
নেপাল ও তিব্বত সীমান্তবর্তী অঞ্চলে আকস্মিক বন্যার পঞ্চম দিনেও উদ্ধার অভিযান জোরেশোরে চলছে। স্থানীয় কর্তৃপক্ষের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, এই দুর্যোগে নেপালে ৬৭৫ জন এবং তিব্বতে ৭ জনসহ মোট ৬৮২ জনের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া গেছে।
নেপালের দুর্যোগ মোকাবিলা সংস্থার দেওয়া তথ্যমতে, বন্যায় এখন পর্যন্ত ৭ হাজার ৫০০ জনেরও বেশি মানুষকে নিরাপদে সরিয়ে আনা সম্ভব হয়েছে। তবে এখনো প্রায় ২ হাজার ৫০০ জন মানুষ নিখোঁজ রয়েছেন এবং ২১৯ জন আহত অবস্থায় চিকিৎসাধীন আছেন। নেপালের পর্যটন বোর্ডের তথ্য অনুযায়ী, উদ্ধার হওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে ২৫০ জন বিদেশি নাগরিক রয়েছেন, তবে আরও ৩২০ জন বিদেশি নাগরিকের কোনো খোঁজ পাওয়া যায়নি।
ত্রিশূলী-৩ ‘এ’ জলবিদ্যুৎ প্রকল্প এলাকায় উদ্ধারকারীরা বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে তল্লাশি চালাচ্ছেন। কাদামাটির নিচে চাপা পড়া টানেলগুলোতে জীবিতদের সন্ধানে উদ্ধারকর্মীরা দিনরাত কাজ করে যাচ্ছেন। এদিকে, নুয়াকোট জেলায় নিখোঁজ স্বজনদের অপেক্ষায় উদ্বিগ্ন মানুষের ভিড় ক্রমাগত বাড়ছে। এমন এক হৃদয়বিদারক পরিস্থিতির মধ্যে ইংল্যান্ডের সাসেক্স থেকে আসা এক ব্যক্তি জানান, তিনি তার নিখোঁজ স্ত্রী, মা, চাচা ও ভাইয়ের খোঁজে দুর্গত এলাকায় এসেছেন। তার গ্রামটি বর্তমানে সম্পূর্ণ পানির নিচে তলিয়ে আছে।
তবে ধ্বংসযজ্ঞের মাঝেও কিছু আশার খবর পাওয়া যাচ্ছে। সম্প্রতি প্রকাশিত একটি ছবিতে দেখা গেছে, বন্যার পানি থেকে বাঁচতে গাছে আশ্রয় নেওয়া আট বছর বয়সী এক শিশুকে তার মায়ের সঙ্গে পুনর্মিলিত করা হয়েছে, যা এই দুর্যোগের মাঝেও কিছুটা স্বস্তি নিয়ে এসেছে।
সম্পাদক ও প্রকাশক: মাহের আহমেদ, প্রধান সম্পাদক: মোঃ মোত্তালিব সরকার। প্রকাশক কর্তৃক ৫৫০বি, হজ্জ ক্যাম্প রোড, আশকোনা, দক্ষিণখান, ঢাকা-১২৩০, বাংলাদেশ থেকে প্রকাশিত। সম্পাদকীয়, বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় (ঢাকা) : ৫৫০বি, হজ্জ ক্যাম্প রোড, আশকোনা, দক্ষিণখান, ঢাকা-১২৩০, বাংলাদেশ। আঞ্চলিক কার্যালয় (বগুড়া): টোলারগেট, শেরপুর–৫৮৪০, শেরপুর, বগুড়া। অফিস: ০১৭৭৬-১৩৬০৫০ (হোয়াটসঅ্যাপ), বিজ্ঞাপন: ০৯৬৯৭-৫৪৪৮২৭। ই-মেইল: dailyjokhonsomoy@gmail.com।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের তথ্য মন্ত্রনালয়ের বিধি মোতাবেক নিবন্ধনের জন্য আবেদিত ©সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © দৈনিক যখন সময় ২০২২