
রাজধানীর সড়কে চলাচলকারী গণপরিবহন ব্যবস্থায় দীর্ঘদিনের সংকট ও অব্যবস্থাপনার কারণে প্রতি চারটি বাসের মধ্যে প্রায় একটি বৈধ ফিটনেস বা ছাড়পত্র ছাড়াই ঝুঁকি নিয়ে যাত্রী পরিবহন করছে। ঢাকা পরিবহন সমন্বয় কর্তৃপক্ষের (ডিটিসিএ) সর্বশেষ তথ্যানুযায়ী, রাজধানীতে অনুমোদিত বাসের সংখ্যা সাত হাজার ৪৩টি। এর মধ্যে নিয়মিত সড়কে চলাচলকারী চার হাজার ৫৪৬টি বাসের মধ্যে এক হাজার ৫৩টিরই কোনো বৈধ ফিটনেস সনদ নেই। অর্থাৎ, রাজধানীর প্রায় ২৩ শতাংশ বাসই কোনো প্রকার বৈধতা ছাড়াই চলছে।
দুর্বল তদারকি, অপরিকল্পিত রুট ব্যবস্থাপনা এবং বাসের অপর্যাপ্ত রক্ষণাবেক্ষণের কারণে এই পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে, যার ফলে প্রতিদিন ডিটিসিএর আওতাধীন এলাকায় চলাচলকারী ৩৭ থেকে ৩৮ লাখ যাত্রী চরম অনিশ্চয়তা ও ঝুঁকির মুখে পড়ছেন। বিআরটিএ-এর বিধিমালা অনুযায়ী একটি গাড়ির ফিটনেস নিশ্চিত করতে ৬৫টি বিষয় পরীক্ষা করার কথা থাকলেও, তার সঠিক বাস্তবায়ন হচ্ছে না বলে অভিযোগ রয়েছে।
বুয়েটের অধ্যাপক ও পরিবহন বিশেষজ্ঞ ড. সামছুল হক বলেন, আমাদের দেশে ফিটনেস সনদ দেওয়ার প্রক্রিয়াটি অনেকাংশেই কাগুজে। নিরপেক্ষ ও কঠোরভাবে যাচাই করা হলে বর্তমানে চলাচলকারী অনেক যানবাহনই এই সনদ পাওয়ার যোগ্য নয়।
এদিকে, রাজধানীর বাস ব্যবস্থায় দীর্ঘমেয়াদী শৃঙ্খলা ফেরাতে কোম্পানিভিত্তিক বাস পরিচালনা ব্যবস্থা চালুর উদ্যোগ নিয়েছে ডিটিসিএ। সংস্থাটির নির্বাহী পরিচালক মোহাম্মদ মসিউর রহমান জানান, ৩২টি প্রধান রুট ও ২৫টি সার্কুলার রুট চিহ্নিত করে নির্ধারিত সময়সূচি, আধুনিক টিকিটিং ব্যবস্থা এবং সমন্বিত পরিচালনা কাঠামোর আওতায় আনার কাজ চলছে।
ঢাকা পরিবহন সমন্বয় কর্তৃপক্ষের (ডিটিসিএ) সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, রাজধানীতে অনুমোদিত বাসের সংখ্যা ৭,০৪৩টি।
এর মধ্যে নিয়মিত সড়কে চলাচলকারী ৪,৫৪৬টি বাসের মধ্যে ১,০৫৩টিরই কোনো বৈধ ফিটনেস সনদ নেই।
সম্পাদক ও প্রকাশক: মাহের আহমেদ, প্রধান সম্পাদক: মোঃ মোত্তালিব সরকার। প্রকাশক কর্তৃক ৫৫০বি, হজ্জ ক্যাম্প রোড, আশকোনা, দক্ষিণখান, ঢাকা-১২৩০, বাংলাদেশ থেকে প্রকাশিত। সম্পাদকীয়, বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় (ঢাকা) : ৫৫০বি, হজ্জ ক্যাম্প রোড, আশকোনা, দক্ষিণখান, ঢাকা-১২৩০, বাংলাদেশ। আঞ্চলিক কার্যালয় (বগুড়া): টোলারগেট, শেরপুর–৫৮৪০, শেরপুর, বগুড়া। অফিস: ০১৭৭৬-১৩৬০৫০ (হোয়াটসঅ্যাপ), বিজ্ঞাপন: ০৯৬৯৭-৫৪৪৮২৭। ই-মেইল: dailyjokhonsomoy@gmail.com।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের তথ্য মন্ত্রনালয়ের বিধি মোতাবেক নিবন্ধনের জন্য আবেদিত ©সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © দৈনিক যখন সময় ২০২২