প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম। বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে এই দ্বিপক্ষীয় বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে উপাচার্যের সঙ্গে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাদা দলের আহ্বায়ক, সিন্ডিকেট সদস্য ও মার্কেটিং বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. মোর্শেদ হাসান খান উপস্থিত ছিলেন।
সাক্ষাৎকালে উপাচার্য ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের সার্বিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের চলমান বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের অগ্রগতি সম্পর্কে প্রধানমন্ত্রীকে অবহিত করেন। এছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও গবেষণা কার্যক্রমের মানোন্নয়ন, প্রস্তাবিত ২০ বছর মেয়াদি একাডেমিক ডেভেলপমেন্ট প্ল্যান এবং ইন্ডাস্ট্রি-একাডেমিয়া সম্পর্ক জোরদারে নেওয়া নানা পদক্ষেপের কথা তুলে ধরেন। একই সঙ্গে বিশ্বের খ্যাতনামা বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে যৌথ শিক্ষা কার্যক্রম ও শিক্ষার্থীদের কল্যাণে নেওয়া সাম্প্রতিক উদ্যোগগুলোর বিষয়েও তিনি আলোচনা করেন।
বৈঠকে উপাচার্য মহান ভাষা আন্দোলন, মহান মুক্তিযুদ্ধ এবং ২০২৪ সালের বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনসহ দেশের সব গণতান্ত্রিক আন্দোলনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ঐতিহাসিক ও গৌরবময় অবদানের কথা স্মরণ করিয়ে দেন। এসব অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কে বিশেষ মর্যাদা প্রদানের জন্য তিনি প্রধানমন্ত্রীর সহযোগিতা প্রত্যাশা করেন।
পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণা তহবিল বৃদ্ধি, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই), তৃতীয় ভাষা, জীববিজ্ঞান, জীবপ্রযুক্তি ও রোবোটিক্সের মতো আধুনিক বিষয়ে শিক্ষা ও গবেষণার প্রসারে সরকারের সহযোগিতা কামনা করেন উপাচার্য। বিভিন্ন শিল্পপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের ইন্টার্নশিপের সুযোগ সৃষ্টি এবং আবাসিক হল ও বিভাগগুলোতে সহশিক্ষামূলক কার্যক্রম জোরদার করার বিষয়েও তিনি প্রধানমন্ত্রীর সহায়তা চান।
জবাবে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্বিক উন্নয়নে সরকারের পক্ষ থেকে সব ধরনের সহযোগিতার আশ্বাস দেন। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের বৃহৎ উন্নয়ন প্রকল্পসমূহ বাস্তবায়ন এবং বিশেষ মর্যাদা প্রদানের বিষয়টি ইতিবাচকভাবে বিবেচনার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কে আন্তর্জাতিক র্যাঙ্কিংye একটি সম্মানজনক অবস্থানে নিয়ে যেতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। এ সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষার্থীদের (অ্যালামনাই) সহযোগিতা নিয়ে প্রতিষ্ঠানটিকে এগিয়ে নেওয়ার ওপর জোর দেন তিনি।
সাক্ষাৎতের শেষ পর্যায়ে উপাচার্য আগামী বছরের জানুয়ারিতে অনুষ্ঠিতব্য ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্ভাব্য সমাবর্তন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে যোগ দেওয়ার জন্য প্রধানমন্ত্রীকে আমন্ত্রণ জানান। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এই আমন্ত্রণ সাদরে গ্রহণ করেন এবং সমাবর্তনে অংশ নেওয়ার বিষয়ে সম্মতি প্রকাশ করেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা, গবেষণা ও উন্নয়নে আন্তরিক সহযোগিতার আশ্বাস দেওয়ায় উপাচার্য প্রধানমন্ত্রীর প্রতি বিশেষ ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করেন।
পরিকল্পনা কমিশনের সদস্য (সচিব) ড. নূরুন্নাহার চৌধুরীকে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের নতুন সচিব…
খাদ্যমন্ত্রী আফরোজা খানমকে না জানিয়ে সরকারি সফরসূচি তৈরি করে খাদ্যগুদাম পরিদর্শনে গিয়েছিলেন তাঁর সহকারী একান্ত…
যুক্তরাজ্যের পূর্ব লন্ডনের বাসিন্দা কাশিম চৌধুরী অসুস্থতার অভিনয় করতে মুখে মেকআপ ব্যবহার করতেন। এই কৌশল…
২০২৭ সালের মধ্যে একটি সমন্বিত সড়ক নিরাপত্তা আইন প্রণয়নে বর্তমান সরকার দৃঢ় প্রতিজ্ঞাবদ্ধ বলে জানিয়েছেন…
ভোলার চরফ্যাশন উপজেলার মসজিদের ইমাম মো. রেজাউল কিবরিয়া বাবুল, যিনি নিজ উদ্যোগে প্রায় তিন দশক…
চলতি অক্টোবর মাসের প্রথম ১৩ দিনে দেশে ১৪০ কোটি ৫০ লাখ মার্কিন ডলারের প্রবাসী আয়…
This website uses cookies.