বিশ্ব মানসিক স্বাস্থ্য দিবস উপলক্ষ্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে (ঢাবি) একটি বর্ণাঢ্য দাবা প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়েছে। ব্রাইটার টুমোরো ফাউন্ডেশন (বিটিএফ) ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় দাবা ক্লাব (ডিইউসিসি) যৌথভাবে শুক্রবার (৯ অক্টোবর) বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্রের (টিএসসি) মিলনায়তনে ‘বিটিএফ-ডিইউসিসি ফিদে র্যাপিড রেটেড চেস চ্যাম্পিয়নশিপ ২০২৬’ শিরোনামে এই প্রতিযোগিতার আয়োজন করে। এতে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণ করেন।
তরুণদের মধ্যে দাবা খেলার প্রসার ঘটানো, মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং ইতিবাচক চিন্তার বিকাশের লক্ষ্য নিয়ে দিনব্যাপী এই আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে ব্রাইটার টুমোরো ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি জয়শ্রী জামান সভাপতিত্ব করেন। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ দাবা ফেডারেশনের সহসভাপতি ও ডিআইজি ড. শোয়েব রিয়াজ আলম, ফেডারেশনের সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক ফিদে মাস্টার মেহেদী হাসান পরাগ, ইনার হুইল ক্লাব অব লবেলিয়ার প্রেসিডেন্ট সাজেদা আক্তার, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় দাবা ক্লাবের সভাপতি ফারিহা সুমনা এবং মানসিক স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ ড. ফারজানা রহমান। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন ক্লাবটির সাধারণ সম্পাদক মো. সাজিদুল ইসলাম।
সভাপতির বক্তব্যে জয়শ্রী জামান বলেন, খেলাধুলা ও সংস্কৃতিচর্চা মানুষের মানসিক সুস্থতার জন্য অত্যন্ত জরুরি। তিনি শিক্ষার্থীদের পরামর্শ দিয়ে বলেন, জীবনের কঠিন সিদ্ধান্তগুলো দাবার চালের মতোই ভেবেচিন্তে নেওয়া উচিত। মানসিক কষ্ট একা চেপে না রেখে অন্যদের সাথে শেয়ার করার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, মনের কষ্ট চেপে রাখলে ক্ষতি হয়, তাই তা শেয়ার করলে মন হালকা হয়।
মানসিক স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ ড. ফারজানা রহমান বলেন, দাবা খেলা মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা ও মনোযোগ বৃদ্ধিতে সহায়তা করে, যা মানসিক সুস্থতা বজায় রাখতে ভূমিকা রাখে। ইনার হুইল ক্লাব অব লবেলিয়ার প্রেসিডেন্ট সাজেদা আক্তার শিক্ষার্থীদের অতিরিক্ত মোবাইল আসক্তি ও প্রযুক্তিগত চ্যালেঞ্জ থেকে দূরে থাকতে সৃজনশীল কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত হওয়ার আহ্বান জানান।
প্রতিযোগিতাটি বিশ্ববিদ্যালয় এবং স্কুল-কলেজ—এই দুই বিভাগে অনুষ্ঠিত হয়। বিশ্ববিদ্যালয় বিভাগে চ্যাম্পিয়ন হয়েছেন সুব্রত বিশ্বাস, প্রথম রানারআপ মোহাম্মদ শফিকুল ইসলাম এবং দ্বিতীয় রানারআপ অমিত বিক্রম রায়। স্কুল-কলেজ বিভাগে চ্যাম্পিয়ন হয়েছেন রায়ান রশিদ মুগ্ধ, প্রথম রানারআপ মো. আজমাঈন পারভেজ সায়র এবং দ্বিতীয় রানারআপ সাফায়াত কিবরিয়া আজান। প্রতিটি বিভাগে সেরা ১০ জনকে পুরস্কৃত করা হয়। প্রথম তিন স্থান অধিকারীদের যথাক্রমে ৮ হাজার, ৬ হাজার ও ৫ হাজার টাকা, চতুর্থ ও পঞ্চম স্থান অধিকারীদের ৩ হাজার টাকা করে প্রদান করা হয়। ষষ্ঠ থেকে দশম স্থান অধিকারীরা পদক লাভ করেন। আয়োজকেরা ভবিষ্যতে এ ধরনের সচেতনতামূলক কার্যক্রম অব্যাহত রাখার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।
ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধের জেরে জ্বালানির দাম বাড়ায় মার্কিন জনগণের ভোগান্তির জন্য ট্রাম্পকে দুষলেন ডেমোক্র্যাটরা। রাশিয়ার…
ভারতের বিরোধী জোট ‘ইন্ডিয়া’র সংসদ সদস্যদের উদ্দেশে রাহুল গান্ধী বলেছেন, চলমান আন্দোলন ও চাপ অব্যাহত…
দিনাজপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে তীব্র জনবল সংকট, প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতির অচলাবস্থা এবং ধারণক্ষমতার কয়েকগুণ বেশি রোগীর…
২০২৬ সালের নোবেল শান্তি পুরস্কার পেয়েছেন দক্ষিণ আফ্রিকার বিশিষ্ট মানবাধিকার আইনজীবী ও বিচারক নাভানেথেম ‘নাভি’…
বিগত ফ্যাসিবাদী সরকারের আমলে শিক্ষাব্যবস্থাকে ধ্বংস করা হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল…
জামালপুরের মাদারগঞ্জে নতুন দুটি কূপ খননের উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম এক্সপ্লোরেশন অ্যান্ড প্রোডাকশন কোম্পানি লিমিটেড…
This website uses cookies.