
১৯৯৯ সালের ২৫ জুন মুক্তি পাওয়া কিংবদন্তি পরিচালক কাজী হায়াতের অন্যতম সফল সিনেমা ‘আম্মাজান’। সম্প্রতি নিজের অফিশিয়াল ফেসবুক পেজে প্রকাশিত এক ভিডিও কনটেন্টে সিনেমাটির নির্মাণের পেছনের নানা অজানা ও মজার তথ্য তুলে ধরেছেন তিনি। পরিচালক জানান, সিনেমাটি মুক্তির আগের দিনই ১ কোটি ৪ লাখ টাকা আয় করে ফেলেছিল, যা তৎকালীন সময়ে চলচ্চিত্রের জন্য একটি বড় রেকর্ড।
কাজী হায়াৎ বলেন, ‘আম্মাজান আমার জীবনের সবচেয়ে ব্যবসা সফল ছবি। শুক্রবার ছবিটির রিলিজ ছিল। বৃহস্পতিবার রাত ১২টায় সব প্রিন্ট হলে পৌঁছে দিয়ে ঘরে ফেরার পর দেখি ২ লাখ টাকা লাভ। অর্থাৎ ১ কোটি ২ লাখ টাকা খরচে নির্মিত এই সিনেমা থেকে ১ কোটি ৪ লাখ টাকা ডিপজল বস্তায় ভরে নিয়ে গেলেন।’
সিনেমাটির কাস্টিং নিয়েও ছিল নানা নাটকীয়তা। কাজী হায়াৎ জানান, আম্মাজান চরিত্রে কিংবদন্তি অভিনেত্রী সাবানার অভিনয় করার কথা থাকলেও শেষ পর্যন্ত তিনি ‘মান্নার মা’ হিসেবে পর্দায় আসতে রাজি হননি। পরবর্তীতে শবনম এই নামভূমিকায় অভিনয় করেন। এছাড়া শুরুতে নায়ক মান্নাকে নিতে চাননি ডিপজল, কারণ তাদের মধ্যে ব্যক্তিগত বিরোধ ছিল। তবে ভালো গল্পের কথা শুনলে মান্না নিজে থেকেই ডিপজলের কাছে ছুটে আসতেন। শেষ পর্যন্ত কাজী হায়াতের অনুরোধেই ডিপজল মান্নাকে নিয়ে কাজ করতে রাজি হন।
শুটিংয়ের সময়ও মান্না ও ডিপজলের মধ্যে দ্বন্দ্বের ঘটনা ঘটে। একটি নির্দিষ্ট ভবন ব্যবহারের তাড়া থাকায় ডিপজল মান্নাকে দুই ঘণ্টা বেশি শুটিং করার অনুরোধ করেছিলেন। কিন্তু মান্না রাজি না হওয়ায় ডিপজল রাগে শুটিং বন্ধ করে দেন। পরে দুই মাস পর মান্না দুঃখ প্রকাশ করলে পুনরায় শুটিং শুরু হয় বলে ডিপজলের একটি পুরোনো সাক্ষাৎকারে জানা যায়।
সম্পাদক ও প্রকাশক: মাহের আহমেদ, প্রধান সম্পাদক: মোঃ মোত্তালিব সরকার। প্রকাশক কর্তৃক ৫৫০বি, হজ্জ ক্যাম্প রোড, আশকোনা, দক্ষিণখান, ঢাকা-১২৩০, বাংলাদেশ থেকে প্রকাশিত। সম্পাদকীয়, বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় (ঢাকা) : ৫৫০বি, হজ্জ ক্যাম্প রোড, আশকোনা, দক্ষিণখান, ঢাকা-১২৩০, বাংলাদেশ। আঞ্চলিক কার্যালয় (বগুড়া): টোলারগেট, শেরপুর–৫৮৪০, শেরপুর, বগুড়া। অফিস: ০১৭৭৬-১৩৬০৫০ (হোয়াটসঅ্যাপ), বিজ্ঞাপন: ০৯৬৯৭-৫৪৪৮২৭। ই-মেইল: dailyjokhonsomoy@gmail.com।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের তথ্য মন্ত্রনালয়ের বিধি মোতাবেক নিবন্ধনের জন্য আবেদিত ©সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © দৈনিক যখন সময় ২০২২