
সিনেমা জগতে তারকাদের ঘিরে নানা ধরনের গুঞ্জন বা রটনা ডালপালা মেলে। এর মধ্যে কিছু চর্চা সময়ের সাথে মিলিয়ে গেলেও কিছু বিষয় দীর্ঘস্থায়ী হয়। টালিপাড়ার এমন এক পুরনো গুঞ্জন ছিল অভিনেতা অঙ্কুশ হাজরা ও নুসরাত জাহানকে নিয়ে। যদিও সেই আলোচনা এখন অনেকটাই স্তিমিত, তবুও দর্শক বা অনুরাগীদের স্মৃতি থেকে তা একেবারে মুছে যায়নি।
অতীতে এই জুটি ‘জামাই ৪২০’, ‘কেলোর কীর্তি’, ‘আমি যে কে তোমার’, ‘খিলাড়ি’ এবং ‘হরিপদ ব্যান্ডওয়ালা’র মতো বেশ কিছু ব্যবসাসফল সিনেমা উপহার দিয়েছেন। ফিল্মপাড়ায় একসময় কানাঘুষো শোনা যেত, সিনেমার শুটিংয়ের সূত্রেই নাকি তারা একে অপরের কাছাকাছি এসেছিলেন। টলিপাড়ার অন্দরে এমনও গুঞ্জন ছিল যে, ঐন্দ্রিলা সেনের সাথে অঙ্কুশের সম্পর্কের সূচনার পরই নাকি নুসরাতের সাথে তার দূরত্ব তৈরি হয়। তবে সেই সময়ে দুই তারকার কেউই বিষয়টি নিয়ে প্রকাশ্যে কোনো মন্তব্য করেননি।
অবশেষে দীর্ঘ সময় পর এক সাক্ষাৎকারে ব্যক্তিগত জীবনের সেই অধ্যায় ও সম্পর্কের সমীকরণ নিয়ে খোলামেলা কথা বললেন অঙ্কুশ। নুসরাতের সাথে প্রেমের যাবতীয় গুঞ্জন উড়িয়ে দিয়ে তিনি স্পষ্ট ভাষায় জানান, তাদের মধ্যে কখনোই কোনো প্রেমের সম্পর্ক ছিল না।
গণমাধ্যমের কাছে দেওয়া সেই সাক্ষাৎকারে অঙ্কুশ বলেন, তাদের মধ্যে কোনো প্রেমের ব্যাপার ছিল না। তিনি ও নুসরাত মোটে ছয় থেকে সাতটি ছবিতে একসঙ্গে অভিনয় করেছেন। কাজের সুবাদে যে কোনো সহ-শিল্পীর সাথে যেমন স্বাভাবিক সখ্য বা বন্ডিং গড়ে ওঠে, তাদের মধ্যেও ঠিক তেমনই ছিল। এর বাইরে প্রেমের কোনো সম্পর্ক ছিল না বলেই দাবি করেন অভিনেতা।
সম্পাদক ও প্রকাশক: মাহের আহমেদ, প্রধান সম্পাদক: মোঃ মোত্তালিব সরকার। প্রকাশক কর্তৃক ৫৫০বি, হজ্জ ক্যাম্প রোড, আশকোনা, দক্ষিণখান, ঢাকা-১২৩০, বাংলাদেশ থেকে প্রকাশিত। সম্পাদকীয়, বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় (ঢাকা) : ৫৫০বি, হজ্জ ক্যাম্প রোড, আশকোনা, দক্ষিণখান, ঢাকা-১২৩০, বাংলাদেশ। আঞ্চলিক কার্যালয় (বগুড়া): টোলারগেট, শেরপুর–৫৮৪০, শেরপুর, বগুড়া। অফিস: ০১৭৭৬-১৩৬০৫০ (হোয়াটসঅ্যাপ), বিজ্ঞাপন: ০৯৬৯৭-৫৪৪৮২৭। ই-মেইল: dailyjokhonsomoy@gmail.com।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের তথ্য মন্ত্রনালয়ের বিধি মোতাবেক নিবন্ধনের জন্য আবেদিত ©সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © দৈনিক যখন সময় ২০২২