কিছু ভুল। গ্রামীণফোনের চিফ হিউম্যান রিসোর্সেস অফিসার (সিএইচআরও) সৈয়দা তাহিয়া হোসেন জানিয়েছেন, অনেক সময় যোগ্যতা থাকা সত্ত্বেও সিভির ভুল বা দুর্বলতার কারণে নিয়োগকর্তা বা এইচআর প্রতিনিধিরা প্রার্থীকে শুরুতেই বাদ দিয়ে দেন। একজন চাকরিপ্রার্থীর জন্য সিভি হলো তার প্রথম পরিচয়পত্র, যা সাক্ষাতের আগেই নিয়োগকর্তার মনে প্রার্থীর পেশাদারত্ব সম্পর্কে ধারণা তৈরি করে।
সিভিতে বানান ভুল বা ব্যাকরণের দুর্বলতা থাকা সবচেয়ে মারাত্মক ভুলগুলোর মধ্যে অন্যতম। এটি প্রার্থীর দায়িত্বহীনতা ও অমনোযোগিতার বহিঃপ্রকাশ। এ জন্য সিভিটি অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে একাধিকবার রিভিশন দেওয়া জরুরি। পাশাপাশি, অনেকে মনে করেন সিভির দৈর্ঘ্য যত বেশি হবে, নিয়োগকর্তা তত বেশি প্রভাবিত হবেন; এটি একটি ভুল ধারণা। এইচআর কর্মকর্তাদের হাতে প্রতিটি সিভি দেখার জন্য খুব সীমিত সময় থাকে। চার-পাঁচ পৃষ্ঠার দীর্ঘ সিভিতে অপ্রাসঙ্গিক তথ্য থাকলে যাচাইকারী বিরক্ত হতে পারেন। তাই সিভি সংক্ষিপ্ত, স্পষ্ট ও তথ্যবহুল হওয়া উচিত।
সব ধরনের পদের জন্য একটি সর্বজনীন সিভি ব্যবহার করা আরেকটি বড় ভুল। প্রতিটি পদের দায়িত্ব ও চাহিদার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে সিভি কাস্টমাইজ করতে হবে। অতীতে করা কাজের সঙ্গে বর্তমান পদের সংগতি না থাকলে বা সেই অভিজ্ঞতা কীভাবে নতুন পদে কাজে লাগবে তা স্পষ্টভাবে না থাকলে সিভিটি বাদ পড়ার ঝুঁকি থাকে। এছাড়া কেবল ‘আমি এই কাজ করেছি’ না লিখে, ওই কাজের মাধ্যমে আপনি কী অর্জন করেছেন বা প্রতিষ্ঠানে কী মান যুক্ত করেছেন, তা সংখ্যা বা তথ্যের মাধ্যমে তুলে ধরা উচিত। প্রজেক্টে নেতৃত্ব দিয়ে বা দল পরিচালনা করে কী ফলাফল এসেছে, তা উল্লেখ না করা প্রার্থীর একটি বড় দুর্বলতা।
সিভির ডিজাইনের ক্ষেত্রেও সতর্কতা প্রয়োজন। এলোমেলো ডিজাইন, অতিরিক্ত ফন্ট ব্যবহার বা ভিজ্যুয়াল ভারসাম্যহীনতা সিভির মান কমিয়ে দেয়। আবার ভুল ই-মেইল আইডি বা যোগাযোগের নম্বর দেওয়া কিংবা অপেশাদার ই-মেইল ঠিকানা ব্যবহার প্রার্থীর গ্রহণযোগ্যতা নষ্ট করে। সবশেষে, সংক্ষিপ্ত, নিখুঁত, প্রাঞ্জল ও তথ্যভিত্তিক সিভিই নিয়োগকর্তাদের মনোযোগ কাড়তে সক্ষম হয়।
সম্পাদক ও প্রকাশক: মাহের আহমেদ, প্রধান সম্পাদক: মোঃ মোত্তালিব সরকার। প্রকাশক কর্তৃক ৫৫০বি, হজ্জ ক্যাম্প রোড, আশকোনা, দক্ষিণখান, ঢাকা-১২৩০, বাংলাদেশ থেকে প্রকাশিত। সম্পাদকীয়, বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় (ঢাকা) : ৫৫০বি, হজ্জ ক্যাম্প রোড, আশকোনা, দক্ষিণখান, ঢাকা-১২৩০, বাংলাদেশ। আঞ্চলিক কার্যালয় (বগুড়া): টোলারগেট, শেরপুর–৫৮৪০, শেরপুর, বগুড়া। অফিস: ০১৭৭৬-১৩৬০৫০ (হোয়াটসঅ্যাপ), বিজ্ঞাপন: ০৯৬৯৭-৫৪৪৮২৭। ই-মেইল: dailyjokhonsomoy@gmail.com।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের তথ্য মন্ত্রনালয়ের বিধি মোতাবেক নিবন্ধনের জন্য আবেদিত ©সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © দৈনিক যখন সময় ২০২২