
ভারতের কংগ্রেস নেত্রী সোনিয়া গান্ধীর আসন্ন স্মৃতিকথা ‘বিলংগিং: আ জার্নি অব লাভ’ নিয়ে নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করেছে প্রকাশনা সংস্থা পেঙ্গুইন র্যান্ডম হাউস ইন্ডিয়া। প্রতিষ্ঠানটি জানিয়েছে, তারা ভারতে এই বইটির প্রকাশক নয়। বইটির প্রকাশনা থেকে তাদের সরে দাঁড়ানোর কারণ হিসেবে সম্পাদকীয় পরিবর্তনে সোনিয়া গান্ধীর অসম্মতিকে দায়ী করে যে খবর ছড়িয়েছে, তা সঠিক নয় বলে দাবি করেছে তারা।
পেঙ্গুইন র্যান্ডম হাউস ইন্ডিয়ার এক বিবৃতিতে বলা হয়, একজন প্রকাশক হিসেবে লেখকের তথ্য যাচাই করা এবং বইয়ের স্বার্থে প্রয়োজনীয় পরামর্শ দেয়া তাদের অধিকার ও দায়িত্বের অংশ। এটি প্রকাশনা প্রক্রিয়ার স্বাভাবিক নিয়ম। তবে সোনিয়া গান্ধীর সঙ্গে আলোচনায় ঠিক কী হয়েছিল, সে বিষয়ে বিস্তারিত জানাতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে প্রকাশনা সংস্থাটি। তারা জানিয়েছে, আলোচনার পুরো সময়জুড়েই বইটি প্রকাশের বিষয়ে তাদের আগ্রহ ও প্রস্তুতি ছিল, তবে লেখকের সঙ্গে হওয়া গোপনীয় আলোচনার বিষয়ে তারা আর কোনো মন্তব্য করবে না।
পেঙ্গুইন বইটি প্রকাশ না করায় এখন অন্যান্য প্রকাশনা সংস্থা এর স্বত্ব পাওয়ার দৌড়ে নেমেছে। এর মধ্যে হার্পারকলিন্স চুক্তি চূড়ান্ত করার কাছাকাছি রয়েছে বলে খবর পাওয়া গেছে।
এদিকে, পেঙ্গুইন র্যান্ডম হাউসেরই একটি ইমপ্রিন্ট প্রতিষ্ঠান আলফ্রেড এ. নফ ঘোষণা করেছে যে, সোনিয়া গান্ধীর স্মৃতিকথাটি আগামী ১০ই নভেম্বর প্রকাশিত হবে। বইটি প্রসঙ্গে সোনিয়া গান্ধী এক বিবৃতিতে বলেন, তার পরিবার নিয়ে অনেক কিছু লেখা হলেও, পরিবারের সদস্যদের কর্মকাণ্ড ও উদ্দেশ্যের সত্যিকারের চিত্র খুব কমই উঠে এসেছে। তার ভাষায়, এই বইটি তাদের মানবিকতার প্রতি একটি শ্রদ্ধাঞ্জলি। তিনি আরও উল্লেখ করেন, গত ছয় দশকের ভারতীয় সমাজ ও রাজনীতির পরিবর্তনের একটি অনন্য দৃষ্টিভঙ্গি পাঠকরা এই বইয়ে পাবেন।
স্মৃতিকথায় সোনিয়া গান্ধী তার জীবনের গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়গুলো তুলে ধরেছেন। ১৯৮৪ সালে ইন্দিরা গান্ধীর হত্যাকাণ্ড এবং ১৯৯১ সালে স্বামী রাজীব গান্ধীর হত্যাকাণ্ডের মতো ঘটনা তার ব্যক্তিগত জীবনকে বদলে দিয়েছিল। তিনি জানান, প্রিয়জন হারানোর অভিজ্ঞতাই তাকে রাজনীতির প্রকাশ্য জগতে ঠেলে দিয়েছিল, যদিও তার আগে তিনি ব্যক্তিগত জীবনকে কঠোরভাবে আড়াল করে রেখেছিলেন। নিজের জীবন নিয়ে লেখা তার জন্য সহজ ছিল না উল্লেখ করে সোনিয়া গান্ধী বলেন, ইতালি থেকে ভারতে আসার পর রাজীব গান্ধীর স্ত্রী এবং ইন্দিরা গান্ধীর পুত্রবধূ হিসেবে কাটানো ঘটনাবহুল জীবনই এই বইয়ের মূল উপজীব্য।
সম্পাদক ও প্রকাশক: মাহের আহমেদ, প্রধান সম্পাদক: মোঃ মোত্তালিব সরকার। প্রকাশক কর্তৃক ৫৫০বি, হজ্জ ক্যাম্প রোড, আশকোনা, দক্ষিণখান, ঢাকা-১২৩০, বাংলাদেশ থেকে প্রকাশিত। সম্পাদকীয়, বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় (ঢাকা) : ৫৫০বি, হজ্জ ক্যাম্প রোড, আশকোনা, দক্ষিণখান, ঢাকা-১২৩০, বাংলাদেশ। আঞ্চলিক কার্যালয় (বগুড়া): টোলারগেট, শেরপুর–৫৮৪০, শেরপুর, বগুড়া। অফিস: ০১৭৭৬-১৩৬০৫০ (হোয়াটসঅ্যাপ), বিজ্ঞাপন: ০৯৬৯৭-৫৪৪৮২৭। ই-মেইল: dailyjokhonsomoy@gmail.com।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের তথ্য মন্ত্রনালয়ের বিধি মোতাবেক নিবন্ধনের জন্য আবেদিত ©সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © দৈনিক যখন সময় ২০২২