
নেপাল ও চীন সীমান্তে ভয়াবহ বন্যায় প্রাণহানির সংখ্যা ১ হাজার ছাড়িয়ে গেছে। দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সংস্থা ও চীনা কর্তৃপক্ষের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, দুই দেশে মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ৩ জনে। এছাড়া নিখোঁজ রয়েছেন ৪ হাজার ৪০০-এর বেশি মানুষ।
নেপালের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সংস্থা জানিয়েছে, দেশটিতে এখন পর্যন্ত ৯৮৭ জনের মৃত্যু নিশ্চিত করা হয়েছে। এছাড়া নিখোঁজ রয়েছেন ৩ হাজার ৯১৬ জন, যার মধ্যে ৫৮৩ জন বিদেশি নাগরিক। অন্যদিকে, চীনা কর্তৃপক্ষের রোববারের তথ্য অনুযায়ী তিব্বতে ১৬ জনের মৃত্যু হয়েছে এবং ৫৪৬ জন নিখোঁজ রয়েছেন; নিখোঁজদের মধ্যে ২৬১ জন বিদেশি।
নেপালে এ পর্যন্ত অন্তত ১১ হাজার ৮১৪ জনকে উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। বন্যা ও ভূমিধসে সড়ক ও সেতু যোগাযোগ ব্যবস্থা ধ্বংস হয়ে যাওয়ায় বিচ্ছিন্ন জনপদগুলোতে হেলিকপ্টার ও উড়োজাহাজের মাধ্যমে ত্রাণ ও উদ্ধার কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে।
বিশেষ করে নেপালের রাসুয়া ও নুওয়াকোট জেলায় আকস্মিক বন্যায় অন্তত ১২টি জলবিদ্যুৎ প্রকল্প ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বেসরকারি খাতের সংগঠন আইপিপিএএন জানিয়েছে, এসব প্রকল্পে অন্তত ৯০০ শ্রমিক নিখোঁজ রয়েছেন। আশঙ্কা করা হচ্ছে, প্রায় ৫০০ জন শ্রমিক সুড়ঙ্গের ভেতরে আটকা পড়ে আছেন। নেপালের সেনাবাহিনী কাদায় ভরা তিনটি সুড়ঙ্গ থেকে এখন পর্যন্ত চারজনের মরদেহ উদ্ধার করেছে।
ইন্ডিপেন্ডেন্ট পাওয়ার প্রডিউসার্স অ্যাসোসিয়েশন, নেপাল (আইপিপিএএন)-এর সভাপতি মোহন কুমার দাঙ্গি জানান, দুর্যোগের শুরুতে বুধবার কয়েকজন শ্রমিক ফোন করে সাহায্য চেয়েছিলেন। পরবর্তীতে উদ্ধার হওয়া সহকর্মীদের ভাষ্যমতে, অনেকে তখনও ভেতরে ছিলেন। তবে এখন পর্যন্ত আটকা পড়া শ্রমিকদের সঙ্গে উদ্ধারকারীদের কোনো যোগাযোগ হয়েছে কি না তা স্পষ্ট নয়। দুর্যোগের ছয় দিন পেরিয়ে যাওয়ায় জীবিত উদ্ধারের সম্ভাবনা কমে আসছে এবং কিছু শ্রমিকের দমবন্ধ হয়ে মৃত্যুর আশঙ্কা বাড়ছে বলে বিশেষজ্ঞ ও সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।
সম্পাদক ও প্রকাশক: মাহের আহমেদ, প্রধান সম্পাদক: মোঃ মোত্তালিব সরকার। প্রকাশক কর্তৃক ৫৫০বি, হজ্জ ক্যাম্প রোড, আশকোনা, দক্ষিণখান, ঢাকা-১২৩০, বাংলাদেশ থেকে প্রকাশিত। সম্পাদকীয়, বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় (ঢাকা) : ৫৫০বি, হজ্জ ক্যাম্প রোড, আশকোনা, দক্ষিণখান, ঢাকা-১২৩০, বাংলাদেশ। আঞ্চলিক কার্যালয় (বগুড়া): টোলারগেট, শেরপুর–৫৮৪০, শেরপুর, বগুড়া। অফিস: ০১৭৭৬-১৩৬০৫০ (হোয়াটসঅ্যাপ), বিজ্ঞাপন: ০৯৬৯৭-৫৪৪৮২৭। ই-মেইল: dailyjokhonsomoy@gmail.com।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের তথ্য মন্ত্রনালয়ের বিধি মোতাবেক নিবন্ধনের জন্য আবেদিত ©সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © দৈনিক যখন সময় ২০২২