মোঃ কবির হোসেন, জামালপুরঃ
বিয়ে উপলক্ষে বর ও কনের বাড়িতে চলছিল জাঁকজমক অনুষ্ঠান। বিয়ের দিন উভয় পক্ষের আত্মীয়স্বজনের মধ্যে আনন্দ আয়োজনের কোনো ঘাটতি নেই। আমন্ত্রিত অতিথিদের খাওয়াদাওয়ার পর্বও শেষ। তবে কনে যে কিশোরী (১৪), তা নাকি জানতেন না কেউ। কিশোরী কনেকে সাজানোর কাজও চলছিল। হঠাৎ বিয়েবাড়িতে উপস্থিত হন মেলান্দহ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও)। তাঁর উপস্থিতি টের পেয়ে বিয়েবাড়ি থেকে বর ও কনেকে ফেলে সবাই পালিয়ে যান। সোমবার (১৩ ফেব্রুয়ারী) দিবাগত রাত ১টার দিকে জামালপুরের মেলান্দহ উপজেলার মাহমুদপুর ইউনিয়নের চারাইলদার গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় ও জামালপুর জেলা আনসার ভিডিপি কার্যালয় সুত্রে জানা যায়, মাহমুদপুর ইউনিয়নের চারাইলদার গ্রামের ৭ম শ্রেণি পড়ুয়া এক ছাত্রীর বাল্যবিবাহ হচ্ছে এমন তথ্যের খবর পান জামালপুর জেলা আনসার ও ভিডিপি কমান্ড্যাট মো. মিজানুর রহমান।পরে তিনি মেলান্দহ উপজেলা নিবার্হী কর্মকর্তা ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেটকে বাল্যবিবাহের বিষয়টি অবগত করেন। পরে রাত ১ টার দিকে দিকে ইউএনও পুলিশ সদস্য বিয়ে বাড়িতে হাজির হন। প্রশাসনের উপস্থিতি টের পেয়ে বর কনে রেখে দৌড়ে পালিয়ে যান স্বজনরা। পরে বন্ধ করে দেওয়া হয় বিয়ে।এ বিষয়ে জেলা কমান্ড্যান্ট মো. মিজানুর রহমান বলেন,’আনসার ভিডিপি’র এক সদস্যের প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে আমারা সমন্বিত প্রচেষ্টার মাধ্যমে একটি অপ্রাপ্তবয়স্ক মেয়েকে বাল্যবিবাহের অভিশাপ থেকে বাঁচাতে সফল হই’।মেলান্দহের ইউএনও সেলিম মিঞা জানান, ‘আমাদের উপস্থিতি টের পেয়ে উভয় পক্ষের স্বজনেরা পালিয়ে যান। তবে আমরা সঠিক সময়ে গিয়ে বাল্যবিবাহ বন্ধ করেছি। বাল্যবিবাহের বিষয়ে উপজেলা প্রশাসন কঠোর অবস্থানে রয়েছে বলেও জানান তিনি।
সম্পাদক ও প্রকাশক: মাহের আহমেদ, প্রধান সম্পাদক: মোঃ মোত্তালিব সরকার। প্রকাশক কর্তৃক ৫৫০বি, হজ্জ ক্যাম্প রোড, আশকোনা, দক্ষিণখান, ঢাকা-১২৩০, বাংলাদেশ থেকে প্রকাশিত। সম্পাদকীয়, বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় (ঢাকা) : ৫৫০বি, হজ্জ ক্যাম্প রোড, আশকোনা, দক্ষিণখান, ঢাকা-১২৩০, বাংলাদেশ। আঞ্চলিক কার্যালয় (বগুড়া): টোলারগেট, শেরপুর–৫৮৪০, শেরপুর, বগুড়া। অফিস: ০১৭৭৬-১৩৬০৫০ (হোয়াটসঅ্যাপ), বিজ্ঞাপন: ০৯৬৯৭-৫৪৪৮২৭। ই-মেইল: dailyjokhonsomoy@gmail.com।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের তথ্য মন্ত্রনালয়ের বিধি মোতাবেক নিবন্ধনের জন্য আবেদিত ©সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © দৈনিক যখন সময় ২০২২