
নীলফামারীতে তিস্তা সেচ প্রকল্পে ফসলের ক্ষেতে বেড়েছে কৃষকদের ব্যস্ততা। পুরোদমে চলছে বোরো চারা রোপণ ও জমি তৈরির কাজ। অবশ্য প্রধান খালসহ সেকেন্ডারি ও টারশিয়ারি খালের সংস্কার কাজ চলায় ৩০ হাজারের বিপরীতে সেচ সুবিধা পাওয়া যাচ্ছে ২০ হাজার হেক্টর জমিতে।
দেরিতে হলেও মিলছে তিস্তার পানি।
কৃষকরা জানান, তিস্তা সেচ প্রকল্পের পানি না পাওয়ার কারণে তাদেরকে বিএডিসির সেচ অথবা নিজস্ব উদ্যোগে শ্যালো পাম্পের সাহায্যে জমিতে পানি নিতে হতো। এতে করে প্রতি বিঘা জমিতে সেচ দিতে খরচ হতো দেড় হাজার থেকে ২ হাজার টাকা। কিন্তু তিস্তার পানি থেকে সেচ সুবিধা পাওয়ায় খরচ কমে এসেছে ২শ থেকে ৩শ টাকায়।
নীলফামারী পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী মো. আশরাফুল আলম জানান, ২০২৪ সালে প্রকল্পের সংস্কার কাজ শেষ হলে পুরোদমে সেচ সুবিধা পাওয়া যাবে। জেলায় এবার বোরো চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৮১ হাজার ৭শ হেক্টর জমিতে।
দেরিতে হলেও মিলছে তিস্তার পানি।
সম্পাদক ও প্রকাশক: মাহের আহমেদ, প্রধান সম্পাদক: মোঃ মোত্তালিব সরকার। প্রকাশক কর্তৃক হোসেন মঞ্জিল, ৬/১, ধলপুর, যাত্রাবাড়ী, ঢাকা-১২০৪, বাংলাদেশ থেকে প্রকাশিত। সম্পাদকীয়, বার্তা ও বাণিজ্যিক বিভাগ : হোসেন মঞ্জিল, ৬/১, ধলপুর, যাত্রাবাড়ী, ঢাকা-১২০৪, বাংলাদেশ। সাব-হেড অফিস: টোলারগেট, শেরপুর–৫৮৪০, শেরপুর, বগুড়া। অফিস: ০১৭৭৬-১৩৬০৫০ (হোয়াটসঅ্যাপ), বিজ্ঞাপন: ০৯৬৯৭-৫৪৪৮২৭। ই-মেইল: dailyjokhonsomoy@gmail.com।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের তথ্য মন্ত্রনালয়ের বিধি মোতাবেক নিবন্ধনের জন্য আবেদিত ©সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © দৈনিক যখন সময় ২০২২