ঢাকা ০৮:৫৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ জুলাই ২০২৬, ২৮ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
চট্টগ্রাম বাদে এইচএসসি পরীক্ষা চলবে পূর্বনির্ধারিত সূচি অনুযায়ী ভিয়েতনামে নৌকাডুবি: ১৫ ভারতীয় পর্যটকের মৃত্যু চট্টগ্রাম ছাড়া সারা দেশে এইচএসসি পরীক্ষা নির্ধারিত সময়েই অনুষ্ঠিত হবে বিএসবি গ্লোবাল নেটওয়ার্কসের মালিকের ৩৩ কোটি টাকার সম্পদ ক্রোকের নির্দেশ বাংলাদেশে বন্যা ও ভূমিধসে প্রাণহানির ঘটনায় পাকিস্তানের শোক নাগরিকত্ব না বদলেই তিন দেশের হয়ে বিশ্বকাপ খেলা সেই তারকা রাজধানীর জলাবদ্ধতা নিরসনে মাঠে ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের রেসপন্স টিম পানিবন্দি মানুষের সুরক্ষায় সর্বোচ্চ সতর্কতার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর ইরানে হামলা চালিয়ে ভুল পথে মার্কিন বাহিনী: তেহরান বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ইরানের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘনের অভিযোগ সৌদি আরবের

ঠাকুরগাঁও প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ছাত্রদের চেয়ে শিক্ষক বেশি

জান্নাতুল ফাহিমা তানহা, নিজেস্ব প্রতিনিধি:
  • আপডেট সময় : ০৮:১২:৩৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ ১৬৭ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
print news

জান্নাতুল ফাহিমা তানহা,
নিজেস্ব প্রতিনিধি:

ঠাকুরগাঁও পীরগঞ্জে মছলন্দপুর রিভারভিউ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ছাত্রদের চেয়ে শিক্ষক বেশি ৩য় শ্রেণীতে ১জন ৪র্থ ১ ছাত্র।

৩ ফেব্রুয়ারী মঙ্গলবার ঠাকুরগাঁও ৬ নং পীরগঞ্জ ইউনিয়নের মসলন্দপুর রিভারভারভিউ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের অনিয়ম পাওয়া গেছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, স্কুলে দেখা যায় স্কুলে একটি ও ছাত্র-ছাত্রী নেই পাঁচজন শিক্ষকের মধ্যে দুইজন শিক্ষক একজন শিক্ষক তার বাচ্চাকে ভাত খাওয়াতে ব্যস্ত আর একজন শিক্ষক শ্রেণিকক্ষের বেঞ্চে বসে ঘুমাচ্ছিল।

এ বিষয়ে কথা বলে জানা যায়, প্রধান শিক্ষক গৌতম চন্দ্র দেব শর্মা তার ব্যক্তিগত কাজে পীরগঞ্জ অবস্থান করছেন, সহকারী শিক্ষক শাহানাজ বেগম ও সাধন চন্দ্র রায়কে স্কুলে পাওয়া যায়নি।

সহকারী শিক্ষক গুলমতি দেবশর্মা জানান, এখন লাঞ্চ টাইম তাই শিক্ষকরা ভাত খেতে গেছে আর অন্যক্ষেত্রে জানা যায় যে, লাঞ্চ টাইমে আমাদের স্কুলের ছাত্র-ছাত্রী থাকে না।

এছাড়াও মসলন্দপুর প্রাথমিক বিদ্যালয় পাঁচজন শিক্ষক থাকলেও তৃতীয় শ্রেণীতেই একজন ছাত্র ও চতুর্থ শ্রেণিতে মাত্র একজন ছাত্র আছে বলে জানা যায়।

তবে প্রধান শিক্ষক গৌতম চন্দ্র দেব শর্মা বলেন, যে স্কুলে ছাত্রছাত্রী না আসলে আমাদের করণীয় তো কিছু নাই, স্কুল ছেড়ে সহকারী শিক্ষক সাধন চন্দ্র রায় এক কিলোমিটার দূরান্ত চা খেতে যায় চা খেয়ে আসে।

সহকারী শিক্ষক সাধন চন্দ্র রায় তিনি বলেন, আমি চা খেতে গিয়েছিলাম এরপর তার সাথে ছাত্র-ছাত্রীর সংখ্যা জানতে চাইতে হলে তিনি উপযুক্ত প্রমাণ দিতে অস্বীকার করেন তিনি মৌখিকভাবে ছাত্র-ছাত্রীদের তালিকা দেন।

একটা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ছাত্র-ছাত্রী আসলে কী কারণে থাকছে না বিষয়টি একান্ত দৃষ্টি কর্তৃপক্ষের প্রয়োজন অথচ আশেপাশে ছাত্র-ছাত্রী কিন্ডার গার্ডেন ও কেজি স্কুলে টাকা দিয়ে পড়তেছেন, তবুও সেই স্কুলে বিনা পয়সায় পড়াশোনা করছেন না।

এর কারণ কি এ নিয়ে এলাকায় চলছে কানাঘুষা, সরকার শিক্ষকদের এত টাকা বেতন দেয়, তবুও স্কুলে ছাত্র-ছাত্রী নেই কেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

 

ঠাকুরগাঁও প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ছাত্রদের চেয়ে শিক্ষক বেশি

আপডেট সময় : ০৮:১২:৩৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
print news

জান্নাতুল ফাহিমা তানহা,
নিজেস্ব প্রতিনিধি:

ঠাকুরগাঁও পীরগঞ্জে মছলন্দপুর রিভারভিউ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ছাত্রদের চেয়ে শিক্ষক বেশি ৩য় শ্রেণীতে ১জন ৪র্থ ১ ছাত্র।

৩ ফেব্রুয়ারী মঙ্গলবার ঠাকুরগাঁও ৬ নং পীরগঞ্জ ইউনিয়নের মসলন্দপুর রিভারভারভিউ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের অনিয়ম পাওয়া গেছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, স্কুলে দেখা যায় স্কুলে একটি ও ছাত্র-ছাত্রী নেই পাঁচজন শিক্ষকের মধ্যে দুইজন শিক্ষক একজন শিক্ষক তার বাচ্চাকে ভাত খাওয়াতে ব্যস্ত আর একজন শিক্ষক শ্রেণিকক্ষের বেঞ্চে বসে ঘুমাচ্ছিল।

এ বিষয়ে কথা বলে জানা যায়, প্রধান শিক্ষক গৌতম চন্দ্র দেব শর্মা তার ব্যক্তিগত কাজে পীরগঞ্জ অবস্থান করছেন, সহকারী শিক্ষক শাহানাজ বেগম ও সাধন চন্দ্র রায়কে স্কুলে পাওয়া যায়নি।

সহকারী শিক্ষক গুলমতি দেবশর্মা জানান, এখন লাঞ্চ টাইম তাই শিক্ষকরা ভাত খেতে গেছে আর অন্যক্ষেত্রে জানা যায় যে, লাঞ্চ টাইমে আমাদের স্কুলের ছাত্র-ছাত্রী থাকে না।

এছাড়াও মসলন্দপুর প্রাথমিক বিদ্যালয় পাঁচজন শিক্ষক থাকলেও তৃতীয় শ্রেণীতেই একজন ছাত্র ও চতুর্থ শ্রেণিতে মাত্র একজন ছাত্র আছে বলে জানা যায়।

তবে প্রধান শিক্ষক গৌতম চন্দ্র দেব শর্মা বলেন, যে স্কুলে ছাত্রছাত্রী না আসলে আমাদের করণীয় তো কিছু নাই, স্কুল ছেড়ে সহকারী শিক্ষক সাধন চন্দ্র রায় এক কিলোমিটার দূরান্ত চা খেতে যায় চা খেয়ে আসে।

সহকারী শিক্ষক সাধন চন্দ্র রায় তিনি বলেন, আমি চা খেতে গিয়েছিলাম এরপর তার সাথে ছাত্র-ছাত্রীর সংখ্যা জানতে চাইতে হলে তিনি উপযুক্ত প্রমাণ দিতে অস্বীকার করেন তিনি মৌখিকভাবে ছাত্র-ছাত্রীদের তালিকা দেন।

একটা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ছাত্র-ছাত্রী আসলে কী কারণে থাকছে না বিষয়টি একান্ত দৃষ্টি কর্তৃপক্ষের প্রয়োজন অথচ আশেপাশে ছাত্র-ছাত্রী কিন্ডার গার্ডেন ও কেজি স্কুলে টাকা দিয়ে পড়তেছেন, তবুও সেই স্কুলে বিনা পয়সায় পড়াশোনা করছেন না।

এর কারণ কি এ নিয়ে এলাকায় চলছে কানাঘুষা, সরকার শিক্ষকদের এত টাকা বেতন দেয়, তবুও স্কুলে ছাত্র-ছাত্রী নেই কেন।