দেশের আর্থিক খাতে সুশাসন প্রতিষ্ঠায় ইনস্টিটিউট অব চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্টস অব বাংলাদেশ (আইসিএবি) নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। প্রকাশ : ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২: ০২। প্রতিষ্ঠানটির প্রেসিডেন্ট সাব্বীর আহমেদ এফসিএ জানিয়েছেন, তারা অডিটের সংখ্যা বাড়ানোর চেয়ে এর গুণগত মান ও অডিটরদের পেশাগত উৎকর্ষ সাধনে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছেন। ১৯৭৩ সালের দ্য বাংলাদেশ চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্টস অর্ডারের অধীনে প্রতিষ্ঠিত এই নিয়ন্ত্রক সংস্থাটি মূলত পেশাদার হিসাববিদ এবং নিরীক্ষা কার্যক্রমের তদারকি করে থাকে।
বর্তমান অর্থনীতির ক্রমবর্ধমান আকার ও ব্যবসার নতুন নতুন ধারার সঙ্গে তাল মিলিয়ে আইসিএবি বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করছে। সাব্বীর আহমেদ বলেন, এন্টারপ্রাইজ রিসোর্স প্ল্যানিং (ইআরপি) সিস্টেম এবং প্রতিনিয়ত পরিবর্তিত রেগুলেশন সম্পর্কে অডিটরদের দক্ষ করে তোলার জন্য কাজ চলছে। অডিট কার্যক্রমে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ব্যবহারের ক্ষেত্রে তিনি সতর্কতার ওপর জোর দিয়েছেন। তার মতে, ডেটা সঠিক না থাকলে এআই ব্যবহারের ফলে হ্যালুসিনেশনের ঝুঁকি থাকে, তাই এটি ব্যবহারের জন্য যথাযথ প্রস্তুতির প্রয়োজন রয়েছে।
অডিট রিপোর্টের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে ২০২০ সালে আইসিএবি নিজ উদ্যোগে ডকুমেন্ট ভেরিফিকেশন সিস্টেম (ডিভিএস) চালু করে। এর আগে একই কোম্পানির জন্য একাধিক আর্থিক প্রতিবেদন তৈরির যে অনিয়ম ছিল, ডিভিএস চালুর ফলে তা অনেকাংশে বন্ধ হয়েছে। এছাড়া কোনো অডিটর বা ফার্ম দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ হলে বা নিয়মের ব্যত্যয় ঘটালে আইসিএবি শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করে থাকে।
ব্যাংকিং খাতের প্রভিশন ঘাটতি প্রসঙ্গে আইসিএবি প্রেসিডেন্ট বলেন, অডিটররা বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেফারেল সুবিধা অনুযায়ী প্রতিবেদন প্রস্তুত করে থাকেন। তবে কোনো অডিটর সঠিক ডিসক্লোজার দিয়েছেন কি না, তা আইসিএবি নিয়মিত পরীক্ষা করে দেখছে। এফআরসি (ফাইন্যান্সিয়াল রিপোর্টিং কাউন্সিল) প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এটি এবং আইসিএবি একে অপরের পরিপূরক হিসেবে কাজ করতে পারে। তবে এফআরসিকে কার্যকর করতে আমলা বা শিক্ষকের পরিবর্তে একজন পেশাদার চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্টকে চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগ দেওয়া প্রয়োজন, যার সততা ও নিরপেক্ষতা নিয়ে কোনো প্রশ্ন নেই। এছাড়া কোম্পানিগুলোর অডিট ফি নির্ধারণ করে দেওয়া হলে আর্থিক খাতে শৃঙ্খলা আরও সুদৃঢ় হবে বলে তিনি মত দেন।
সাব্বীর আহমেদ আরও বলেন, অডিটরদের নিয়ন্ত্রক সংস্থা হিসেবে এফআরসি (ফাইন্যান্সিয়াল রিপোর্টিং কাউন্সিল) প্রতিষ্ঠা বাংলাদেশের জন্য কোন একক ঘটনা নয়। ২০০১ সালে এনরন ও ২০০২ সালে ওয়াল্ডকম নামে দুটি কোম্পানির অডিটরের দায়িত্বে অবহেলার কারণে একটি স্বাধীন ও স্বতন্ত্র রেগুলেটরি অথরিটি গঠনের বিষয়টি আলোচনায় আসে। এরই প্রেক্ষিতে যুক্তরাষ্ট্রে পাবলিক কোম্পানি অ্যাকাউন্টিং ওভারসাইট বোর্ড (পিসিএওবি) গঠিত হয়। যুক্তরাজ্যে এফআরসি গঠিত হয়। বাংলাদেশে বিশ্বব্যাংকের ROSC A&A (Report on the Observance of Standards and Codes – Accounting and Auditing) এর ভিত্তিতে এফআরসি গঠনের সুপারিশ করা হয় এবং ২০১৫ সালে এটি প্রতিষ্ঠা হয়। যদিও জনবল নিয়োগসহ নানা কারণে এখনো এটি পুরোপুরি কার্যক্রম শুরু করতে পারেনি।
প্রতারণা, জালিয়াতি ও অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে করা দুই মামলায় ফুডপান্ডা বাংলাদেশ লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি)…
আসন্ন নির্বাচনকে সামনে রেখে নতুন সদস্য অন্তর্ভুক্তি, বিদ্যমান সদস্যদের তথ্য যাচাই এবং হালনাগাদের জন্য সাত…
স্যাটেলাইট ইন্টারনেট বাজারে স্পেসএক্সের আধিপত্য চ্যালেঞ্জ করতে এয়ারলাইন সেবায় প্রবেশ করছে অ্যামাজন। ২০২৭ সাল থেকে…
নর্থ ওয়েস্টার্ন ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থী আয়মান মো. আজমুল হোসেনকে নির্যাতন করে ভাত খাওয়া ও চুরির স্বীকারোক্তি…
বার্লিন ব্রান্ডেনবার্গ বিমানবন্দরের উত্তর রানওয়ের ওপর ড্রোন দেখা দেওয়ায় বুধবার ৪৫ মিনিটের জন্য আকাশসীমা বন্ধ…
সরকারি হাসপাতালের এক কিলোমিটারের মধ্যে নতুন করে আর কোনো বেসরকারি ক্লিনিক বা ডায়াগনস্টিক সেন্টারের অনুমোদন…
This website uses cookies.