
একাদশ শ্রেণিতে শিক্ষার্থী ভর্তির প্রচলিত নিয়মে বড় ধরনের পরিবর্তন আনতে যাচ্ছে সরকার। নতুন ভর্তি নীতিমালা অনুযায়ী, শিক্ষার্থীরা এখন থেকে ভর্তির জন্য একবারই আবেদনের সুযোগ পাবেন। আগের মতো পছন্দের কলেজ পরিবর্তনের জন্য মাইগ্রেশনের কোনো সুযোগ আর থাকছে না। তবে এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল পুনর্নিরীক্ষার পর যদি কোনো শিক্ষার্থীর ফলাফল পরিবর্তিত হয়, তবে তাদের জন্য পুনরায় আবেদনের বিশেষ সুযোগ রাখা হয়েছে।
শিক্ষা মন্ত্রণালয়, শিক্ষা বোর্ড এবং বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে গঠিত ভর্তি নীতিমালা কমিটির বৈঠকে এসব সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। নীতিমালাটি চূড়ান্ত হওয়ার পর মন্ত্রণালয় তা আনুষ্ঠানিকভাবে জারি করবে। নতুন নিয়মে শিক্ষার্থীরা প্রথম ধাপেই তাদের পছন্দের কলেজগুলো বেছে নিতে পারবেন। একজন শিক্ষার্থী ন্যূনতম পাঁচটি এবং সর্বোচ্চ ১০টি কলেজ পছন্দ করতে পারবেন। এরপর জিপিএ ও পছন্দের ভিত্তিতে আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটি কলেজ নির্ধারণ করবে।
দীর্ঘদিনের সেশনজট নিরসনে এবার উচ্চ মাধ্যমিকের একাডেমিক কার্যক্রম দ্রুত শুরু করার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। পরিকল্পনা অনুযায়ী, সেপ্টেম্বরের শুরুতেই অনলাইনে আবেদন গ্রহণ শুরু হবে এবং সেপ্টেম্বরের তৃতীয় সপ্তাহ থেকে ক্লাস শুরু করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। এবার রেকর্ড সংখ্যক প্রায় ১৩ লাখ শিক্ষার্থী এসএসসি পরীক্ষার খাতা পুনর্নিরীক্ষার আবেদন করেছেন। উত্তরপত্র পুনর্মূল্যায়নের বিষয়টি একটি চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখছেন আন্তঃশিক্ষা বোর্ডের সমন্বয়ক ও ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক সৈয়দ আকতারুজ্জামান। তিনি জানান, দ্রুত ফলাফল প্রকাশের জন্য প্রয়োজনীয় লোকবল নিয়োগের কাজ চলছে।
যারা প্রথম ধাপে আবেদন করেননি, কলেজ পাননি কিংবা কলেজ পাওয়ার পরও নিশ্চয়ন করেননি, তারাও দ্বিতীয়বার আবেদনের সুযোগ পাবেন। এছাড়া পুনর্নিরীক্ষার পর ফল পরিবর্তন হওয়া শিক্ষার্থীদের ক্ষেত্রে বিশেষ ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে। তাদের পছন্দের কলেজে ভর্তির বিষয়টি নিশ্চিত করতে প্রয়োজন অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট কলেজের আসন সংখ্যা বৃদ্ধি করা হবে। যদি কোনো শিক্ষার্থী প্রথম ধাপে একটি কলেজে ভর্তি হওয়ার পর ফল পরিবর্তনের কারণে অন্য কলেজে সুযোগ পান, তবে আগের কলেজকে তার কাছ থেকে নেয়া ভর্তি বাবদ অর্থ ফেরত দিতে হবে। দেশে সাধারণ কলেজ, মাদ্রাসা ও কারিগরি প্রতিষ্ঠান মিলিয়ে উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ে প্রায় সাড়ে ২৭ লাখ আসন রয়েছে, যেখানে উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীর সংখ্যা ১১ লাখের কিছু বেশি। ফলে সামগ্রিক আসনের সংকট না থাকলেও পছন্দের প্রতিষ্ঠানে ভর্তি নিয়ে প্রতিযোগিতার গুরুত্ব এবার আরও বাড়বে।
সম্পাদক ও প্রকাশক: মাহের আহমেদ, প্রধান সম্পাদক: মোঃ মোত্তালিব সরকার। প্রকাশক কর্তৃক ৫৫০বি, হজ্জ ক্যাম্প রোড, আশকোনা, দক্ষিণখান, ঢাকা-১২৩০, বাংলাদেশ থেকে প্রকাশিত। সম্পাদকীয়, বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় (ঢাকা) : ৫৫০বি, হজ্জ ক্যাম্প রোড, আশকোনা, দক্ষিণখান, ঢাকা-১২৩০, বাংলাদেশ। আঞ্চলিক কার্যালয় (বগুড়া): টোলারগেট, শেরপুর–৫৮৪০, শেরপুর, বগুড়া। অফিস: ০১৭৭৬-১৩৬০৫০ (হোয়াটসঅ্যাপ), বিজ্ঞাপন: ০৯৬৯৭-৫৪৪৮২৭। ই-মেইল: dailyjokhonsomoy@gmail.com।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের তথ্য মন্ত্রনালয়ের বিধি মোতাবেক নিবন্ধনের জন্য আবেদিত ©সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © দৈনিক যখন সময় ২০২২