
নেপালে ভয়াবহ বন্যার পর মৃতের সংখ্যা সাড়ে পাঁচশ ছুঁইছুঁই। দুর্যোগের পর প্রতিনিয়ত উদ্ধার হচ্ছে মরদেহ। তবে স্থানীয় হাসপাতালগুলোর মর্গে আর তিল ধারণের জায়গা না থাকায় এখন বিকল্প সরকারি ভবনে মরদেহ রাখার ব্যবস্থা করছে দেশটির প্রশাসন।
পুলিশের দেওয়া সবশেষ তথ্য অনুযায়ী, আকস্মিক এই বন্যায় এখন পর্যন্ত ৫৪৭ জনের প্রাণহানির বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া গেছে। গত বুধবারের আকস্মিক বন্যার তীব্র স্রোতে ভেসে অনেক মরদেহ দূরবর্তী জেলাগুলোতে চলে গেছে। একের পর এক মরদেহ উদ্ধার হতে থাকায় হাসপাতালগুলোর মর্গ এখন পুরোপুরি উপচে পড়েছে। এ অবস্থায় মরদেহগুলো সংরক্ষণ করা এবং স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা বড় ধরনের চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
চিতওয়ানের চিফ ডিস্ট্রিক্ট অফিসার গণেশ আরিয়াল বিবিসিকে জানিয়েছেন, উদ্ধার হওয়া অনেক মরদেহের অবস্থা বেশ নাজুক। ফলে সেগুলো যথাযথভাবে সংরক্ষণ ও ব্যবস্থাপনা করা কঠিন হয়ে পড়েছে। মর্গে জায়গা না থাকায় পরিস্থিতি সামাল দিতে আপাতত একটি সরকারি ভবন নির্ধারণ করে সেখানে মরদেহ রাখা হচ্ছে বলে জানান তিনি।
মরদেহগুলো দ্রুত শনাক্ত করে পরিবারের কাছে বুঝিয়ে দেওয়ার চেষ্টা চলছে। তবে অনেক লাশ বিকৃত হয়ে যাওয়ায় এবং দূর-দূরান্তে ভেসে যাওয়ায় পরিচয় শনাক্তকরণের প্রক্রিয়াটি বেশ জটিল রূপ নিয়েছে বলে জানিয়েছে স্থানীয় কর্তৃপক্ষ।
নেপালে বুধবারের আকস্মিক বন্যায় স্রোতের তোড়ে অনেক লাশ ভেসে দূরের জেলাগুলোতে চলে গেছে। প্রতিনিয়তই বাড়ছে লাশের সংখ্যা। এখন পর্যন্ত পাওয়া তথ্যমতে ভয়াবহ বন্যা মৃতের সংখ্যা ৫০০ ছাড়িয়েছে। স্থানীয় হাসপাতালগুলোর মর্গে এত লাশ রাখার মতো পর্যাপ্ত জায়গা না থাকায় লাশ রাখার জন্য আলাদা ভবন নির্ধারণ করছে কর্তৃপক্ষ।
সম্পাদক ও প্রকাশক: মাহের আহমেদ, প্রধান সম্পাদক: মোঃ মোত্তালিব সরকার। প্রকাশক কর্তৃক ৫৫০বি, হজ্জ ক্যাম্প রোড, আশকোনা, দক্ষিণখান, ঢাকা-১২৩০, বাংলাদেশ থেকে প্রকাশিত। সম্পাদকীয়, বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় (ঢাকা) : ৫৫০বি, হজ্জ ক্যাম্প রোড, আশকোনা, দক্ষিণখান, ঢাকা-১২৩০, বাংলাদেশ। আঞ্চলিক কার্যালয় (বগুড়া): টোলারগেট, শেরপুর–৫৮৪০, শেরপুর, বগুড়া। অফিস: ০১৭৭৬-১৩৬০৫০ (হোয়াটসঅ্যাপ), বিজ্ঞাপন: ০৯৬৯৭-৫৪৪৮২৭। ই-মেইল: dailyjokhonsomoy@gmail.com।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের তথ্য মন্ত্রনালয়ের বিধি মোতাবেক নিবন্ধনের জন্য আবেদিত ©সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © দৈনিক যখন সময় ২০২২