সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় চূড়ান্তভাবে সুপারিশপ্রাপ্ত হওয়ার পরও ভেরিফিকেশনের কারণে প্রায় দেড় হাজার প্রার্থীর নিয়োগপত্র ইস্যু হয়নি। এই পরিস্থিতিতে নিয়োগবঞ্চিত প্রার্থীরা তাদের বাদ পড়ার কারণ প্রকাশসহ পাঁচ দফা দাবি জানিয়েছেন। সুপারিশপ্রাপ্ত প্রার্থীদের প্ল্যাটফর্ম ‘কেন্দ্রীয় প্যানেল প্রাইমারি ২০২৫’ শনিবার গণমাধ্যমে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এই দাবিগুলো তুলে ধরে।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় সহকারী শিক্ষক নিয়োগ-২০২৫ প্রক্রিয়ায় চূড়ান্তভাবে সুপারিশপ্রাপ্ত হওয়ার পর আট মাসের দীর্ঘ অপেক্ষা ও প্রশাসনিক টালবাহানার শিকার হয়েছেন প্রার্থীরা। কোনো সুস্পষ্ট কারণ ছাড়াই ভেরিফিকেশনের দোহাই দিয়ে প্রায় ১৫০০ যোগ্য প্রার্থীকে তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে, যা চরম অব্যবস্থাপনার নজির। প্রার্থীরা এই সিদ্ধান্তের তীব্র ক্ষোভ ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, কোনো সুনির্দিষ্ট কারণ না জানিয়ে এভাবে তালিকা থেকে বাদ দেওয়া অমানবিক এবং প্রার্থীদের মৌলিক অধিকারের পরিপন্থী। আট মাস ধরে এই নিয়োগের অপেক্ষায় থাকা অনেক প্রার্থী অন্য চাকরির সুযোগ ত্যাগ করেছেন, অনেকে পূর্বের চাকরি ছেড়ে দিয়েছেন। কেউ কেউ বয়সের কারণে নতুন সরকারি চাকরির আবেদনের সুযোগও হারিয়েছেন। এই অনিশ্চয়তায় অনেক পরিবার মানসিকভাবে বিপর্যস্ত ও আর্থিক সংকটের মুখে পড়েছে।
প্রার্থীদের পাঁচ দফা দাবির মধ্যে রয়েছে: ভেরিফিকেশনে বাদ পড়া প্রার্থীদের নথি অবিলম্বে নিরপেক্ষ ও স্বচ্ছ প্রক্রিয়ায় পুনঃযাচাই করা; তথ্যগত ভুলের শিকার প্রার্থীদের আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ ও প্রশাসনিক আপিলের ব্যবস্থা রাখা; দাপ্তরিক ভুল বা গাফিলতির কারণে বাদ পড়লে তা সংশোধন করে নিয়োগ নিশ্চিত করা; চূড়ান্তভাবে সুপারিশপ্রাপ্ত কিন্তু নিয়োগপত্র না পাওয়া প্রার্থীদের বিষয়ে ২৮ সেপ্টেম্বরের মধ্যে ইতিবাচক ব্যবস্থা গ্রহণ এবং পুরো নিয়োগ প্রক্রিয়ায় কতজন কেন বাদ পড়লেন তার সুস্পষ্ট ব্যাখ্যা জনসম্মুখে প্রকাশ করা।
কর্তৃপক্ষের প্রতি হুঁশিয়ারি দিয়ে বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, যোগ্য প্রার্থীদের প্রাপ্য নিয়োগপত্র ফিরিয়ে দিতে হবে। অন্যথায় অধিকার আদায়ের সংগ্রাম আরও কঠিন পথে যাবে। প্রার্থীরা জানিয়েছেন, তারা রাজপথে নামতে চান না, তবে দাবি না মানলে রাজপথে নামার পরিস্থিতি তৈরি হবে। তারা শ্রেণিকক্ষকেই শিক্ষকদের প্রকৃত কর্মক্ষেত্র হিসেবে উল্লেখ করে আলোচনার মাধ্যমে সংকটের সমাধানের আহ্বান জানিয়েছেন।
উল্লেখ্য, গত ৯ জানুয়ারি দেশের ৬১ জেলায় সহকারী শিক্ষক নিয়োগের লিখিত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয় এবং ৮ ফেব্রুয়ারি চূড়ান্ত ফল প্রকাশ করা হয়। এতে ১৪ হাজার ৩৮৪ জন প্রার্থীকে নিয়োগের জন্য প্রাথমিকভাবে নির্বাচন করা হয়েছিল।
এত উত্তীর্ণ ৬৯ হাজার ২৬৫ জন প্রার্থীকে মৌখিক পরীক্ষার জন্য নির্বাচিত করা হয়।
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় গেট এলাকা থেকে ককটেল বিস্ফোরণ ও ব্যানার লাগানোর পরিকল্পনার অভিযোগে নিষিদ্ধ ঘোষিত…
এশিয়ান গেমস ক্রিকেটের কোয়ার্টার ফাইনালের লাইনআপ চূড়ান্ত হয়েছে। গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়ে শেষ আটে জায়গা করে…
ভোলার দৌলতখানে চাঞ্চল্যকর লিটন নায়েব হত্যা মামলার প্রধান আসামিদের ফাঁসির দাবিতে মানববন্ধন ও সংবাদ সম্মেলন…
নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় মালেহা মহিলা মাদরাসার ছাদে খেলার সময় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে পাঁচ ছাত্রী দগ্ধ হয়েছে। বর্তমানে…
রাজধানীর মিরপুরে ৫০ বছরের পুরোনো স্বাস্থ্যকেন্দ্র রাড্ডা এমসিএইচ-এফপি সেন্টার গুঁড়িয়ে দিয়ে দখলের ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ…
রাজধানীর গুলিস্তানে জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের (জাসদ) প্রধান কার্যালয়ে অভিযান চালিয়ে ২৮৯ জনকে আটক করা হয়েছে।…
This website uses cookies.