
যুক্তরাষ্ট্রের হাসপাতালগুলোতে নিয়মিত মারিজুয়ানা বা গাঁজা সেবনকারীদের মধ্যে তীব্র বমিভাব ও বমির সমস্যায় জরুরি বিভাগে যাওয়ার হার উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। মার্কিন রোগ নিয়ন্ত্রণ ও প্রতিরোধ কেন্দ্র বা সিডিসির সাম্প্রতিক এক প্রতিবেদনে এই তথ্য উঠে এসেছে।
প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, গত বছরের অক্টোবর থেকে চলতি বছরের মে মাস পর্যন্ত ক্যানাবিস হাইপারএমেসিস সিনড্রোম (সিএইচএস) নামক এই স্বাস্থ্যগত সমস্যার কারণে জরুরি বিভাগে রোগ নির্ণয়ের হার ১৬ শতাংশ বেড়েছে। বিশেষ করে যারা নিয়মিত গাঁজা ধূমপান করেন, তাদের মধ্যেই এই সিনড্রোমের লক্ষণগুলো বেশি দেখা যাচ্ছে। এর প্রধান লক্ষণগুলোর মধ্যে রয়েছে বারবার বমিভাব, অবিরাম বমি হওয়া এবং অসহ্য পেটে ব্যথা।
গবেষকদের মতে, এই পরিসংখ্যান বৃদ্ধির অন্যতম কারণ হলো গত বছরের শরৎকালে এই সমস্যার জন্য একটি পৃথক এবং নিজস্ব রোগ নির্ণয় বা ডায়াগনোসিস কোড চালু করা। আগে এই সিনড্রোম শনাক্ত করার প্রক্রিয়াটি বেশ জটিল ছিল, কারণ চিকিৎসকদের বমিভাবের কোডের সাথে গাঁজা ব্যবহারের কোড মিলিয়ে দেখতে হতো। নতুন কোডটি চালুর ফলে দীর্ঘদিন ধরে অবহেলিত ও কম শনাক্ত হওয়া এই সমস্যাটির একটি সঠিক চিত্র পাওয়া এখন সম্ভব হচ্ছে।
বিশেষজ্ঞদের ধারণা, অতীতে চিকিৎসকরা রোগীদের মারিজুয়ানা সেবনের বিষয়টি পুরোপুরি না বুঝতে পারা কিংবা এই কষ্টকে অন্য কোনো রোগের লক্ষণ হিসেবে ভুল করার কারণে সমস্যাটি কম শনাক্ত হতো। পূর্ববর্তী গবেষণায় অনুমান করা হয়েছিল যে প্রতি বছর প্রায় ২৭ লক্ষ ৫০ হাজার আমেরিকান এই সমস্যায় ভুগে থাকেন। বিনোদনমূলক মারিজুয়ানা সেবনের হার বৃদ্ধির সাথে সাথে জরুরি বিভাগে যাওয়ার প্রবণতাও বাড়ছে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।
সম্পাদক ও প্রকাশক: মাহের আহমেদ, প্রধান সম্পাদক: মোঃ মোত্তালিব সরকার। প্রকাশক কর্তৃক ৫৫০বি, হজ্জ ক্যাম্প রোড, আশকোনা, দক্ষিণখান, ঢাকা-১২৩০, বাংলাদেশ থেকে প্রকাশিত। সম্পাদকীয়, বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় (ঢাকা) : ৫৫০বি, হজ্জ ক্যাম্প রোড, আশকোনা, দক্ষিণখান, ঢাকা-১২৩০, বাংলাদেশ। আঞ্চলিক কার্যালয় (বগুড়া): টোলারগেট, শেরপুর–৫৮৪০, শেরপুর, বগুড়া। অফিস: ০১৭৭৬-১৩৬০৫০ (হোয়াটসঅ্যাপ), বিজ্ঞাপন: ০৯৬৯৭-৫৪৪৮২৭। ই-মেইল: dailyjokhonsomoy@gmail.com।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের তথ্য মন্ত্রনালয়ের বিধি মোতাবেক নিবন্ধনের জন্য আবেদিত ©সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © দৈনিক যখন সময় ২০২২