
অরুণাচল প্রদেশের উপানসুরি জেলাসংলগ্ন সীমান্তে চীনা সামরিক বাহিনীর (পিএলএ) অনুপ্রবেশ এবং ভারতীয় বাহিনীকে নির্দিষ্ট টহল পয়েন্টে যেতে বাধা দেওয়ার অভিযোগ কেন্দ্র করে ভারতের জাতীয় রাজনীতিতে নতুন উত্তেজনার সৃষ্টি হয়েছে। বিষয়টি সামনে এসেছে বিজেপি নেতৃত্বাধীন উত্তর-পূর্ব গণতান্ত্রিক জোটের (নেডা) শরিক ‘পিপলস পার্টি অব অরুণাচল’ (পিপিএ)-এর একটি সত্যানুসন্ধানী দলের পরিদর্শনের পর। তাকসিং অঞ্চল পরিদর্শন শেষে দলটির জমা দেওয়া প্রতিবেদনে এমন তথ্য উঠে এসেছে।
প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, প্রতিকূল আবহাওয়া এবং অবকাঠামোগত সীমাবদ্ধতার কারণে এপ্রিল থেকে অক্টোবর মাস পর্যন্ত ভারতীয় বাহিনী দুর্গম সীমান্ত এলাকাগুলোতে নিয়মিত টহল দিতে পারে না। এর সুযোগ নিয়ে চীনা বাহিনী বছরজুড়েই ওই অঞ্চলে সক্রিয় থাকে। স্থানীয় সূত্রের বরাত দিয়ে প্রতিবেদনে আরও দাবি করা হয়েছে যে, গত বছরের একটি সংঘাতের ঘটনার পর থেকে ‘শেরাও ৫’ নামে পরিচিত সীমান্ত টহলকেন্দ্রটি ভারতীয় বাহিনী পরিত্যাগ করতে বাধ্য হয়েছে।
এই প্রতিবেদন প্রকাশের পর প্রধান বিরোধী দলগুলো মোদী সরকারের সীমান্ত সুরক্ষা নীতির তীব্র সমালোচনা শুরু করেছে। একই সঙ্গে স্থানীয় আদিবাসী সংগঠনগুলোর অভিযোগ, চীনা বাহিনীর বিস্তৃতির কারণে তারা তাদের পূর্বপুরুষের ব্যবহার করা জমি থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন।
যদিও ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং সেনাবাহিনী সীমান্ত পরিস্থিতি স্থিতিশীল বলে দাবি করেছে। তবে বিশ্লেষকদের মতে, আসন্ন ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলনের আগে এই ঘটনা দুই দেশের সাম্প্রতিক কূটনৈতিক সম্পর্ক উন্নয়নের প্রচেষ্টায় বড় ধরনের ধাক্কা দিতে পারে। অন্যদিকে, বেইজিং পুরো বিষয়টিকেই স্বাভাবিক বলে উল্লেখ করেছে এবং গঠনমূলক আলোচনা অব্যাহত রাখার আহ্বান জানিয়েছে।
সম্পাদক ও প্রকাশক: মাহের আহমেদ, প্রধান সম্পাদক: মোঃ মোত্তালিব সরকার। প্রকাশক কর্তৃক ৫৫০বি, হজ্জ ক্যাম্প রোড, আশকোনা, দক্ষিণখান, ঢাকা-১২৩০, বাংলাদেশ থেকে প্রকাশিত। সম্পাদকীয়, বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় (ঢাকা) : ৫৫০বি, হজ্জ ক্যাম্প রোড, আশকোনা, দক্ষিণখান, ঢাকা-১২৩০, বাংলাদেশ। আঞ্চলিক কার্যালয় (বগুড়া): টোলারগেট, শেরপুর–৫৮৪০, শেরপুর, বগুড়া। অফিস: ০১৭৭৬-১৩৬০৫০ (হোয়াটসঅ্যাপ), বিজ্ঞাপন: ০৯৬৯৭-৫৪৪৮২৭। ই-মেইল: dailyjokhonsomoy@gmail.com।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের তথ্য মন্ত্রনালয়ের বিধি মোতাবেক নিবন্ধনের জন্য আবেদিত ©সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © দৈনিক যখন সময় ২০২২