রামগতি উপজেলা প্রতিনিধি।
আদালতের নির্দেশনা ছিল অবৈধ ইটভাটা ভেঙে ফেলার। কিন্তু সেই সব ভাটায় চলছে ইট তৈরি ও পোড়ানোর কাজ। মালিকদের দাবি ‘ম্যানেজ’ করেই তারা ভাটায় কাজ করছেন।
আদালতের নির্দেশনা অমান্য করে প্রশাসনকে এবং বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাদের ‘ম্যানেজ’ রামগতিতে অবৈধ ভাটায় ইট তৈরির কাজ চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে। অথচ হাইকোর্ট অবৈধ সব ইটভাটা ভেঙে দিতে নির্দেশ দিয়েছিল। এতে একদিকে যেমন পরিবেশের ক্ষতি হচ্ছে, অন্যদিকে রাজস্ব হারাচ্ছে সরকার।
জেলা প্রশাসকের তথ্য মতে, রামগতি উপজেলায় ৪৪টি ইটভাটার মধ্যে অবৈধ ৪২টি।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে সকাল-সন্ধ্যা অবৈধ ভাটাগুলোতে চলছে ইট তৈরি ও পোড়ানোর কাজ। কয়লার পাশাপাশি এসব ভাটায় ব্যবহার হচ্ছে পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর কাঠের গুঁড়া। এতে বায়ুর পাশাপাশি ফসলি জমিরও ক্ষতি হচ্ছে।
নাম প্রকাশ্যে অনিচ্ছুক একাধিক অবৈধ ভাটার মালিক বলেন, ‘প্রশাসন এবং বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাদের ম্যানেজ করেই অবৈধ ভাটা চালিয়ে আসছি। ম্যানেজ না হলে অবৈধ ভাটা এক দিনও চলতে পারবে না। হাইকোর্টের নির্দেশের পর গত বছর অবৈধ ভাটা ভাঙা হয়নি। গতবারের অবৈধ ভাটায় এবারও ইট পোড়ানো হচ্ছে। ভাটার মালিক ও প্রশাসনের ও বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাদের যোগসাজশে এটা সম্ভব হয়েছে।’
এ বিষয়ে জানতে চাইলে রামগতি উপজেলা নির্বাহী (ইউএনও) বলেন, ‘হাইকোর্টের নির্দেশে কিছুদিন আগে উপজেলার তিনটি অবৈধ ভাটার কার্যক্রম বন্ধ করে দেয়া হয়েছিল। ওই সব ভাটার মালিকরা যদি ভাটার কার্যক্রম চালু করে থাকে, তাহলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেয়া হবে।’
সম্পাদক ও প্রকাশক: মাহের আহমেদ, প্রধান সম্পাদক: মোঃ মোত্তালিব সরকার। প্রকাশক কর্তৃক ৫৫০বি, হজ্জ ক্যাম্প রোড, আশকোনা, দক্ষিণখান, ঢাকা-১২৩০, বাংলাদেশ থেকে প্রকাশিত। সম্পাদকীয়, বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় (ঢাকা) : ৫৫০বি, হজ্জ ক্যাম্প রোড, আশকোনা, দক্ষিণখান, ঢাকা-১২৩০, বাংলাদেশ। আঞ্চলিক কার্যালয় (বগুড়া): টোলারগেট, শেরপুর–৫৮৪০, শেরপুর, বগুড়া। অফিস: ০১৭৭৬-১৩৬০৫০ (হোয়াটসঅ্যাপ), বিজ্ঞাপন: ০৯৬৯৭-৫৪৪৮২৭। ই-মেইল: dailyjokhonsomoy@gmail.com।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের তথ্য মন্ত্রনালয়ের বিধি মোতাবেক নিবন্ধনের জন্য আবেদিত ©সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © দৈনিক যখন সময় ২০২২