
পিরোজপুরের নেছারাবাদ (স্বরূপকাঠি) উপজেলায় গৃহবধূ মাকসুদা বেগমকে হত্যার দায়ে তিনজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) দুপুরে পিরোজপুরের জেলা ও দায়রা জজ মো. মজিবুর রহমান এ রায় ঘোষণা করেন।
দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন মঠবাড়িয়া উপজেলার সাফা গ্রামের মৃত আব্দুর রাজ্জাক সিকদারের ছেলে রাজু সিকদার, বরিশালের বানারীপাড়া উপজেলার মলুহার গ্রামের কাঞ্চন ঘরামীর ছেলে মো. ইমরান এবং তার বোন জ্যোৎস্না।
মামলার বিবরণ অনুযায়ী, জ্যোৎস্না নেছারাবাদ উপজেলার রাহুতকাঠী গ্রামের মো. বেল্লাল আকনের বাড়িতে গৃহকর্মীর কাজ করতেন এবং রাজু সিকদার নিজেকে জ্যোৎস্্নার স্বামী পরিচয় দিয়ে ওই বাড়িতে যাতায়াত করতেন। ২০১৮ সালের ২৪ নভেম্বর জ্যোৎস্্নার সঙ্গে বেল্লালের স্ত্রী মাকসুদা বেগমের কথা-কাটাকাটি ও মনোমালিন্য হয়। এর জের ধরে পরদিন ২৫ নভেম্বর সকাল সাড়ে ১০টার দিকে রাজু সিকদার ও জ্যোৎস্্নার ভাই ইমরান ওই বাড়িতে গিয়ে মাকসুদাকে মারধর ও ছুরিকাঘাত করেন। ঘটনার পর তারা পালিয়ে যান।
আশপাশের লোকজন মাকসুদাকে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে প্রথমে নেছারাবাদ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। পরে অবস্থার অবনতি হলে তাকে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। সেখানেও অবস্থার উন্নতি না হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পর চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
এ ঘটনায় মাকসুদা বেগমের স্বজনরা নেছারাবাদ থানায় তিনজনকে আসামি করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া ও সাক্ষ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় আদালত এই রায় প্রদান করেন। মামলায় রাষ্ট্রপক্ষে আইনজীবী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন পিরোজপুর জেলা ও দায়রা জজ আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডভোকেট আবুল কালাম আকন।
সম্পাদক ও প্রকাশক: মাহের আহমেদ, প্রধান সম্পাদক: মোঃ মোত্তালিব সরকার। প্রকাশক কর্তৃক ৫৫০বি, হজ্জ ক্যাম্প রোড, আশকোনা, দক্ষিণখান, ঢাকা-১২৩০, বাংলাদেশ থেকে প্রকাশিত। সম্পাদকীয়, বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় (ঢাকা) : ৫৫০বি, হজ্জ ক্যাম্প রোড, আশকোনা, দক্ষিণখান, ঢাকা-১২৩০, বাংলাদেশ। আঞ্চলিক কার্যালয় (বগুড়া): টোলারগেট, শেরপুর–৫৮৪০, শেরপুর, বগুড়া। অফিস: ০১৭৭৬-১৩৬০৫০ (হোয়াটসঅ্যাপ), বিজ্ঞাপন: ০৯৬৯৭-৫৪৪৮২৭। ই-মেইল: dailyjokhonsomoy@gmail.com।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের তথ্য মন্ত্রনালয়ের বিধি মোতাবেক নিবন্ধনের জন্য আবেদিত ©সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © দৈনিক যখন সময় ২০২২