
নেপালে ভয়াবহ বন্যার এক সপ্তাহ পেরিয়ে যাওয়ার পর ধ্বংসস্তূপ থেকে কাউকে জীবিত উদ্ধারের আশা ক্রমেই ফিকে হয়ে আসছে। বুধবার পর্যন্ত দেশটিতে বন্যায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে ১ হাজার ১১৪ জনে দাঁড়িয়েছে বলে কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে। এখনো প্রায় চার হাজার মানুষ নিখোঁজ রয়েছেন এবং বিপুল সংখ্যক মানুষ কাদা ও পাথরের নিচে চাপা পড়ে আছেন বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
নেপালের জাতীয় জরুরি পরিচালন কেন্দ্রের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা ফণীন্দ্র পাউডেল জানিয়েছেন, জীবিত উদ্ধারের সম্ভাবনা প্রতি মুহূর্তে কমছে। তবে বিভিন্ন জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের সুড়ঙ্গগুলোতে ফাঁকা জায়গা থাকায় সেখানে কেউ বেঁচে থাকতে পারেন—এমন ক্ষীণ আশায় ভারত, চীন ও যুক্তরাষ্ট্রের বিশেষায়িত দলগুলো উদ্ধার তৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছে। মার্কিন উদ্ধারকারী দল উচ্চপ্রযুক্তির বিশেষ শ্রবণযন্ত্র ব্যবহার করে সুড়ঙ্গের ভেতরে জীবনের কোনো স্পন্দন বা শব্দ শনাক্তের চেষ্টা করছে। এ পর্যন্ত প্রকল্পগুলো থেকে ২৭৯ জনকে উদ্ধার করা সম্ভব হলেও এখনো ৬৩৯ জনের বেশি কর্মী নিখোঁজ রয়েছেন।
এদিকে দুর্যোগপূর্ণ এই সময়ে স্বাস্থ্যঝুঁকি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন জাতিসংঘের মুখপাত্র স্টিফেন ডুজারিক। তিনি জানান, আশ্রয়শিবিরগুলোতে মানুষের উপচে পড়া ভিড়, দূষিত পানি এবং স্বাস্থ্য অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় মহামারি ছড়িয়ে পড়ার চরম ঝুঁকি তৈরি হয়েছে। এই প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের জন্য নেপাল ও চীন উভয় দেশই বৈশ্বিক জলবায়ু পরিবর্তনকে দায়ী করেছে এবং বিশ্ব সম্প্রদায়ের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে।
সম্পাদক ও প্রকাশক: মাহের আহমেদ, প্রধান সম্পাদক: মোঃ মোত্তালিব সরকার। প্রকাশক কর্তৃক ৫৫০বি, হজ্জ ক্যাম্প রোড, আশকোনা, দক্ষিণখান, ঢাকা-১২৩০, বাংলাদেশ থেকে প্রকাশিত। সম্পাদকীয়, বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় (ঢাকা) : ৫৫০বি, হজ্জ ক্যাম্প রোড, আশকোনা, দক্ষিণখান, ঢাকা-১২৩০, বাংলাদেশ। আঞ্চলিক কার্যালয় (বগুড়া): টোলারগেট, শেরপুর–৫৮৪০, শেরপুর, বগুড়া। অফিস: ০১৭৭৬-১৩৬০৫০ (হোয়াটসঅ্যাপ), বিজ্ঞাপন: ০৯৬৯৭-৫৪৪৮২৭। ই-মেইল: dailyjokhonsomoy@gmail.com।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের তথ্য মন্ত্রনালয়ের বিধি মোতাবেক নিবন্ধনের জন্য আবেদিত ©সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © দৈনিক যখন সময় ২০২২