লালমনিরহাটের হাতীবান্ধা উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান আনোয়ার হোসেন মিরুর বিরুদ্ধে উপজেলা পরিষদে তার সরকারি কার্যালয়ে বসে নিয়মিত মাদক সেবন করার অভিযোগ ছিল আগ থেকেই। যার সত্যতা মিলেছে ফাঁস হওয়া একটি ভিডিওতে।
আনোয়ার হোসেন মিরু সরকারি কার্যালয়ে নিজের চেয়ার থেকে উঠে টয়লেটে ঢোকেন। টেবিলের অন্য প্রান্তে তখন ১জন পুরুষ ও ১ নারী বসে ছিলেন। টয়লেট থেকে বের হয়ে মিরু সোজা চলে যান টেবিল থেকে কিছুটা দূরে দর্শনার্থীদের জন্য থাকা সোফার কাছে, সেখানে বসা লুঙ্গি পরিহিত ১জনের সামনে। কিছু সময় পর লুঙ্গির ভাঁজে লুকিয়ে রাখা ১টি ফেনসিডিলের বোতল মিরুর হাতে তুলে দেন ওই ব্যক্তি। ভাইস চেয়ারম্যান মিরুর হাতে যাকে ফেনসিডিলের বোতল তুলে দিতে দেখা গেছে তিনি উপজেলার টংভাঙ্গা ইউনিয়নের বাড়াইপাড়া এলাকার কানিপাড়া গ্রামের জাফর আলীর ছেলে ইউসুফ (৪২)। যার বিরুদ্ধে মাদকের একাধিক মামলা রয়েছে বলে হাতীবান্ধা থানা পুলিশ জানিয়েছেন।
তবে মাদক কারবারি ইউসুফের দাবি, তার নামে মাদকের মাত্র ১টি মামলা রয়েছে। আর তিনি ভাইস চেয়ারম্যান মিরুর কাছে টাকা পান। সেই টাকা আনতে অফিসে গিয়ে ছিলেন।
ভাইস চেয়ারম্যান মিরু জানান, তিনি দীর্ঘদিন ধরে অসুস্থ। তাই আয়ুর্বেদিক ওষুধ খেয়ে থাকেন। সেই দিন তার বন্ধু তার জন্য ওষুুধ নিয়ে এসেছিলেন। সেটি ফেনসিডিলের বোতল ছিল না।
এ বিষয়ে হাতীবান্ধা উপজেলা চেয়ারম্যান মশিউর রহমান মামুন জানান, ১জন জনপ্রতিনিধির এমন কাণ্ড সত্যি খুব দুঃখজনক। এ ঘটনায় তদন্ত চলছে।
লালমনিরহাট জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ উল্যাহ জানান, এরই মধ্যে ১টি তদন্ত কমিটি তৈরি করে বুধবারের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেয়ার নির্দেশ দেয়া হয়েছে। প্রতিবেদন পেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।
সম্পাদক ও প্রকাশক: মাহের আহমেদ, প্রধান সম্পাদক: মোঃ মোত্তালিব সরকার। প্রকাশক কর্তৃক হোসেন মঞ্জিল, ৬/১, ধলপুর, যাত্রাবাড়ী, ঢাকা-১২০৪, বাংলাদেশ থেকে প্রকাশিত। সম্পাদকীয়, বার্তা ও বাণিজ্যিক বিভাগ : হোসেন মঞ্জিল, ৬/১, ধলপুর, যাত্রাবাড়ী, ঢাকা-১২০৪, বাংলাদেশ। সাব-হেড অফিস: টোলারগেট, শেরপুর–৫৮৪০, শেরপুর, বগুড়া। অফিস: ০১৭৭৬-১৩৬০৫০ (হোয়াটসঅ্যাপ), বিজ্ঞাপন: ০৯৬৯৭-৫৪৪৮২৭। ই-মেইল: dailyjokhonsomoy@gmail.com।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের তথ্য মন্ত্রনালয়ের বিধি মোতাবেক নিবন্ধনের জন্য আবেদিত ©সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © দৈনিক যখন সময় ২০২২