
টানা ভারী বৃষ্টিপাত এবং উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলের কারণে তিস্তা নদীর পানি বৃদ্ধি পেলেও বর্তমানে তা কমে বিপদসীমার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। নীলফামারীর ডিমলা উপজেলার ডালিয়া পয়েন্টে পানি কমে আসায় নদী তীরবর্তী নিম্নাঞ্চলে বন্যার তাৎক্ষণিক আশঙ্কা কেটে গেছে বলে জানিয়েছে পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো)।
শুক্রবার (১০ জুলাই) সকালে ডালিয়া ব্যারাজ পয়েন্টে তিস্তার পানির উচ্চতা রেকর্ড করা হয়েছে ৫২ দশমিক ০৫ মিটার। এটি বিপদসীমার (৫২ দশমিক ১৫ মিটার) চেয়ে ১০ সেন্টিমিটার নিচে। এর আগে বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) রাতে নদীর পানি বিপদসীমার তিন সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়েছিল।
পানি বেড়ে যাওয়ার ফলে বৃহস্পতিবার রাতে ডিমলা উপজেলার পূর্ব ছাতনাই, খগাখড়িবাড়ী, টেপাখড়িবাড়ী, খালিশা চাপানী, ঝুনাগাছ চাপানী ও গয়াবাড়ী ইউনিয়নের নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হতে শুরু করে। একই সাথে জলঢাকা উপজেলার গোলমুন্ডা, ডাউয়াবাড়ী ও শৌলমারী ইউনিয়নের কিছু এলাকাতেও পানি প্রবেশ করেছিল।
টেপাখড়িবাড়ী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান রবিউল ইসলাম সাহিন জানিয়েছেন, বৃহস্পতিবার রাতে পানি বিপদসীমা অতিক্রম করার ফলে নিম্নাঞ্চলে ঢুকে পড়েছিল, তবে শুক্রবার সকাল থেকে নদীর পানি কমে আসায় প্লাবিত এলাকার পানি দ্রুত নেমে যাচ্ছে।
ডালিয়া পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী অমিতাভ চৌধুরী জানান, শুক্রবার সকাল ৯টা পর্যন্ত তিস্তার পানি বিপদসীমার ১০ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে। পরিস্থিতি সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে এবং নদীর পানি আরও কমার সম্ভাবনা রয়েছে।
সম্পাদক ও প্রকাশক: মাহের আহমেদ, প্রধান সম্পাদক: মোঃ মোত্তালিব সরকার। প্রকাশক কর্তৃক ৫৫০বি, হজ্জ ক্যাম্প রোড, আশকোনা, দক্ষিণখান, ঢাকা-১২৩০, বাংলাদেশ থেকে প্রকাশিত। সম্পাদকীয়, বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় (ঢাকা) : ৫৫০বি, হজ্জ ক্যাম্প রোড, আশকোনা, দক্ষিণখান, ঢাকা-১২৩০, বাংলাদেশ। আঞ্চলিক কার্যালয় (বগুড়া): টোলারগেট, শেরপুর–৫৮৪০, শেরপুর, বগুড়া। অফিস: ০১৭৭৬-১৩৬০৫০ (হোয়াটসঅ্যাপ), বিজ্ঞাপন: ০৯৬৯৭-৫৪৪৮২৭। ই-মেইল: dailyjokhonsomoy@gmail.com।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের তথ্য মন্ত্রনালয়ের বিধি মোতাবেক নিবন্ধনের জন্য আবেদিত ©সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © দৈনিক যখন সময় ২০২২