
পটুয়াখালীর সদর উপজেলার মৌকরন ইউনিয়নের শ্রীরামপুর বাজার মসজিদে ফজরের নামাজ আদায়ের সময় সেজদারত অবস্থায় হাফেজ মুহাম্মদ আতাউল্লাহ নামের এক ইমাম মৃত্যুবরণ করেছেন। সোমবার (১ আগস্ট) ভোরে এই হৃদয়বিদারক ঘটনাটি ঘটে। তার মৃত্যুতে পুরো এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
হাফেজ মুহাম্মদ আতাউল্লাহ গত দেড় বছর ধরে ওই মসজিদে ইমাম হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন। প্রতিদিনের মতো সোমবার ভোরেও তিনি ফজরের নামাজ পড়াতে মসজিদে যান। প্রত্যক্ষদর্শী মুসল্লিরা জানান, ফজরের সুন্নত নামাজের দ্বিতীয় রাকাতে সেজদায় যাওয়ার পর দীর্ঘ সময় পার হলেও তিনি আর ওঠেননি। বিষয়টি লক্ষ্য করে মুসল্লিরা তার কাছে গিয়ে ডাকাডাকি করেন। পরবর্তীতে তারা বুঝতে পারেন, তিনি সেজদারত অবস্থাতেই শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেছেন।
পটুয়াখালীর জামিয়া আশরাফিয়া মাদরাসা থেকে পড়াশোনা সম্পন্ন করা আতাউল্লাহ দুমকী উপজেলার শ্রীরামপুর ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের তালুকদার বাজারসংলগ্ন এলাকার বাসিন্দা ছিলেন। তিনি মাওলানা আব্দুস সালামের একমাত্র সন্তান। তিনি তার দুই সন্তান, স্বজন ও অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। স্থানীয়দের ভাষ্যমতে, আতাউল্লাহ অত্যন্ত শান্ত, সজ্জন ও ভদ্র স্বভাবের মানুষ ছিলেন এবং সবার সঙ্গে হাসিমুখে কথা বলতেন। ধর্মীয় দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি স্থানীয়দের সঙ্গে তার ছিল অত্যন্ত আন্তরিক সম্পর্ক।
তার মামাতো ভাই মহিবুল্লাহ জানান, পরিবারের একমাত্র ছেলেকে হারিয়ে স্বজনরা শোকে স্তব্ধ হয়ে পড়েছেন এবং তার এমন আকস্মিক মৃত্যু কেউ মেনে নিতে পারছেন না। পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, সোমবার জোহরের নামাজের পর দুমকীর শ্রীরামপুর বাজার মসজিদের সামনে তার প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। পরবর্তীতে আসরের নামাজের পর নিজ বাড়িতে দ্বিতীয় জানাজা শেষে তাকে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হবে।
সম্পাদক ও প্রকাশক: মাহের আহমেদ, প্রধান সম্পাদক: মোঃ মোত্তালিব সরকার। প্রকাশক কর্তৃক ৫৫০বি, হজ্জ ক্যাম্প রোড, আশকোনা, দক্ষিণখান, ঢাকা-১২৩০, বাংলাদেশ থেকে প্রকাশিত। সম্পাদকীয়, বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় (ঢাকা) : ৫৫০বি, হজ্জ ক্যাম্প রোড, আশকোনা, দক্ষিণখান, ঢাকা-১২৩০, বাংলাদেশ। আঞ্চলিক কার্যালয় (বগুড়া): টোলারগেট, শেরপুর–৫৮৪০, শেরপুর, বগুড়া। অফিস: ০১৭৭৬-১৩৬০৫০ (হোয়াটসঅ্যাপ), বিজ্ঞাপন: ০৯৬৯৭-৫৪৪৮২৭। ই-মেইল: dailyjokhonsomoy@gmail.com।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের তথ্য মন্ত্রনালয়ের বিধি মোতাবেক নিবন্ধনের জন্য আবেদিত ©সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © দৈনিক যখন সময় ২০২২