ভিক্টর বিশ্বাস চিতা
কুষ্টিয়ার খোকসার ওপর দিয়ে বয়ে যাচ্ছে মাঝারি তাপপ্রবাহ। বৃহস্পতিবার দিনের তাপমাত্রা ৩৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। তীব্র গরমের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বেড়েছে লোডশেডিং। দিনরাত সমানতালে বিদ্যুৎ বিভ্রাটে স্থবির হয়ে পড়েছে জীবনযাত্রা। ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ১৬ ঘণ্টাই থাকছে না বিদ্যুৎ।
কৃষি, শিল্প, ব্যবসা-বাণিজ্য থেকে শুরু করে শিক্ষাক্ষেত্র সবখানেই লোডশেডিংয়ের নেতিবাচক প্রভাব স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। গরম যত বাড়ছে, লোডশেডিংয়ের ভোগান্তি তত বাড়ছে। সবচেয়ে বেশি বিপদে পড়েছে এসএসসি পরীক্ষার্থীরা।
দুপুরে চাহিদা ছিল ১৫ মেগাওয়াট, সেখানে পাওয়া গেছে ৫ মেগাওয়াট। চাহিদার তুলনায় ১০ মেগাওয়াট কম পাওয়ায় লোডশেডিং বেশি হচ্ছে বলে জানিয়েছে পল্লী বিদ্যুৎ কর্তৃপক্ষ। তবে কবে নাগাদ এই সমস্যার সমাধান হবে, তাও বলতে পারছে না পল্লী বিদ্যুৎ কর্তৃপক্ষ।
এসএসসি পরীক্ষার্থীরা বলে একদিকে গরম, তার ওপরে বিদ্যুৎ থাকে না। ফলে ঠিকমতো পড়াশোনা করতে পারছি না।’ প্রতিদিন রাত-দিনে কতবার যে বিদ্যুৎ যায়, তার কোনো ঠিক নেই। দিনরাত মিলে ১৫-১৬ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকে না।
একতারপুরের এলাকার আশরাফ আলী বলেন একে তো প্রচণ্ড গরম, তার ওপর ১৫-১৬ ঘণ্টা লোডশেডিং।
চরবিহাড়িয়া গ্রামের অমরেশ বিশ্বাস বলেন সারাদিনে কতবার বিদ্যুৎ যায়, তার হিসাব নেই। একবার বিদ্যুৎ গেলে দেড় থেকে দুই ঘণ্টা পরে আসে। তীব্র গরমে আর লোডশেডিংয়ের কারণে ছোট ছোট বাচ্চারা ঠিকমতো ঘুমাতে পারে না।
শেখ পাড়া বিহাড়িয়ার আটোচালক হিরাজ আলী জানান, এই অটোরিকশা চালিয়েই তাঁর সংসার চলে। গত রাতে পাঁচ-ছয় ঘণ্টা বিদ্যুৎ ছিল না, ফলে ব্যাটারি ঠিকমতো চার্জ হচ্ছে না। চার্জ না থাকায় ঠিকমতো ভাড়াও মারতে পারছেন না। সংসার চালানোই মুশকিল হয়ে গেছে।
সম্পাদক ও প্রকাশক: মাহের আহমেদ, প্রধান সম্পাদক: মোঃ মোত্তালিব সরকার। প্রকাশক কর্তৃক ৫৫০বি, হজ্জ ক্যাম্প রোড, আশকোনা, দক্ষিণখান, ঢাকা-১২৩০, বাংলাদেশ থেকে প্রকাশিত। সম্পাদকীয়, বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় (ঢাকা) : ৫৫০বি, হজ্জ ক্যাম্প রোড, আশকোনা, দক্ষিণখান, ঢাকা-১২৩০, বাংলাদেশ। আঞ্চলিক কার্যালয় (বগুড়া): টোলারগেট, শেরপুর–৫৮৪০, শেরপুর, বগুড়া। অফিস: ০১৭৭৬-১৩৬০৫০ (হোয়াটসঅ্যাপ), বিজ্ঞাপন: ০৯৬৯৭-৫৪৪৮২৭। ই-মেইল: dailyjokhonsomoy@gmail.com।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের তথ্য মন্ত্রনালয়ের বিধি মোতাবেক নিবন্ধনের জন্য আবেদিত ©সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © দৈনিক যখন সময় ২০২২