
সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য প্রস্তাবিত নবম জাতীয় পে-স্কেল বাস্তবায়নের পথ আবারও অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। যদিও সচিব কমিটি নতুন এই বেতন কাঠামোর সুপারিশমালার খসড়া প্রায় চূড়ান্ত করে ফেলেছিল, তবে শেষ মুহূর্তে বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিস কমিশনের বেতন কাঠামোর বিষয়টি নিয়ে নতুন জটিলতা দেখা দিয়েছে। এই সার্ভিসের আওতাধীন কর্মকর্তারা তাদের মূল বেতনের সমপরিমাণ অর্থ বা শতভাগ ভাতা দাবি করেছেন, যার ফলে পুরো বিষয়টি পুনরায় পর্যালোচনার জন্য প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে নির্দেশনা এসেছে।
বর্তমান আর্থিক পরিস্থিতি ও উচ্চ মূল্যস্ফীতির বিষয়টি সরকার গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করছে। সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয়ের ওপর পে-স্কেলের প্রভাব এবং সার্বিক আর্থিক সংকটের প্রেক্ষাপটে নতুন বেতন কাঠামো বাস্তবায়ন আরও কিছুটা পিছিয়ে দেওয়া যায় কি না, তা নিয়েও সরকারের ভেতরে চিন্তাভাবনা চলছে। প্রধানমন্ত্রী গত সপ্তাহে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর সঙ্গে এক অনির্ধারিত বৈঠকে নবম পে-স্কেলের আর্থিক প্রভাব, বাস্তবায়নের সময়সূচি এবং বিভিন্ন খাতের বেতনের ভারসাম্য নিয়ে আলোচনা করেছেন। এ সময় তিনি জুডিশিয়াল সার্ভিসের দাবিগুলো পর্যালোচনার পাশাপাশি কোথাও কোনো বৈষম্য বা অসঙ্গতি থাকলে তা দ্রুত সমাধানের নির্দেশ দেন।
এই জটিলতা নিরসনে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর নেতৃত্বে সাত সদস্যের একটি উচ্চপর্যায়ের কমিটি কাজ করছে। এর আগে ১২ আগস্ট একটি বৈঠক ডাকার কথা থাকলেও সদস্যদের অনুপস্থিতির কারণে তা অনুষ্ঠিত হয়নি। তবে কমিটির পরবর্তী বৈঠকে জুডিশিয়াল সার্ভিস পে-কমিশন-২০২৫-এর পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন উপস্থাপন করা হবে। সেখানে বিচারকদের বেতন-ভাতা বর্তমান বাস্তবতার সঙ্গে কতটা সামঞ্জস্যপূর্ণ, নতুন কাঠামো বাস্তবায়নে সরকারের অতিরিক্ত কত অর্থের প্রয়োজন হবে এবং তা কোন পদ্ধতিতে দেওয়া সম্ভব—এসব বিষয় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হবে।
প্রস্তাবিত নতুন কাঠামোয় নিম্ন গ্রেডের কর্মচারীদের বেতন তুলনামূলক বেশি বাড়ানোর সুপারিশ রয়েছে। এছাড়া পুরো বিষয়টি দুই ধাপে বাস্তবায়নের একটি প্রস্তাবও বিবেচনায় রয়েছে, যেখানে প্রথম ধাপে মূল বেতন এবং পরবর্তী বছরে বাড়িভাড়া, চিকিৎসা ও অন্যান্য ভাতা দেওয়ার বিষয়টি প্রাধান্য পেয়েছে।
সম্পাদক ও প্রকাশক: মাহের আহমেদ, প্রধান সম্পাদক: মোঃ মোত্তালিব সরকার। প্রকাশক কর্তৃক ৫৫০বি, হজ্জ ক্যাম্প রোড, আশকোনা, দক্ষিণখান, ঢাকা-১২৩০, বাংলাদেশ থেকে প্রকাশিত। সম্পাদকীয়, বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় (ঢাকা) : ৫৫০বি, হজ্জ ক্যাম্প রোড, আশকোনা, দক্ষিণখান, ঢাকা-১২৩০, বাংলাদেশ। আঞ্চলিক কার্যালয় (বগুড়া): টোলারগেট, শেরপুর–৫৮৪০, শেরপুর, বগুড়া। অফিস: ০১৭৭৬-১৩৬০৫০ (হোয়াটসঅ্যাপ), বিজ্ঞাপন: ০৯৬৯৭-৫৪৪৮২৭। ই-মেইল: dailyjokhonsomoy@gmail.com।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের তথ্য মন্ত্রনালয়ের বিধি মোতাবেক নিবন্ধনের জন্য আবেদিত ©সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © দৈনিক যখন সময় ২০২২