
বিগ বস বাংলার ঘরে রান্নাঘরের ছোটখাটো কাজ নিয়ে ফের মুখোমুখি দ্বন্দ্বে জড়িয়েছেন রাজবীর দে ও নন্দিনী দত্ত। পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছায় যে, রাজবীরকে উদ্দেশ করে নন্দিনী বলে ফেলেন, তোর মতো দশজনকে পুষি। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে শোয়ের অন্দরে নতুন উত্তেজনার সৃষ্টি হয়েছে।
ঘটনার সূত্রপাত রান্নাঘরের একটি বিষয় নিয়ে। রান্নার সময় নন্দিনীকে অ্যাসিস্ট্যান্ট বা সহকারী হিসেবে সম্বোধন করেন রাজবীর। এতেই মেজাজ হারিয়ে ফেলেন নন্দিনী। রাগের মাথায় তিনি রাজবীরকে উদ্দেশ করে বলেন, তুই কে? কে রাজবীর দে? তোর মতো দশটা অ্যাসোসিয়েটকে আমি পুষি। তাদের এই কথা কাটাকাটি দ্রুত চরমে পৌঁছায়। পরবর্তীতে বিষয়টি নিয়ে তনুশ্রী ও সোহিনীও চর্চা শুরু করেন।
অবশ্য ঝগড়ার পর রাজবীরের কাছে গিয়ে নিজের ভুলের কথা স্বীকার করে ক্ষমা চান নন্দিনী। তিনি জানান, রাজবীর কোনো কথা বললে তা তার গায়ে লাগে। অন্যদিকে নন্দিনীর কথায় দারুণ আঘাত পান রাজবীর। তার আত্মসম্মান নিয়ে প্রশ্ন তোলায় নন্দিনীর ওপর অভিমান করেন তিনি। তবে শেষ পর্যন্ত দুজনের মধ্যে মিটমাটও হয়ে যায়।
এদিকে শনিবার ‘দাদার দরবার’ পর্বে মুখোমুখি হন সৃজলা ও নন্দিনী। সৃজলার মুখে নিজের যন্ত্রণার কথা শোনার পর আবেগ ধরে রাখতে পারেননি নন্দিনী, কেঁদে ফেলেন তিনি। পরে রাজবীরের কাছে কাঁদতে কাঁদতে নন্দিনী বলেন, আমার দ্বারা কারও এমন ক্ষতি হবে ভাবিনি। ওর এত ব্যথা লেগেছে? এটা তো শুধু বিগ বসের ঘরে নয়, সারা জীবনের জন্য আমার অভিশাপ হয়ে থেকে গেল।
সৃজলার সঙ্গে ঘটা ওই ঘটনার পর থেকেই দর্শকদের একাংশ নন্দিনীকে বয়কটের দাবি তুলেছিলেন। শনিবারের পর্বে নন্দিনীকে কাঁদতে দেখা গেলেও মনামী ও ভরত কল ছাড়া ঘরের অন্য কেউ তার পক্ষে কথা বলেননি। এই নানামুখী তর্ক-বিতর্ক ও উত্তেজনার মাঝে সৌরভ গাঙ্গুলি নন্দিনীকে ফাইনাল ওয়ার্নিং দেন এবং দর্শকদের বিচারই যে শেষ কথা, তা আবারও প্রতিযোগীদের স্মরণ করিয়ে দেন।
সম্পাদক ও প্রকাশক: মাহের আহমেদ, প্রধান সম্পাদক: মোঃ মোত্তালিব সরকার। প্রকাশক কর্তৃক ৫৫০বি, হজ্জ ক্যাম্প রোড, আশকোনা, দক্ষিণখান, ঢাকা-১২৩০, বাংলাদেশ থেকে প্রকাশিত। সম্পাদকীয়, বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় (ঢাকা) : ৫৫০বি, হজ্জ ক্যাম্প রোড, আশকোনা, দক্ষিণখান, ঢাকা-১২৩০, বাংলাদেশ। আঞ্চলিক কার্যালয় (বগুড়া): টোলারগেট, শেরপুর–৫৮৪০, শেরপুর, বগুড়া। অফিস: ০১৭৭৬-১৩৬০৫০ (হোয়াটসঅ্যাপ), বিজ্ঞাপন: ০৯৬৯৭-৫৪৪৮২৭। ই-মেইল: dailyjokhonsomoy@gmail.com।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের তথ্য মন্ত্রনালয়ের বিধি মোতাবেক নিবন্ধনের জন্য আবেদিত ©সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © দৈনিক যখন সময় ২০২২