
ভারতের কিংবদন্তি সংগীতশিল্পী জুবিন গার্গের প্রথম মৃত্যুবার্ষিকী আজ। ২০২৫ সালের ১৯ সেপ্টেম্বর অগণিত ভক্তকে কাঁদিয়ে না ফেরার দেশে পাড়ি জমান তিনি। দীর্ঘ ৩৩ বছরের বর্ণাঢ্য সংগীতজীবনে ৪০টিরও বেশি ভাষায় প্রায় ৪০ হাজার গান গেয়ে সংগীতপ্রেমীদের মুগ্ধ করেছেন এই শিল্পী।
২০০৬ সালে ‘গ্যাংস্টার’ সিনেমার ‘ইয়া আলি’ গানটির মাধ্যমে বলিউডে ব্যাপক পরিচিতি লাভ করেন জুবিন। পরবর্তীতে ‘সুবাহ সুবাহ’ ও ‘দিল তু হি বাতা’র মতো জনপ্রিয় গানেও কণ্ঠ দেন তিনি। তবে বলিউডে আকাশচুম্বী জনপ্রিয়তা পাওয়ার পরও তিনি ধীরে ধীরে সেখান থেকে দূরে সরে এসে আঞ্চলিক ভাষার গান ও চলচ্চিত্রের দিকে মনোনিবেশ করেন।
বাংলা ও অসমীয়ার সংস্কৃতির প্রতি জুবিনের ছিল গভীর টান। দেব, রাহুল ও সোহম অভিনীত একাধিক বাংলা সিনেমার গানে তার কণ্ঠ শ্রোতাদের মনে জায়গা করে নিয়েছে। বিশেষ করে ‘বোঝেনা সে বোঝেনা’, ‘পিয়া রে’ এবং ‘মন মানে না’ গানগুলো আজও শ্রোতাদের কাছে অত্যন্ত জনপ্রিয়। এক সাক্ষাৎকারে তিনি জানিয়েছিলেন যে, বাংলা ও আসামের আঞ্চলিক সংস্কৃতিকে তিনি সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেন এবং নিজেকে ‘আধা বাঙালি’ হিসেবে পরিচয় দিতেই স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করতেন।
সংগীতের পাশাপাশি অভিনয় ও চলচ্চিত্র নির্মাণেও সমান দক্ষতা দেখিয়েছেন জুবিন। তার অভিনীত শেষ সিনেমা ‘রই রই বিনালে’ মৃত্যুর কয়েক মাস পর মুক্তি পায়। এদিকে, জুবিনের মৃত্যুকে ঘিরে এখনো তদন্ত ও আইনি প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। সব প্রতিকূলতা পেরিয়ে তার সৃষ্টি ও কালজয়ী গানের মধ্য দিয়ে তিনি ভক্তদের মাঝে আজও অমর হয়ে আছেন।
সম্পাদক ও প্রকাশক: মাহের আহমেদ, প্রধান সম্পাদক: মোঃ মোত্তালিব সরকার। প্রকাশক কর্তৃক ৫৫০বি, হজ্জ ক্যাম্প রোড, আশকোনা, দক্ষিণখান, ঢাকা-১২৩০, বাংলাদেশ থেকে প্রকাশিত। সম্পাদকীয়, বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় (ঢাকা) : ৫৫০বি, হজ্জ ক্যাম্প রোড, আশকোনা, দক্ষিণখান, ঢাকা-১২৩০, বাংলাদেশ। আঞ্চলিক কার্যালয় (বগুড়া): টোলারগেট, শেরপুর–৫৮৪০, শেরপুর, বগুড়া। অফিস: ০১৭৭৬-১৩৬০৫০ (হোয়াটসঅ্যাপ), বিজ্ঞাপন: ০৯৬৯৭-৫৪৪৮২৭। ই-মেইল: dailyjokhonsomoy@gmail.com।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের তথ্য মন্ত্রনালয়ের বিধি মোতাবেক নিবন্ধনের জন্য আবেদিত ©সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © দৈনিক যখন সময় ২০২২