রুবেল হাসান শাজাহানপুর উপজেলা প্রতিনিধি:
বিপুল উৎসাহ উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে আজ বুধবার (১২ ফ্রেরুয়ারী) বগুড়ার গাবতলীতে ঐতিহ্যবাহী পোড়াদহ সন্ন্যাসী ও জামাই মেলা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন করতে কাজ করছেন মেলা আয়োজক কমিটি। স্বজনদের আপ্যায়ন করতে মেলার আশপাশের গ্রামের অনেক বাড়ীতে ধুম পড়ে গেছে নানা আয়োজন।
উপজেলার মহিষাবান ইউনিয়নের অর্ন্তগত গোলাবাড়ী বন্দর সংলগ্ন প্রায় চারশত বছর পূর্বে থেকে স্থানীয় সন্ন্যাসী পূজা উপলক্ষে গাড়ীদহ নদী ঘেঁষে একদিনের জন্য মেলাটি বসে। দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে হাজার হাজার মানুষ মেলায় এসে মাছ ক্রয়-বিক্রয় করেন। মেলা উপলক্ষে আশপাশের গ্রামের প্রতিটি বাড়ীতে আত্মীয় স্বজন এসে সমবেত হয়। ঈদ বা অন্য কোন উৎসবে জামাই-মেয়েসহ আত্মীয় স্বজনদের দাওয়াত না দিলেও মেলা উপলক্ষে দাওয়াত দিতেই হবে। যা রেওয়াজে পরিনীত হয়েছে। এই মেলায় বড় বড় মাছ, হরেক রকম মিষ্টি, কাঠ বা স্টিলের র্ফানিচার, কৃষি সামগ্রীসহ বিভিন্ন আসবাবপত্র ও খাদ্য দ্রব্য কেনা-বেচা করা হয়।
এছাড়া বিনোদনমূলক সার্কাস, নৌকা, মাইক্রো-কার খেলা, যাদু, ও নাগোরদোলার আয়োজন করা হয়। বাংলার প্রতি বছরের মাঘ মাসের শেষ অথবা ফাল্গুন মাসের প্রথম বুধবার মেলাটি হয়ে থাকে। এই মেলাকে ঘিরে এলাকার প্রতিটি বাড়িতে মিলন মেলায় পরিনত হয়। ঐতিহ্যবাহী পোড়াদহ সন্ন্যাসী পূজা উদযাপন কমিটির সভাপতি নিকুঞ্জ কুমার পাল জানান, শতশত বছর আগে থেকে সন্ন্যাসী পূজা উপলক্ষে ঐতিহ্যবাহী পোড়াদহ সন্ন্যাসী ও জামাই মেলা হয়ে আসছে। এরই ধারাবাহিকতায় আজ বুধবার শান্তিপূর্ণভাবে ৪৫৩তম মেলাটি অনুষ্ঠিত হবে। গাবতলী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ হাফিজুর রহমান জানান, জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের অনুমতি সাপেক্ষে মেলার জন্য সার্বিক সহযোগিতা করা হবে। এছাড়া আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা কঠোর নিরাপত্তায় নিয়োজিত থাকবে।
সম্পাদক ও প্রকাশক: মাহের আহমেদ, প্রধান সম্পাদক: মোঃ মোত্তালিব সরকার। প্রকাশক কর্তৃক হোসেন মঞ্জিল, ৬/১, ধলপুর, যাত্রাবাড়ী, ঢাকা-১২০৪, বাংলাদেশ থেকে প্রকাশিত। সম্পাদকীয়, বার্তা ও বাণিজ্যিক বিভাগ : হোসেন মঞ্জিল, ৬/১, ধলপুর, যাত্রাবাড়ী, ঢাকা-১২০৪, বাংলাদেশ। সাব-হেড অফিস: টোলারগেট, শেরপুর–৫৮৪০, শেরপুর, বগুড়া। অফিস: ০১৭৭৬-১৩৬০৫০ (হোয়াটসঅ্যাপ), বিজ্ঞাপন: ০৯৬৯৭-৫৪৪৮২৭। ই-মেইল: dailyjokhonsomoy@gmail.com।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের তথ্য মন্ত্রনালয়ের বিধি মোতাবেক নিবন্ধনের জন্য আবেদিত ©সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © দৈনিক যখন সময় ২০২২