
ভেনেজুয়েলার অন্তর্বর্তী প্রেসিডেন্ট ডেলসি রদ্রিগেজ স্বীকার করেছেন যে, দেশটির ‘বিদ্বেষ-বিরোধী আইন’ অপব্যবহার করা হয়েছে। দীর্ঘ সময় ধরে সরকারবিরোধী সমালোচকদের গ্রেপ্তারের পেছনে যুক্তি হিসেবে এই আইনটি ব্যবহার করা হয়ে আসছিল। গত এক দশকে বহু রাজনৈতিক নেতা, সাংবাদিক, অধিকারকর্মী, বিক্ষোভকারী এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের প্রভাবশালী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে এই আইনে ‘বিদ্বেষ উসকে দেওয়ার’ অভিযোগ আনা হয়েছে। এই আইনে অপরাধের জন্য ১০ থেকে ২০ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ডের বিধান রয়েছে।
চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে দেশটির শাসনভার সামলাচ্ছেন রদ্রিগেজ। যুক্তরাষ্ট্রের চাপে তিনি একটি সাধারণ ক্ষমা কার্যক্রম শুরু করেন, যার আওতায় এই আইনের আওতায় দণ্ডিত অনেক রাজনৈতিক বন্দিকে মুক্তি দেওয়া হয়েছে। তবে বেসরকারি সংস্থা ফোরো পেনাল জানিয়েছে, এখনো ৩২৪ জন রাজনৈতিক বন্দি কারাগারে আটক রয়েছেন।
রদ্রিগেজ নিজেই ২০১৭ সালে গণপরিষদের সভাপতি থাকাকালীন এই আইন পাসের বিষয়টি তদারকি করেছিলেন। তবে মঙ্গলবার পশ্চিমাঞ্চলীয় পর্তুগেসা রাজ্যে কফি উৎপাদনকারীদের সঙ্গে এক বৈঠকে তিনি স্বীকার করেন, আইনটি যথাযথভাবে প্রয়োগ করা হয়নি এবং এর অপব্যবহার হয়েছে।
তিনি জানান, তিনি এখনো আইনের মূল নীতিগুলোতে বিশ্বাসী, যার লক্ষ্য হলো ভালোবাসা ও সহনশীলতার মাধ্যমে বিদ্বেষমুক্ত একটি সমাজ তৈরি করা। এর আগে রাজনৈতিক সংলাপের অংশ হিসেবে রদ্রিগেজ জাতীয় পরিষদকে এই আইন সংস্কারের আহ্বান জানিয়েছিলেন। প্রেসিডেন্ট জাতীয় পরিষদে পাঠানো এক চিঠিতে উল্লেখ করেন, সংস্কারের উদ্দেশ্য হলো এই আইনের আওতাভুক্ত আচরণগুলোকে ‘অপরাধ হিসেবে গণ্য না করার দিকে এগিয়ে যাওয়া’।
সম্পাদক ও প্রকাশক: মাহের আহমেদ, প্রধান সম্পাদক: মোঃ মোত্তালিব সরকার। প্রকাশক কর্তৃক ৫৫০বি, হজ্জ ক্যাম্প রোড, আশকোনা, দক্ষিণখান, ঢাকা-১২৩০, বাংলাদেশ থেকে প্রকাশিত। সম্পাদকীয়, বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় (ঢাকা) : ৫৫০বি, হজ্জ ক্যাম্প রোড, আশকোনা, দক্ষিণখান, ঢাকা-১২৩০, বাংলাদেশ। আঞ্চলিক কার্যালয় (বগুড়া): টোলারগেট, শেরপুর–৫৮৪০, শেরপুর, বগুড়া। অফিস: ০১৭৭৬-১৩৬০৫০ (হোয়াটসঅ্যাপ), বিজ্ঞাপন: ০৯৬৯৭-৫৪৪৮২৭। ই-মেইল: dailyjokhonsomoy@gmail.com।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের তথ্য মন্ত্রনালয়ের বিধি মোতাবেক নিবন্ধনের জন্য আবেদিত ©সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © দৈনিক যখন সময় ২০২২