চব্বিশের বিপ্লব-পরবর্তী দেশের পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে নতুন করে আলোচনার কেন্দ্রে উঠে আসে ছাত্র সংসদ নির্বাচন। সাধারণ শিক্ষার্থী ও ছাত্র সংগঠনগুলোর ব্যাপক দাবির প্রেক্ষিতে অন্তর্বর্তী সরকারের সময় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন অচল ছাত্র সংসদগুলো চালুর উদ্যোগ নেয়। এরই অংশ হিসেবে গত বছর পর্যায়ক্রমে পাঁচটি ছাত্র সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। বর্তমানে এই পাঁচটি সংসদের মধ্যে চারটির মেয়াদ আগামী সেপ্টেম্বর-অক্টোবর মাসে এবং একটির মেয়াদ আগামী বছরের জানুয়ারি মাসে শেষ হতে যাচ্ছে।
দীর্ঘদিন পর ফ্যাসিবাদমুক্ত ক্যাম্পাসে নির্বাচিত ছাত্র সংসদগুলো শিক্ষার্থীদের মাঝে বেশ উৎসাহ-উদ্দীপনা সৃষ্টি করেছিল। তবে এসব ছাত্র সংসদের মেয়াদ শেষে যথাসময়ে পরবর্তী নির্বাচন হওয়া নিয়ে সংশ্লিষ্ট মহলে শঙ্কা ও অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে বিষয়টি নিয়ে ছাত্রনেতারা দাবি ও আলোচনা শুরু করেছেন। তাছাড়া নানা অজুহাতে আটকে থাকা চারটি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র সংসদ নির্বাচন এখনো আলোর মুখ দেখেনি, যা নিয়ে শিক্ষার্থীদের মাঝে ক্ষোভ ও হতাশা বিরাজ করছে।
বর্তমানে দায়িত্বে থাকা পাঁচ বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র সংসদ নেতারা তাদের প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী ক্যাম্পাসের সার্বিক উন্নয়ন ও শিক্ষার্থীদের প্রত্যাশা পূরণে সর্বোচ্চ চেষ্টা চালাচ্ছেন বলে জানা গেছে। তাদের বিভিন্ন উদ্যোগ সংশ্লিষ্ট মহলে বেশ সাড়াও ফেলেছে। তবে কিছু ক্ষেত্রে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের বাধা ও অসহযোগিতার কারণে পরিকল্পনা বাস্তবায়নে ছাত্র সংসদগুলো জটিলতার মুখে পড়ছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
শিক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশ নিশ্চিত ও নেতৃত্ব তৈরির পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের অধিকার প্রতিষ্ঠায় উচ্চ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ছাত্র সংসদ থাকা জরুরি বলে মনে করেন সংশ্লিষ্টরা। অথচ পতিত ফ্যাসিবাদী সরকারসহ বিভিন্ন সময়ে ছাত্র সংসদ নির্বাচনের ঐতিহ্য যেন হারিয়ে যায়। ঢাবিসহ দেশের নয়টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্র সংসদ নির্বাচনের বিধান চালু আছে। তবে ক্ষমতাসীনদের লেজুড়বৃত্তিক রাজনীতির নানা হিসাব-নিকাশের অঘোষিত কারণে দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ ছিল এই নির্বাচন।
জুলাই বিপ্লব-পরবর্তী সাধারণ শিক্ষার্থী ও প্রায় সব ছাত্রসংগঠনের পক্ষ থেকে এসব ছাত্র সংসদ নির্বাচনের দাবি বেশ জোরদার হয়। তারই প্রেক্ষিতে অনুষ্ঠিত হয় পাঁচ বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র সংসদ নির্বাচন। এতে কয়েকটি পদ ছাড়া সবটাতেই ইসলামী ছাত্রশিবির সমর্থিতরা নিরঙ্কুশ জয়লাভ করে। মেয়াদ শেষে এগুলোর পরবর্তী নির্বাচনকেও বেশ গুরুত্বের সঙ্গে দেখছে সংগঠনটি। তবে এই নির্বাচন নিয়ে সরকারদলীয় ছাত্রসংগঠন ছাত্রদলের তেমন কোনো তৎপরতা দেখা যাচ্ছে না। যদিও সংগঠনটি নিয়মিত ছাত্র সংসদ নির্বাচনের পক্ষে কথা বলার পাশাপাশি আগামীতে জয়লাভের প্রত্যাশার কথা জানিয়েছে।
এ বিষয়ে ছাত্রদলের সাংগঠনিক সম্পাদক আমানউল্লাহ আমান বলেন, ছাত্রদল একটি গণতান্ত্রিক ছাত্রসংগঠন। এর উত্থানই হয়েছে ডাকসুসহ সারাদেশে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ছাত্র সংসদে বিপুল বিজয়ের মধ্যে দিয়ে। গত অন্তর্বর্তী সরকারের সময় যে ছাত্র সংসদের নির্বাচন হয়েছে সেখানে কৌশল-অপকৌশলের খেলায় তারা পরাজিত হয়েছিলেন। তারপরও ছাত্র সংগঠন হিসেবে ছাত্রদল সবসময়ই নিয়মিত ছাত্র সংসদ নির্বাচনের পক্ষে। আগামীর ছাত্র সংসদ নির্বাচনে ছাত্রদল নব্বইয়ের মতো নিরঙ্কুশ বিজয়ী হবে ইনশাআল্লাহ।
প্রকাশ : ২৯ আগস্ট ২০২৬, ০৯: ৩৬আপডেট : ২৯ আগস্ট ২০২৬, ০৯: ৩৯
শিক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশ নিশ্চিত ও নেতৃত্ব তৈরির পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের অধিকার প্রতিষ্ঠায় উচ্চ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ‘ছাত্র সংসদ’ থাকা জরুরি বলে মনে করেন সংশ্লিষ্টরা। অথচ পতিত ফ্যাসিবাদী সরকারসহ বিভিন্ন সময়ে ছাত্রসংসদ নির্বাচনের ঐতিহ্য যেন হারিয়ে যায়। ঢাবিসহ দেশের ৯টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্র সংসদ নির্বাচনের বিধান চালু আছে
হাম একটি অত্যন্ত ছোঁয়াচে ও তীব্র ভাইরাসঘটিত রোগ। সঠিক সময়ে সঠিক চিকিৎসার মাধ্যমে এই রোগ…
তীব্র চাপের মুখে নেপাল সরকার তাদের সিদ্ধান্ত বদলে বিদেশি উদ্ধারকারী দল ও বিশেষজ্ঞদের কাজের অনুমতি…
ইরানের ভারপ্রাপ্ত প্রতিরক্ষামন্ত্রী ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মাজিদ ইবনে-রেজা সতর্ক করে বলেছেন, অতর্কিত হামলা চালিয়ে পার পাওয়ার…
ভেনেজুয়েলার মোট তেল মজুতের এক-পঞ্চমাংশ বা ৬৫ বিলিয়ন ব্যারেল তেলের নিয়ন্ত্রণ নিতে যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। শুক্রবার…
আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের ইন্টার্নশিপ অনুমোদনের ক্ষেত্রে কঠোর বিধিনিষেধ আরোপ করতে যাচ্ছে ট্রাম্প প্রশাসন। নিয়ম অমান্য করলে…
চুল পড়া রোধে অনেকেই নানামুখী যত্ন নেন, তবে অতিরিক্ত চুল ঝরে পড়ার পেছনে হরমোনজনিত সমস্যা…
This website uses cookies.