
ইরানে একটি নাট্যদলের বিরুদ্ধে ফৌজদারি তদন্ত শুরু হয়েছে। বিতর্কিত এই মামলার মূল কারণ হলো ‘তেহরান প্যারিস তেহরান’ নামের নাটকের একটি দৃশ্য, যেখানে অভিনেত্রী ফাতেমেহ মাসৌাদিফারকে তার সহ-অভিনেতা মেহরদাদ সেদিঘিয়ানের বুকের দিকে মাথা ঝুঁকিয়ে থাকতে দেখা যায়। নাটকের এই দৃশ্যে অভিনেতার হাত অভিনেত্রীর মাথার ওপর ছিল বলেও মনে হয়েছে। ইরানের সরকারি কৌঁসুলিরা এই দৃশ্যটিকে দেশটির ‘সামাজিক রীতিনীতি’র পরিপন্থী ও আইন লঙ্ঘন হিসেবে উল্লেখ করে মামলাটি দায়ের করেছেন।
ইরানের ইসলামী আইন অনুযায়ী, আত্মীয়তার সম্পর্ক নেই এমন নারী ও পুরুষের মধ্যে প্রকাশ্যে শারীরিক সংস্পর্শ নিষিদ্ধ, যা মঞ্চের অভিনয়ের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য। তবে নাটকটির প্রযোজনা সংস্থা এই অভিযোগের ভিন্ন ব্যাখ্যা দিয়েছে। ‘ইরান ইন্টারন্যাশনাল’-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, শনিবার এক বিবৃতিতে সংস্থাটি দাবি করেছে, মোবাইল ফোনের ভিডিওটি খুব কাছ থেকে এবং সংকীর্ণ কোণ থেকে ধারণ করা হয়েছে, যার ফলে অভিনেতা-অভিনেত্রীকে বাস্তবের তুলনায় অনেক বেশি কাছাকাছি মনে হয়েছে।
প্রযোজনা সংস্থাটি আরও জানিয়েছে, নাটকের ওই দৃশ্যে অভিনয় করা চরিত্র দুটি আসলে ভাই-বোন, তাই ইসলামি আইনের দৃষ্টিতে তাদের মধ্যে শারীরিক স্পর্শ নিষিদ্ধ নয়। তাদের ভাষ্যমতে, নাটকের একটি সংকটপূর্ণ মুহূর্তে ওই দৃশ্যটি দেখানো হয়েছিল।
এর আগে চলতি সপ্তাহে কোম শহরের একটি আপিল আদালত গায়িকা পারাস্তুা আহমাদি এবং আরও সাতজন সংগীতশিল্পীর সাজা বহাল রেখেছে। ২০২৪ সালের ডিসেম্বরে ইউটিউবের আয়োজিত একটি কনসার্টে হিজাব ছাড়া গান গাওয়ার দায়ে তাদের প্রত্যেককে ৭৪টি বেত্রাঘাতের সাজা দেওয়া হয়েছে। সেই সঙ্গে তাদের গান পরিবেশন ও ভ্রমণের ওপর দুই বছরের নিষেধাজ্ঞাও আরোপ করা হয়েছে।
সম্পাদক ও প্রকাশক: মাহের আহমেদ, প্রধান সম্পাদক: মোঃ মোত্তালিব সরকার। প্রকাশক কর্তৃক ৫৫০বি, হজ্জ ক্যাম্প রোড, আশকোনা, দক্ষিণখান, ঢাকা-১২৩০, বাংলাদেশ থেকে প্রকাশিত। সম্পাদকীয়, বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় (ঢাকা) : ৫৫০বি, হজ্জ ক্যাম্প রোড, আশকোনা, দক্ষিণখান, ঢাকা-১২৩০, বাংলাদেশ। আঞ্চলিক কার্যালয় (বগুড়া): টোলারগেট, শেরপুর–৫৮৪০, শেরপুর, বগুড়া। অফিস: ০১৭৭৬-১৩৬০৫০ (হোয়াটসঅ্যাপ), বিজ্ঞাপন: ০৯৬৯৭-৫৪৪৮২৭। ই-মেইল: dailyjokhonsomoy@gmail.com।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের তথ্য মন্ত্রনালয়ের বিধি মোতাবেক নিবন্ধনের জন্য আবেদিত ©সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © দৈনিক যখন সময় ২০২২